০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: ভিসা থাকলেও প্রবেশ নিশ্চিত নয় র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ ডব্লিউটিও সংস্কারে মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সতর্কতার আহ্বান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন সময়সূচি — সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক প্রধানমন্ত্রী সোমবার ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রামে তিন জাহাজে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি আসছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না

হরমুজ প্রণালি অবরোধে বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রমের জবাবে ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক পরিসরে সঙ্কটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে এবং অঞ্চলটিতে চলাচলরত জাহাজগুলিকে নিয়ন্ত্রণমূলক শর্ত আরোপ করেছে—ফল হিসেবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্রতর হয়েছে এবং বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছেন।

হরমুজ প্রণালির ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম: সমুদ্রপথে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সেখান দিয়েই বহন করা হয়। সংঘাত শুরুর আগ পর্যন্ত এই করিডরটি উন্মুক্ত ছিল; এখন তা আন্তর্জাতিক গুরুত্বের প্রধান আলোচ্যবিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংকীর্ণ এই প্রণালির দুই পাশে বর্তমানে প্রায় দুই হাজারটি জাহাজ অপেক্ষা করছে। ইরানের সংসদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজ থেকে টোল আদায়ের বিষয়ে আইন পাসের উদ্যোগ নিয়েছে—পার্লামেন্টের সিভিল অ্যাফেয়ার্স কমিটি একটি খসড়া আইন তৈরি করেছে এবং শিগগিরই ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির আইন বিভাগ তা চূড়ান্ত করবে বলে জানানো হয়েছে।

ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যয় ও কন্ঠস্বর বিবেচনায় এই ফি নেয়া হচ্ছে। একজন কর্মকর্তা বলেন, এটি ‘‘স্বাভাবিক বিষয়’’—অন্যান্য ট্রানজিট করিডরে যেমন শুল্ক দেওয়া হয়, তেমনি হরমুজ করিডরেও ফি যুক্ত হওয়া সমর্থনযোগ্য। একই সঙ্গে সামুদ্রিক নজরদারি সংস্থা লয়েডস লিস্ট জানিয়েছে, আইন চূড়ান্ত হওয়ার আগেই গত দুই সপ্তাহে আইআরজিসি কার্যত একটি টোল ব্যবস্থা চালু করেছে।

ইরানের সংসদ সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু জাহাজে সর্বোচ্চ ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় দুই মিলিয়ন ডলার) পর্যন্ত ফি নেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি জাহাজ মালিক ও রুট নির্ধারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মেরিটাইম গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড বলছে, অনেক জাহাজ দীর্ঘ বিকল্প পথ পছন্দ না করে অপেক্ষা করাই নিরাপদ মনে করছে।

প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব দ্রুত বাজারে পরিলক্ষিত হলো—বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশো ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের তুলনায় প্রায় চল্লিশ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে এশিয়ার কয়েকটি দেশে জ্বালানি রেশনিং, শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়া এবং সাপ্লাই চেইনে অনিশ্চয়তার মতো বাস্তব প্রভাব দেখা দিয়েছে।

আইআরজিসি যে নিয়মে জাহাজ চলাচল অনুমোদন করছে, তার ধারা প্রায় একই রকম: জাহাজ মালিকদের প্রথমে আইআরজিসি-সংযুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—আইএমও নম্বর, মালামাল, ক্রু সদস্যদের নাম, গন্তব্য ইত্যাদি—জমা দিতে হয়। যাচাই-বাছাই শেষে আইআরজিসি একটি বিশেষ কোড ও নির্দিষ্ট রুট সরবরাহ করে, যে কোড রেডিওতে যাচাইয়ের পর আইআরজিসি নৌবাহিনী জাহাজকে নিরাপত্তা দিয়ে কনভয়েরূপে এগিয়ে নেয়; অনুমতি না থাকলেই প্রবেশ নিষিদ্ধ। গত দুই সপ্তাহে ২৬টি জাহাজ এই অনুমোদিত রুট ব্যবহার করেছে।

সংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্যও উদ্বেগজনক: ১৫ মার্চ থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে মাত্র ১৬টি জাহাজ স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (AIS) চালু রেখে প্রণালি অতিক্রম করেছে; একই সময়ে আরও চারটি কার্গো জাহাজ পার পেয়েছে। তাছাড়া, চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, মিশর ও দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু জাহাজ শর্তসাপেক্ষে প্রণালি অতিক্রম করেছে—কিছু ক্ষেত্রে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে টোল পরিশোধের খবর পাওয়া গেছে, যদিও নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি; ভারত দাবি করেছে তাদের জাহাজ কোনো ফি দেয়নি।

আইনগত পক্ষপ্রকাশ নিয়ে বিতর্ক তীব্র: জাতিসংঘের সমুদ্র আইনের বিধান অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের অধিকার সুরক্ষিত এবং সাধারণত তা স্থগিত করা যায় না। তবে ইরান বলছে, তারা ওই আইনে স্বীকৃতি দেয়নি এবং তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়—এই দাবির ফলে আইনি জটিলতা ও কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, প্রণালিটির স্বল্পপ্রস্থ ও ইরান-ওমানের জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির প্রধান সুলতান আল-জাবের এই সিদ্ধান্তকে ‘‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’’ আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন, প্রণালি জিম্মি করলে এর প্রভাব পড়ে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের মূল্যসহ প্রতিটি দেশের জীবনযাত্রার ওপর।

বর্তমান পরিস্থিতি কেবল অঞ্চলীয় নিরাপত্তার জন্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশগুলো কূটনীতিক পদক্ষেপ, বৈশ্বিক সমন্বয় ও বিকল্প রুট ও উৎস সন্ধানে তৎপর—তারই ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে সংকট কতটা শিথিল হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

