১২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের অর্ধেকই কর্মহীন

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে গত দশকে ঢুকেছে বিপুলসংখ্যক তরুণ — কিন্তু খুব বড় অংশই চাকরি পাচ্ছে না। বিশেষত নারীদের মধ্যে situation আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় পাঠানো এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এ তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে তিনি একই দিন দেশ ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখটি, ফলে প্রায় ৫৩ লাখ তরুণ কাজ পাচ্ছে না — যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের কর্মসংস্থানের অবস্থা তুলনামূলকভাবে আরও খারাপ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং বহুমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি জানান, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে, বিশেষত যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ বৃদ্ধি করা হবে।

এছাড়া, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষত সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের অনুষঙ্গগত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে যে, তারা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি চাকরিতে রূপান্তরিত হবে। এ লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের অর্ধেকই কর্মহীন

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে গত দশকে ঢুকেছে বিপুলসংখ্যক তরুণ — কিন্তু খুব বড় অংশই চাকরি পাচ্ছে না। বিশেষত নারীদের মধ্যে situation আরও কঠিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকায় পাঠানো এক বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এ তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে তিনি একই দিন দেশ ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে দেশের শ্রমবাজারে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখটি, ফলে প্রায় ৫৩ লাখ তরুণ কাজ পাচ্ছে না — যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের কর্মসংস্থানের অবস্থা তুলনামূলকভাবে আরও খারাপ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থানকালে জাট অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং বহুমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি জানান, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে, বিশেষত যুবক ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ বৃদ্ধি করা হবে।

এছাড়া, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষত সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের অনুষঙ্গগত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের গুরুত্ব তিনি তুলে ধরেন।

বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে যে, তারা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি চাকরিতে রূপান্তরিত হবে। এ লক্ষ্য পূরণে অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান থাকবে।