০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন দিল

বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুযায়ী এই ক্রয় আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব পাস হয়। দুই কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এ কার্গো দুটি এপ্রিল মাসে দুই দফায় দেশে পৌঁছাবে। পরিকল্পনায় ১০তম কার্গো সরবরাহ হবে ২৪–২৫ এপ্রিলের মধ্যে এবং ১১তম কার্গো আসবে ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে।

সরবরাহকারী হিসেবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৭৭ মার্কিন ডলার এবং প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে, যা এলএনজি এর স্পট দামে প্রভাব ফেলেছে। ফলে বাংলাদেশকে স্পট মার্কেট থেকে আগের তুলনায় বেশি দামে গ্যাস কেনায় বাধ্য হতে হচ্ছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ একই কমিটি তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দিয়েছিল; সেখানে একটি কার্গোর দর ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১.৫৮ ডলার এবং বাকি দুই কার্গোর মূল্য ছিল ২০.৭৬ ডলার। তারও আগে, ওই বৈঠকের থেকে এক সপ্তাহ আগে দুই কার্গো কেনার আরও একটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল; সেখানে একটির দাম ছিল ২৮.২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ২৩.০৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ।

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে কেবল আবহাওয়াগত বা রাজনৈতিক কারণে উত্তেজিত বাজারে সাময়িক সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে ঘরের খুচরা ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি না পড়ে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন দিল

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুযায়ী এই ক্রয় আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব পাস হয়। দুই কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এ কার্গো দুটি এপ্রিল মাসে দুই দফায় দেশে পৌঁছাবে। পরিকল্পনায় ১০তম কার্গো সরবরাহ হবে ২৪–২৫ এপ্রিলের মধ্যে এবং ১১তম কার্গো আসবে ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে।

সরবরাহকারী হিসেবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯.৭৭ মার্কিন ডলার এবং প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে, যা এলএনজি এর স্পট দামে প্রভাব ফেলেছে। ফলে বাংলাদেশকে স্পট মার্কেট থেকে আগের তুলনায় বেশি দামে গ্যাস কেনায় বাধ্য হতে হচ্ছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ একই কমিটি তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দিয়েছিল; সেখানে একটি কার্গোর দর ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১.৫৮ ডলার এবং বাকি দুই কার্গোর মূল্য ছিল ২০.৭৬ ডলার। তারও আগে, ওই বৈঠকের থেকে এক সপ্তাহ আগে দুই কার্গো কেনার আরও একটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল; সেখানে একটির দাম ছিল ২৮.২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ২৩.০৮ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ।

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে কেবল আবহাওয়াগত বা রাজনৈতিক কারণে উত্তেজিত বাজারে সাময়িক সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে ঘরের খুচরা ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি না পড়ে।