হরমুজ প্রণালি অবরোধে বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রমের জবাবে ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক পরিসরে সঙ্কটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে এবং অঞ্চলটিতে চলাচলরত জাহাজগুলিকে নিয়ন্ত্রণমূলক শর্ত আরোপ করেছে—ফল হিসেবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্রতর হয়েছে এবং বিশেষজ্ঞরা বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছেন।

হরমুজ প্রণালির ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম: সমুদ্রপথে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সেখান দিয়েই বহন করা হয়। সংঘাত শুরুর আগ পর্যন্ত এই করিডরটি উন্মুক্ত ছিল; এখন তা আন্তর্জাতিক গুরুত্বের প্রধান আলোচ্যবিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংকীর্ণ এই প্রণালির দুই পাশে বর্তমানে প্রায় দুই হাজারটি জাহাজ অপেক্ষা করছে। ইরানের সংসদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজ থেকে টোল আদায়ের বিষয়ে আইন পাসের উদ্যোগ নিয়েছে—পার্লামেন্টের সিভিল অ্যাফেয়ার্স কমিটি একটি খসড়া আইন তৈরি করেছে এবং শিগগিরই ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির আইন বিভাগ তা চূড়ান্ত করবে বলে জানানো হয়েছে।

ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যয় ও কন্ঠস্বর বিবেচনায় এই ফি নেয়া হচ্ছে। একজন কর্মকর্তা বলেন, এটি ‘‘স্বাভাবিক বিষয়’’—অন্যান্য ট্রানজিট করিডরে যেমন শুল্ক দেওয়া হয়, তেমনি হরমুজ করিডরেও ফি যুক্ত হওয়া সমর্থনযোগ্য। একই সঙ্গে সামুদ্রিক নজরদারি সংস্থা লয়েডস লিস্ট জানিয়েছে, আইন চূড়ান্ত হওয়ার আগেই গত দুই সপ্তাহে আইআরজিসি কার্যত একটি টোল ব্যবস্থা চালু করেছে।

ইরানের সংসদ সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু জাহাজে সর্বোচ্চ ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় দুই মিলিয়ন ডলার) পর্যন্ত ফি নেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি জাহাজ মালিক ও রুট নির্ধারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। মেরিটাইম গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড বলছে, অনেক জাহাজ দীর্ঘ বিকল্প পথ পছন্দ না করে অপেক্ষা করাই নিরাপদ মনে করছে।

প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব দ্রুত বাজারে পরিলক্ষিত হলো—বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশো ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের তুলনায় প্রায় চল্লিশ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে এশিয়ার কয়েকটি দেশে জ্বালানি রেশনিং, শিল্প উৎপাদন কমে যাওয়া এবং সাপ্লাই চেইনে অনিশ্চয়তার মতো বাস্তব প্রভাব দেখা দিয়েছে।

আইআরজিসি যে নিয়মে জাহাজ চলাচল অনুমোদন করছে, তার ধারা প্রায় একই রকম: জাহাজ মালিকদের প্রথমে আইআরজিসি-সংযুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—আইএমও নম্বর, মালামাল, ক্রু সদস্যদের নাম, গন্তব্য ইত্যাদি—জমা দিতে হয়। যাচাই-বাছাই শেষে আইআরজিসি একটি বিশেষ কোড ও নির্দিষ্ট রুট সরবরাহ করে, যে কোড রেডিওতে যাচাইয়ের পর আইআরজিসি নৌবাহিনী জাহাজকে নিরাপত্তা দিয়ে কনভয়েরূপে এগিয়ে নেয়; অনুমতি না থাকলেই প্রবেশ নিষিদ্ধ। গত দুই সপ্তাহে ২৬টি জাহাজ এই অনুমোদিত রুট ব্যবহার করেছে।

সংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্যও উদ্বেগজনক: ১৫ মার্চ থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে মাত্র ১৬টি জাহাজ স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (AIS) চালু রেখে প্রণালি অতিক্রম করেছে; একই সময়ে আরও চারটি কার্গো জাহাজ পার পেয়েছে। তাছাড়া, চীন, ভারত, মালয়েশিয়া, মিশর ও দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু জাহাজ শর্তসাপেক্ষে প্রণালি অতিক্রম করেছে—কিছু ক্ষেত্রে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে টোল পরিশোধের খবর পাওয়া গেছে, যদিও নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি; ভারত দাবি করেছে তাদের জাহাজ কোনো ফি দেয়নি।

আইনগত পক্ষপ্রকাশ নিয়ে বিতর্ক তীব্র: জাতিসংঘের সমুদ্র আইনের বিধান অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের অধিকার সুরক্ষিত এবং সাধারণত তা স্থগিত করা যায় না। তবে ইরান বলছে, তারা ওই আইনে স্বীকৃতি দেয়নি এবং তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়—এই দাবির ফলে আইনি জটিলতা ও কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, প্রণালিটির স্বল্পপ্রস্থ ও ইরান-ওমানের জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির প্রধান সুলতান আল-জাবের এই সিদ্ধান্তকে ‘‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’’ আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন, প্রণালি জিম্মি করলে এর প্রভাব পড়ে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের মূল্যসহ প্রতিটি দেশের জীবনযাত্রার ওপর।

বর্তমান পরিস্থিতি কেবল অঞ্চলীয় নিরাপত্তার জন্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশগুলো কূটনীতিক পদক্ষেপ, বৈশ্বিক সমন্বয় ও বিকল্প রুট ও উৎস সন্ধানে তৎপর—তারই ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে সংকট কতটা শিথিল হবে।