০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১১ এর নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সোমবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতের নাম ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০), তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার বাসিন্দা। র‌্যাব জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের সঙ্গে মিলিয়ে এব্যাপারে এখন পর্যন্ত মোট আটজন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হলো।

পূর্বের সংবাদ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদীর দায়রিকান্দি এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে নিহতের পরিবার মাধবদী থানায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, মো. গাফফার, আহাম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. আইয়ুব এবং সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইছাহাক ওরফে ইছা। এজাহারভুক্তদের মধ্যে মাত্র আবু তাহের পলাতক রয়েছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এর আগে রোববার (১ মার্চ) মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা সহ গ্রেফতার সাতজনকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মেহেদী হাসানের আদালত আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তৃত জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করার জন্য আদালত রিমান্ড অনুমোদন করেছেন।

নিহত কিশোরীর বাবা একজন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক এবং তারা সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত ও আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিতঃ ১১:৪১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১১ এর নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সোমবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতের নাম ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০), তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার বাসিন্দা। র‌্যাব জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের সঙ্গে মিলিয়ে এব্যাপারে এখন পর্যন্ত মোট আটজন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হলো।

পূর্বের সংবাদ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদীর দায়রিকান্দি এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে নিহতের পরিবার মাধবদী থানায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, মো. গাফফার, আহাম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. আইয়ুব এবং সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইছাহাক ওরফে ইছা। এজাহারভুক্তদের মধ্যে মাত্র আবু তাহের পলাতক রয়েছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এর আগে রোববার (১ মার্চ) মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা সহ গ্রেফতার সাতজনকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মেহেদী হাসানের আদালত আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তৃত জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করার জন্য আদালত রিমান্ড অনুমোদন করেছেন।

নিহত কিশোরীর বাবা একজন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক এবং তারা সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত ও আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।