১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

ঢাকা-আগরতলা-কলকাতা বাস সার্ভিস আবার চালু

দৈর্ঘ্য দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে আবার শুরু হলো ঢাকা, আগরতলা ও কলকাতার মধ্যে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। এ সুখবরটি সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা কমলাপুর বাস ডিপো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রওনা করেন একটি রয়েল মৈত্রীর বাস, যা আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এবং সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় প্রবেশ করে।

প্রথমে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই বাস সার্ভিস বাতিল হয়, তবে দেড় বছর পরে মৈত্রীর সহযোগিতায় পুনরায় পরীক্ষামূলক এই যাত্রা শুরু হয়েছে।

ঢাকা থেকে আগরতলা এবং তার পর কলকাতা পর্যন্ত এই বাস পরিষেবার জেনারেল ম্যানেজার ওয়ারিছ আলম জানান, আপাতত সপ্তাহে দুদিন এই বাস চলবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে, নিয়মিতভাবে সপ্তাহে তিন দিন এই সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় যেতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে কলকাতার পথে এই দূরত্ব অনেক কমে আসে, যেখানে আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৫০০ কিলোমিটার।

বাসের ফের চালু হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। একইসঙ্গে পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, এই ফের চালু হয়ানো ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করকাল আরও অগ্রগামী এবং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে। এই বাস বাতাসের মতো যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রবৃদ্ধি আনবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশকে তার আত্মীয় ও প্রতিবেশী হিসেবে দেখে। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা বা অশান্ত পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদ্বেগের কারণ। অতীতে কিছুটা দূরত্ব দেখা দিলেও, বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর উভয়পক্ষের আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক বন্ধন আরও জোরদার করতে এই সম্পর্কের ওপর উভয়পক্ষই গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-আগরতলা-কলকাতা বাস সার্ভিস আবার চালু

প্রকাশিতঃ ০৮:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দৈর্ঘ্য দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে আবার শুরু হলো ঢাকা, আগরতলা ও কলকাতার মধ্যে সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। এ সুখবরটি সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা কমলাপুর বাস ডিপো থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রওনা করেন একটি রয়েল মৈত্রীর বাস, যা আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এবং সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় প্রবেশ করে।

প্রথমে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা জটিলতার কারণে এই বাস সার্ভিস বাতিল হয়, তবে দেড় বছর পরে মৈত্রীর সহযোগিতায় পুনরায় পরীক্ষামূলক এই যাত্রা শুরু হয়েছে।

ঢাকা থেকে আগরতলা এবং তার পর কলকাতা পর্যন্ত এই বাস পরিষেবার জেনারেল ম্যানেজার ওয়ারিছ আলম জানান, আপাতত সপ্তাহে দুদিন এই বাস চলবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে, নিয়মিতভাবে সপ্তাহে তিন দিন এই সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় যেতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। তবে বাসে ঢাকা হয়ে কলকাতার পথে এই দূরত্ব অনেক কমে আসে, যেখানে আগরতলা থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৫০০ কিলোমিটার।

বাসের ফের চালু হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। একইসঙ্গে পরিবহন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, এই ফের চালু হয়ানো ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করকাল আরও অগ্রগামী এবং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে। এই বাস বাতাসের মতো যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রবৃদ্ধি আনবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশকে তার আত্মীয় ও প্রতিবেশী হিসেবে দেখে। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা বা অশান্ত পরিস্থিতি ভারতের জন্যও উদ্বেগের কারণ। অতীতে কিছুটা দূরত্ব দেখা দিলেও, বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর উভয়পক্ষের আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। দুই দেশের সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক বন্ধন আরও জোরদার করতে এই সম্পর্কের ওপর উভয়পক্ষই গুরুত্ব দিচ্ছে।