ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন রোববার (বেলা ৩টায়) শুরু হয়েছে। চলমান অধিবেশনেই গুরুত্বপূর্ণ বিধান ও অধ্যাদেশ নিয়ে তর্ক উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই অধিবেশনে প্রধানত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন’ ও ‘গণভোট অধ্যাদেশ–২০২৫’ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক গড়াতে পারে। বিরোধী দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াত এবং তাদের জোট, এসব বিষয়ে সংসদে আলোচনা চান এবং ইতিমধ্যেই একাধিক নোটিশ জমা দেওয়া হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।
আজকের কার্যতালিকায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীরকার্যালয়, নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়সহ বিভিন্ন অফিসের প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে। জরুরি জনস্বার্থ সংক্রান্ত (বিধি‑৭১) নোটিশগুলোও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
পটভূমি: ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল ১২ মার্চ। প্রথম দিনের কার্যক্রমে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে ১১জন বিএনপি, ৩জন জামায়াতের সদস্য রয়েছেন।
অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে অগ্রগতি হয়েছে — ১৩৩টির মধ্যে ১১৩টি অধ্যাদেশে সরকারি ও বিরোধী দল একমত হয়েছে। বাকি ২০টি অধ্যাদেশ নিয়ে কমিটির তৃতীয় বৈঠক আজ রাতেই অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে পাস না হলে তা শিথিল হয়ে যাবে; সেই সময়সীমা মাথায় রেখে ওই অধ্যাদেশগুলো আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে পাস হওয়া প্রয়োজন।
রাজনীতিবিদরা ও বিশ্লেষকরা বলছেন, সামনে কয়েক দিন সংসদে উঠতি ও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে তীব্রdebate দেখা যেতে পারে, ফলে অধিবেশন কেমন পরিবেশে এগোবে তা নির্মিত রাজনৈতিক আলোচনার ওপর নির্ভর করবে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























