০৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং তারেক রহমানকে অভিনন্দন

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠন প্রসঙ্গে একটি বিশেষ বিবৃতি দিয়ে এই শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে গ্রেস মেং বলেন, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা। তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।

গ্রেস মেং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার রক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বিস্তৃত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে; বিশেষত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে বলে তাঁর বিশ্বাস।

সেইসঙ্গে গ্রেস মেং তার নির্বাচনী এলাকার বড় সংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতিতে সদা উৎসাহী এবং একজন মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি ঐ সেতুবন্ধন আরও মজবুত করে তাদের সহায়তায় কাজ করবেন।

গ্রেস মেংয়ের এই বার্তা বাংলাদেশের নতুন সরকার ও প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি একটি ইতিবাচক সঙ্কেত হিসেবে দেখা যায়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গড়ে তোলার ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং তারেক রহমানকে অভিনন্দন

প্রকাশিতঃ ১২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠন প্রসঙ্গে একটি বিশেষ বিবৃতি দিয়ে এই শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে গ্রেস মেং বলেন, তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা। তিনি নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।

গ্রেস মেং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার রক্ষা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে। পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বিস্তৃত হলে তা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে; বিশেষত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দুই দেশ একে অপরের পরিপূরক হতে পারে বলে তাঁর বিশ্বাস।

সেইসঙ্গে গ্রেস মেং তার নির্বাচনী এলাকার বড় সংখ্যক বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার রক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের মাতৃভূমির অগ্রগতিতে সদা উৎসাহী এবং একজন মার্কিন আইনপ্রণেতা হিসেবে তিনি ঐ সেতুবন্ধন আরও মজবুত করে তাদের সহায়তায় কাজ করবেন।

গ্রেস মেংয়ের এই বার্তা বাংলাদেশের নতুন সরকার ও প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি একটি ইতিবাচক সঙ্কেত হিসেবে দেখা যায়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গড়ে তোলার ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।