০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

ঢাকা-আগরতলা-কলকাতা বাস সার্ভিস আবার চালু

দৈর্ঘ্য দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে আবার শুরু হলো ঢাকা, আগরতলা ও কলকাতার মধ্যে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। এ সুখবরটি সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা কমলাপুর বাস ডিপো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রওনা করেন একটি রয়েল মৈত্রীর বাস, যা আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এবং সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় প্রবেশ করে।

প্রথমে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই বাস সার্ভিস বাতিল হয়, তবে দেড় বছর পরে মৈত্রীর সহযোগিতায় পুনরায় পরীক্ষামূলক এই যাত্রা শুরু হয়েছে।

ঢাকা থেকে আগরতলা এবং তার পর কলকাতা পর্যন্ত এই বাস পরিষেবার জেনারেল ম্যানেজার ওয়ারিছ আলম জানান, আপাতত সপ্তাহে দুদিন এই বাস চলবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে, নিয়মিতভাবে সপ্তাহে তিন দিন এই সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় যেতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে কলকাতার পথে এই দূরত্ব অনেক কমে আসে, যেখানে আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৫০০ কিলোমিটার।

বাসের ফের চালু হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। একইসঙ্গে পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, এই ফের চালু হয়ানো ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করকাল আরও অগ্রগামী এবং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে। এই বাস বাতাসের মতো যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রবৃদ্ধি আনবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশকে তার আত্মীয় ও প্রতিবেশী হিসেবে দেখে। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা বা অশান্ত পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদ্বেগের কারণ। অতীতে কিছুটা দূরত্ব দেখা দিলেও, বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর উভয়পক্ষের আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক বন্ধন আরও জোরদার করতে এই সম্পর্কের ওপর উভয়পক্ষই গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

ঢাকা-আগরতলা-কলকাতা বাস সার্ভিস আবার চালু

প্রকাশিতঃ ০৮:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দৈর্ঘ্য দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে আবার শুরু হলো ঢাকা, আগরতলা ও কলকাতার মধ্যে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। এ সুখবরটি সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা কমলাপুর বাস ডিপো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রওনা করেন একটি রয়েল মৈত্রীর বাস, যা আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এবং সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় প্রবেশ করে।

প্রথমে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই বাস সার্ভিস বাতিল হয়, তবে দেড় বছর পরে মৈত্রীর সহযোগিতায় পুনরায় পরীক্ষামূলক এই যাত্রা শুরু হয়েছে।

ঢাকা থেকে আগরতলা এবং তার পর কলকাতা পর্যন্ত এই বাস পরিষেবার জেনারেল ম্যানেজার ওয়ারিছ আলম জানান, আপাতত সপ্তাহে দুদিন এই বাস চলবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে, নিয়মিতভাবে সপ্তাহে তিন দিন এই সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় যেতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে কলকাতার পথে এই দূরত্ব অনেক কমে আসে, যেখানে আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৫০০ কিলোমিটার।

বাসের ফের চালু হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। একইসঙ্গে পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, এই ফের চালু হয়ানো ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করকাল আরও অগ্রগামী এবং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে। এই বাস বাতাসের মতো যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রবৃদ্ধি আনবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশকে তার আত্মীয় ও প্রতিবেশী হিসেবে দেখে। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা বা অশান্ত পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদ্বেগের কারণ। অতীতে কিছুটা দূরত্ব দেখা দিলেও, বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর উভয়পক্ষের আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক বন্ধন আরও জোরদার করতে এই সম্পর্কের ওপর উভয়পক্ষই গুরুত্ব দিচ্ছে।