০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ দেড় যুগ পর ফিরে আসছে স্বাধীনতা দিবসে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ ডেপুটি স্পিকারের স্বেচ্ছাসেবীদের মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান ঈদের সফরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় রূপগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈদ ছুটির পর মঙ্গলবার থেকে অফিস, আদালত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতায় পেট্রোলপাম্প বন্ধের আশঙ্কা ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডন যাত্রা করেছেন ঈদে সুন্দরবন: চমকপ্রদ ভ্রমণগন্তব্য হতে যাচ্ছে ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডন গেলেন কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের প্রায় অর্ধেক বেকার

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে গত এক দশকে প্রবেশ করা তরুণদের একটি বড় অংশ এখনো কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে না, যা দেশের অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে অবস্থা আরও কঠিন বলে প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করেছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে তিনি ওই দিনই ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করেছেন। সেই সময়ে নতুনভাবে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৭ লাখ; ফলে বাজারে ঢোকার পর থেকেই বেশিরভাগ তরুণই চাকরিতে যুক্ত হতে পারেননি—প্রকৃতপক্ষে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের অর্ধেকের বেশি কর্মহীন রয়েছে।

জোহানেস জাট ঢাকা অবস্থানকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও সম্ভাব্য সহযোগিতার দিকগুলো নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিশ্বব্যাংক এসব প্রচেষ্টায় সহায়তা জোরদার করবে—বিশেষ করে যুব ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে।

জাট আরো বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও চলমান প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং তরুণদের জন্য প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে কাঠামোগত সংস্কার অবিলম্বে প্রয়োজন। দীর্ঘসময় ধরেই যা ঝুলে আছে—সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বব্যাংক বলে, তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এজন্য তারা অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কাজে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ

বিশ্বব্যাংক সতর্ক: বাংলাদেশের তরুণদের প্রায় অর্ধেক বেকার

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে গত এক দশকে প্রবেশ করা তরুণদের একটি বড় অংশ এখনো কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে না, যা দেশের অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে অবস্থা আরও কঠিন বলে প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করেছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট এই তথ্য তুলে ধরেন। তিন দিনের সফর শেষে তিনি ওই দিনই ঢাকা ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত দশ বছরে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করেছেন। সেই সময়ে নতুনভাবে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৭ লাখ; ফলে বাজারে ঢোকার পর থেকেই বেশিরভাগ তরুণই চাকরিতে যুক্ত হতে পারেননি—প্রকৃতপক্ষে অনেক ক্ষেত্রেই তাদের অর্ধেকের বেশি কর্মহীন রয়েছে।

জোহানেস জাট ঢাকা অবস্থানকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব আলোচনায় সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও সম্ভাব্য সহযোগিতার দিকগুলো নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিশ্বব্যাংক এসব প্রচেষ্টায় সহায়তা জোরদার করবে—বিশেষ করে যুব ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে।

জাট আরো বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও চলমান প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং তরুণদের জন্য প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে কাঠামোগত সংস্কার অবিলম্বে প্রয়োজন। দীর্ঘসময় ধরেই যা ঝুলে আছে—সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্বব্যাংক বলে, তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলা যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল সরাসরি কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। এজন্য তারা অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কাজে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।