০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

খুলনায় সাবেক এমপির জামাতার নিখোঁজ: তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের জামাতা ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন, যিনি ওফ কি সুজন নামে পরিচিত, তিন দিন পার হলেও এখনো তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগে আছেন এবং পরিস্থিতি মোড়ল অনুভব করছে।

আজিম আহমেদ খান বলেন, তার স্বামী ২১ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নগরীর পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। নামাজ শেষে প্রায় আধা ঘণ্টা পরে তিনি মসজিদ থেকে বের হন। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও এরপর থেকে তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। তিনি মুঠোফোন বাসায় রেখে গিয়েছিলেন, ফলে তার সঙ্গে তৎক্ষণাৎ যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

পরিবার জানায়, আশেপাশের বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হলেও হাতে থাকা কয়েকটি অচল থাকায় তার সঠিক অবস্থান বা কোথাও যাওয়ার তথ্য বুঝতে পারেননি। এ ঘটনায় তারা রহস্যের মধ্যে আছেন।

নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও অন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।

তারা আরো বলছেন, তার ছেলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও যাননি। ২০২৩-২৪ অর্থবছর, খুলনার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। এমন একজন মানুষ, কেন অজানার জন্য নিখোঁজ হচ্ছেন, এই রহস্য পুরো পরিবারকেই ভাবিয়ে তুলেছে।

পরিবারের দাবি, কাজী নিজাম উদ্দিন রাজনৈতিক কোনো কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই। তিনি মূলত পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর মা, স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের সন্তান উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত তার সন্ধান দেয়ার জন্য প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এ ধরণের কিছু আমরা পাইনি। আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে এই বিষয়টি দেখছি।”

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

খুলনায় সাবেক এমপির জামাতার নিখোঁজ: তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি

প্রকাশিতঃ ০১:৪৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিজানুর রহমানের জামাতা ব্যবসায়ী কাজী নিজাম উদ্দিন, যিনি ওফ কি সুজন নামে পরিচিত, তিন দিন পার হলেও এখনো তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা গভীর উদ্বেগে আছেন এবং পরিস্থিতি মোড়ল অনুভব করছে।

আজিম আহমেদ খান বলেন, তার স্বামী ২১ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে নগরীর পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। নামাজ শেষে প্রায় আধা ঘণ্টা পরে তিনি মসজিদ থেকে বের হন। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও এরপর থেকে তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। তিনি মুঠোফোন বাসায় রেখে গিয়েছিলেন, ফলে তার সঙ্গে তৎক্ষণাৎ যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

পরিবার জানায়, আশেপাশের বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হলেও হাতে থাকা কয়েকটি অচল থাকায় তার সঠিক অবস্থান বা কোথাও যাওয়ার তথ্য বুঝতে পারেননি। এ ঘটনায় তারা রহস্যের মধ্যে আছেন।

নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও অন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।

তারা আরো বলছেন, তার ছেলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও যাননি। ২০২৩-২৪ অর্থবছর, খুলনার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। এমন একজন মানুষ, কেন অজানার জন্য নিখোঁজ হচ্ছেন, এই রহস্য পুরো পরিবারকেই ভাবিয়ে তুলেছে।

পরিবারের দাবি, কাজী নিজাম উদ্দিন রাজনৈতিক কোনো কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই। তিনি মূলত পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর মা, স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের সন্তান উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত তার সন্ধান দেয়ার জন্য প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এ ধরণের কিছু আমরা পাইনি। আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে এই বিষয়টি দেখছি।”