০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

মার্চের প্রথম তিন দিনে দেশে এল ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

চলতি মার্চ মাসের প্রথম তিন দিনেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য उর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ওই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার—গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড় করে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেইন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেটা বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার, তাই এ বছরের শুরুটা তূলনামূলকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী অনুভূত হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রেমিট্যান্স পড়েছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬০ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের মধ্যে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হওয়াই এই দ্রুত বৃদ্ধির মূল কারণ। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুবিধাজনক পদক্ষেপ ও ব্যাংক-টেক কোম্পানিগুলোর সেবা সম্প্রসারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ফেব্রুয়ারিও রেমিট্যান্সের জন্য সফল মাস ছিল; ওই মাসেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স অর্জন করে, যা এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

অর্থনীতিবিদদের আশা, বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী ধারা যদি অব্যাহত থাকে তবে চলতি অর্থবছরে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে রেমিট্যান্স আয় নতুন উচ্চতায় উঠবে। রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা ছাড়াও সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই ইতিবাচক প্রবাহ ধরে রাখতে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্চের প্রথম তিন দিনে দেশে এল ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

প্রকাশিতঃ ১১:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

চলতি মার্চ মাসের প্রথম তিন দিনেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য उর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ওই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার—গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড় করে প্রায় ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেইন খান বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেটা বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের মার্চের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার, তাই এ বছরের শুরুটা তূলনামূলকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী অনুভূত হচ্ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রেমিট্যান্স পড়েছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬০ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের মধ্যে বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হওয়াই এই দ্রুত বৃদ্ধির মূল কারণ। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুবিধাজনক পদক্ষেপ ও ব্যাংক-টেক কোম্পানিগুলোর সেবা সম্প্রসারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ফেব্রুয়ারিও রেমিট্যান্সের জন্য সফল মাস ছিল; ওই মাসেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স অর্জন করে, যা এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

অর্থনীতিবিদদের আশা, বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী ধারা যদি অব্যাহত থাকে তবে চলতি অর্থবছরে পূর্বের সব রেকর্ড ভেঙে রেমিট্যান্স আয় নতুন উচ্চতায় উঠবে। রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা ছাড়াও সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই ইতিবাচক প্রবাহ ধরে রাখতে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।