১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতীয় সংসদের গ্যালারি সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

মার্চের প্রথম তিন দিনে প্রবাসী আয় ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার

চলতি মার্চ মাসের মাত্র প্রথম তিন দিনেই দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে অভাবনীয় বৃদ্ধি দেখা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রবাসীরা ওই সময় বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার — যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এসময় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চে একই প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছরের শুরুটা অনেক বেশি শক্তিশালী। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬০ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর চাহিদা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থান, মজুরি পরিস্থিতি এবং ট্রান্সফার খরচে পরিবর্তনও প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি মাসটিও রেমিট্যান্সের দিক থেকে সফল ছিল; ওই মাসেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার — যা তখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ এক অর্থবছরের রেকর্ড ছিল।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমান প্রবাহ যদি বজায় থাকে তবে চলতি অর্থবছরে আগের সব রেকর্ড ভাঙা সম্ভব। রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত করবে এবং জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও জানিয়েছে এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় নীতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক

মার্চের প্রথম তিন দিনে প্রবাসী আয় ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার

প্রকাশিতঃ ১১:৩৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চলতি মার্চ মাসের মাত্র প্রথম তিন দিনেই দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে অভাবনীয় বৃদ্ধি দেখা গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রবাসীরা ওই সময় বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার — যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এসময় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চে একই প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছরের শুরুটা অনেক বেশি শক্তিশালী। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬০ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর চাহিদা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় এই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থান, মজুরি পরিস্থিতি এবং ট্রান্সফার খরচে পরিবর্তনও প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি মাসটিও রেমিট্যান্সের দিক থেকে সফল ছিল; ওই মাসেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট রেমিট্যান্স ছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার — যা তখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ এক অর্থবছরের রেকর্ড ছিল।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বর্তমান প্রবাহ যদি বজায় থাকে তবে চলতি অর্থবছরে আগের সব রেকর্ড ভাঙা সম্ভব। রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত করবে এবং জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও জানিয়েছে এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় নীতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।