০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১১ এর নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সোমবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতের নাম ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০), তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার বাসিন্দা। র‌্যাব জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের সঙ্গে মিলিয়ে এব্যাপারে এখন পর্যন্ত মোট আটজন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হলো।

পূর্বের সংবাদ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদীর দায়রিকান্দি এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে নিহতের পরিবার মাধবদী থানায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, মো. গাফফার, আহাম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. আইয়ুব এবং সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইছাহাক ওরফে ইছা। এজাহারভুক্তদের মধ্যে মাত্র আবু তাহের পলাতক রয়েছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এর আগে রোববার (১ মার্চ) মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা সহ গ্রেফতার সাতজনকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মেহেদী হাসানের আদালত আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তৃত জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করার জন্য আদালত রিমান্ড অনুমোদন করেছেন।

নিহত কিশোরীর বাবা একজন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক এবং তারা সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত ও আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিতঃ ১১:৪১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১১ এর নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সোমবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতের নাম ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০), তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার বাসিন্দা। র‌্যাব জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের সঙ্গে মিলিয়ে এব্যাপারে এখন পর্যন্ত মোট আটজন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হলো।

পূর্বের সংবাদ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদীর দায়রিকান্দি এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে নিহতের পরিবার মাধবদী থানায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, মো. গাফফার, আহাম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. আইয়ুব এবং সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইছাহাক ওরফে ইছা। এজাহারভুক্তদের মধ্যে মাত্র আবু তাহের পলাতক রয়েছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এর আগে রোববার (১ মার্চ) মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা সহ গ্রেফতার সাতজনকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মেহেদী হাসানের আদালত আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তৃত জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করার জন্য আদালত রিমান্ড অনুমোদন করেছেন।

নিহত কিশোরীর বাবা একজন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক এবং তারা সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত ও আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।