০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

রপ্তানিমুখী শিল্পে বেতন-ভাতার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ ঋণ সুবিধা

বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের শ্রমিকদের বেতন ও ভাতা নির্বিঘ্নে পরিশোধ নিশ্চিত করতে বিশেষ ঋণ সুবিধা চালু করেছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও শর্তাবলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য একটি সার্কুলারের মাধ্যমে আজ জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সচল রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের তিন মাস পর্যন্ত পারিশ্রমিক সমপরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে নিতে পারবে। এই ঋণে বাজারভিত্তিক সুদ কার্যকর হবে এবং পরিশোধের জন্য প্রথম তিন মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট এক বছর সময় দেওয়া হবে। ঋণটির অর্থ সরাসরি মালিকপক্ষের মাধ্যমে না পাঠিয়ে ব্যাংকগুলো সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের ব্যাংকিং অব형—ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট—এ পাঠাবে, যাতে তহবিল সরাসরি কর্মীর কাছে পৌঁছায়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই ঋণ মূলত উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রাখা, রপ্তানির নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ বজায় রাখা এবং আসন্ন ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে কর্মীদের মধ্যে বেতন-ভাতা নিয়ে সৃষ্টি হতে পারে এমন অসন্তোষ প্রশমনে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতের প্রতিনিধিদলের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিশেষ তহবিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সার্কুলারে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ক্রয়াআদেশে স্বল্পতা ও তরলতা সংকটের ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রদান ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

ঋণের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের মোট উৎপাদনের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ বিদেশে রপ্তানি করে এবং বিগত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিতভবে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করেছে, সেগুলোই এই সুবিধার সুবিধাভোগী হিসেবে বিবেচিত হবে। আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন—যেমন বিজিএমইএ বা বিকেএমইএ—এর প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত নিয়মিত সুদ ব্যতীত কোনও অতিরিক্ত ফি বা চার্জ এই ঋণের ওপর আরোপ করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের সুবিধার্থে এই ঋণ দ্রুত মঞ্জুর করতে বলা হয়েছে, যাতে উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল থাকে এবং শ্রমিক-নেতৃত্বাধীন সহিংসতা বা বিক্ষোভ এড়ানো যায়। সার্কুলারের মাধ্যমে পাঠানো বিস্তারিত নির্দেশনা ও যোগ্যতার শর্তাবলী ব্যাংকগুলোকে কার্যক্রম শুরু করার কাগজপত্র এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশ দেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

রপ্তানিমুখী শিল্পে বেতন-ভাতার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ ঋণ সুবিধা

প্রকাশিতঃ ০৮:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের শ্রমিকদের বেতন ও ভাতা নির্বিঘ্নে পরিশোধ নিশ্চিত করতে বিশেষ ঋণ সুবিধা চালু করেছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও শর্তাবলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য একটি সার্কুলারের মাধ্যমে আজ জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সচল রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের তিন মাস পর্যন্ত পারিশ্রমিক সমপরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে নিতে পারবে। এই ঋণে বাজারভিত্তিক সুদ কার্যকর হবে এবং পরিশোধের জন্য প্রথম তিন মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট এক বছর সময় দেওয়া হবে। ঋণটির অর্থ সরাসরি মালিকপক্ষের মাধ্যমে না পাঠিয়ে ব্যাংকগুলো সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের ব্যাংকিং অব형—ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট—এ পাঠাবে, যাতে তহবিল সরাসরি কর্মীর কাছে পৌঁছায়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই ঋণ মূলত উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রাখা, রপ্তানির নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ বজায় রাখা এবং আসন্ন ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে কর্মীদের মধ্যে বেতন-ভাতা নিয়ে সৃষ্টি হতে পারে এমন অসন্তোষ প্রশমনে নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতের প্রতিনিধিদলের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিশেষ তহবিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সার্কুলারে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ক্রয়াআদেশে স্বল্পতা ও তরলতা সংকটের ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রদান ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

ঋণের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণে কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের মোট উৎপাদনের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ বিদেশে রপ্তানি করে এবং বিগত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিতভবে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করেছে, সেগুলোই এই সুবিধার সুবিধাভোগী হিসেবে বিবেচিত হবে। আবেদন করার সময় সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন—যেমন বিজিএমইএ বা বিকেএমইএ—এর প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত নিয়মিত সুদ ব্যতীত কোনও অতিরিক্ত ফি বা চার্জ এই ঋণের ওপর আরোপ করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের সুবিধার্থে এই ঋণ দ্রুত মঞ্জুর করতে বলা হয়েছে, যাতে উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল থাকে এবং শ্রমিক-নেতৃত্বাধীন সহিংসতা বা বিক্ষোভ এড়ানো যায়। সার্কুলারের মাধ্যমে পাঠানো বিস্তারিত নির্দেশনা ও যোগ্যতার শর্তাবলী ব্যাংকগুলোকে কার্যক্রম শুরু করার কাগজপত্র এবং প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশ দেবে।