০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের অর্ধেকই কর্মহীন

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে গত দশকে ঢুকেছে বিপুলসংখ্যক তরুণ — কিন্তু খুব বড় অংশই চাকরি পাচ্ছে না। বিশেষত নারীদের মধ্যে situation আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় পাঠানো এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এ তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে তিনি একই দিন দেশ ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখটি, ফলে প্রায় ৫৩ লাখ তরুণ কাজ পাচ্ছে না — যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের কর্মসংস্থানের অবস্থা তুলনামূলকভাবে আরও খারাপ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং বহুমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি জানান, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে, বিশেষত যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ বৃদ্ধি করা হবে।

এছাড়া, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষত সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের অনুষঙ্গগত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে যে, তারা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি চাকরিতে রূপান্তরিত হবে। এ লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের অর্ধেকই কর্মহীন

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে গত দশকে ঢুকেছে বিপুলসংখ্যক তরুণ — কিন্তু খুব বড় অংশই চাকরি পাচ্ছে না। বিশেষত নারীদের মধ্যে situation আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় পাঠানো এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এ তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে তিনি একই দিন দেশ ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখটি, ফলে প্রায় ৫৩ লাখ তরুণ কাজ পাচ্ছে না — যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের কর্মসংস্থানের অবস্থা তুলনামূলকভাবে আরও খারাপ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং বহুমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি জানান, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে, বিশেষত যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ বৃদ্ধি করা হবে।

এছাড়া, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষত সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের অনুষঙ্গগত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে যে, তারা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি চাকরিতে রূপান্তরিত হবে। এ লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান থাকবে।