০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১১ এর নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সোমবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতের নাম ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০), তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার বাসিন্দা। র‌্যাব জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের সঙ্গে মিলিয়ে এব্যাপারে এখন পর্যন্ত মোট আটজন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হলো।

পূর্বের সংবাদ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদীর দায়রিকান্দি এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে নিহতের পরিবার মাধবদী থানায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, মো. গাফফার, আহাম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. আইয়ুব এবং সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইছাহাক ওরফে ইছা। এজাহারভুক্তদের মধ্যে মাত্র আবু তাহের পলাতক রয়েছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এর আগে রোববার (১ মার্চ) মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা সহ গ্রেফতার সাতজনকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মেহেদী হাসানের আদালত আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তৃত জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করার জন্য আদালত রিমান্ড অনুমোদন করেছেন।

নিহত কিশোরীর বাবা একজন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক এবং তারা সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত ও আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিতঃ ১১:৪১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-১১ এর নরসিংদী ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সোমবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতের নাম ইছাহাক ওরফে ইছা (৪০), তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার বাসিন্দা। র‌্যাব জানায়, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মাধবদী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই গ্রেফতারের সঙ্গে মিলিয়ে এব্যাপারে এখন পর্যন্ত মোট আটজন আসামিকে আইনের আওতায় আনা হলো।

পূর্বের সংবাদ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদীর দায়রিকান্দি এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে নিহত কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই রাতে নিহতের পরিবার মাধবদী থানায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২–৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। এখন পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ, হযরত আলী, মো. গাফফার, আহাম্মদ আলী দেওয়ান, ইমরান দেওয়ান, মো. আইয়ুব এবং সর্বশেষ গ্রেফতার হওয়া ইছাহাক ওরফে ইছা। এজাহারভুক্তদের মধ্যে মাত্র আবু তাহের পলাতক রয়েছে; তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এর আগে রোববার (১ মার্চ) মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরা সহ গ্রেফতার সাতজনকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মেহেদী হাসানের আদালত আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম জানান, রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তৃত জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করার জন্য আদালত রিমান্ড অনুমোদন করেছেন।

নিহত কিশোরীর বাবা একজন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক এবং তারা সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত ও আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।