০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সরকার ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: ভিসা থাকলেও প্রবেশ নিশ্চিত নয় র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন সময়সূচি — সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা ডব্লিউটিও সংস্কারে মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সতর্কতার আহ্বান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক প্রধানমন্ত্রী সোমবার ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু হায়দরাবাদকে উড়িয়ে আইপিএল শুরু করল

মহারণের উদ্বোধনী ম্যাচে নিজেদের ক্ষমতার পরিচয় দিলেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ম্যাঞ্চেস্টারে ভর করে টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত শুরু করল বিরাট কোহলি নেতৃত্বাধীন দলটি। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত অপারেশন এবং কোহলি-পাডিক্কালের ঝড়ো ব্যাটিংতে মাত্র ১৫.৪ ওভারেই জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে সানরাইজার্স হারায় ৯ উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ২০১ রান। অধিনায়ক ইশান কিশান ছিলেন দলের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান — মাত্র ৩৮ বলেই ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ৮০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। হাইনরিখ ক্লাসেন যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন ৩১ রানে। শেষে অনিকেত বার্মা ১৮ বলে ৪৩ রানে দলের স্কোর দু’-শোর্ধ্বে পৌঁছে দেন।

বেঙ্গালুরুর বোলিংয়েও নজর কাড়েন জ্যাকব ডাফি; অভিষেক ম্যাচে তিনি মাত্র ২২ রান খরচায় ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে হায়দরাবাদের রানের গতি থামান। রোমারিও শেফার্ড পেয়েছিলেন ৩ উইকেট করে ৫৪ রান খরচায়, আর ভুবনেশ্বর কুমার, অভিনন্দন সিং ও সুযশ শর্মা একএকটি করে উইকেট নেন।

২০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় ছিল বেঙ্গালুরু। ওপেনার ফিল সল্ট কেবল ৯ রানে ফিরে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে বিরাট কোহলি আর দেবদত্ত পাডিক্কাল গড়ে তোলেন ১০১ রানের এক মর্মস্পর্শী জুটি। পাওয়ার প্লেইতেই এই জুটির সৌজন্যে স্কোরবোর্ড দ্রুত এগোতে থাকে এবং জয়ের বড় ভিত্তি তৈরি হয়।

পাডিক্কাল ঝড়ের মতো খেলেন — ২৬ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬১ রান করে দলের জন্য বিশাল গতি তৈরি করেন। কোহলি নিরাপদ হাতে রেখে দলের জয়ের দিকটি পুরোপুরি নিশ্চিত করেন; ৩৮ বলে ৫ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৯ নট করে অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন। মাঝখানে অধিনায়ক রজত পতিদার ১২ বলের ৩১ রানের ক্যামিও ইনিংসও জয়ের পথ আরও মসৃণ করেছিল।

হারার চেষ্টা করেও হায়দরাবাদের বোলিংই বড় বাধা হয়ে উঠলেন না — ডেভিড পেইন পেয়েছিলেন ৩৫ রান দিয়ে ২ উইকেট, বাকিরা যথেষ্ট চাপ তৈরি করতে পারেননি। বেঙ্গালুরু মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ও ২৬ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয়।

অবশেষে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন জ্যাকব ডাফি — অভিষেকে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেওয়ার মাধ্যমে তিনি দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন বলে বিচারকরা নির্ধারণ করেন। ছন্দে ফিরে থাকা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা এ জয় দিয়েই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে এবং চিন্নাস্বামীর ভক্তদের সামনে শক্তিশালী ইঙ্গিত পাঠিয়ে দিল — এই মরসুমেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বী দলের জন্য ঠিকই সমস্যা গড়ে তুলবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু হায়দরাবাদকে উড়িয়ে আইপিএল শুরু করল

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

মহারণের উদ্বোধনী ম্যাচে নিজেদের ক্ষমতার পরিচয় দিলেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ম্যাঞ্চেস্টারে ভর করে টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত শুরু করল বিরাট কোহলি নেতৃত্বাধীন দলটি। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত অপারেশন এবং কোহলি-পাডিক্কালের ঝড়ো ব্যাটিংতে মাত্র ১৫.৪ ওভারেই জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু।

টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে সানরাইজার্স হারায় ৯ উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ২০১ রান। অধিনায়ক ইশান কিশান ছিলেন দলের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান — মাত্র ৩৮ বলেই ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ৮০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। হাইনরিখ ক্লাসেন যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন ৩১ রানে। শেষে অনিকেত বার্মা ১৮ বলে ৪৩ রানে দলের স্কোর দু’-শোর্ধ্বে পৌঁছে দেন।

বেঙ্গালুরুর বোলিংয়েও নজর কাড়েন জ্যাকব ডাফি; অভিষেক ম্যাচে তিনি মাত্র ২২ রান খরচায় ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে হায়দরাবাদের রানের গতি থামান। রোমারিও শেফার্ড পেয়েছিলেন ৩ উইকেট করে ৫৪ রান খরচায়, আর ভুবনেশ্বর কুমার, অভিনন্দন সিং ও সুযশ শর্মা একএকটি করে উইকেট নেন।

২০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় ছিল বেঙ্গালুরু। ওপেনার ফিল সল্ট কেবল ৯ রানে ফিরে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে বিরাট কোহলি আর দেবদত্ত পাডিক্কাল গড়ে তোলেন ১০১ রানের এক মর্মস্পর্শী জুটি। পাওয়ার প্লেইতেই এই জুটির সৌজন্যে স্কোরবোর্ড দ্রুত এগোতে থাকে এবং জয়ের বড় ভিত্তি তৈরি হয়।

পাডিক্কাল ঝড়ের মতো খেলেন — ২৬ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬১ রান করে দলের জন্য বিশাল গতি তৈরি করেন। কোহলি নিরাপদ হাতে রেখে দলের জয়ের দিকটি পুরোপুরি নিশ্চিত করেন; ৩৮ বলে ৫ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৯ নট করে অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন। মাঝখানে অধিনায়ক রজত পতিদার ১২ বলের ৩১ রানের ক্যামিও ইনিংসও জয়ের পথ আরও মসৃণ করেছিল।

হারার চেষ্টা করেও হায়দরাবাদের বোলিংই বড় বাধা হয়ে উঠলেন না — ডেভিড পেইন পেয়েছিলেন ৩৫ রান দিয়ে ২ উইকেট, বাকিরা যথেষ্ট চাপ তৈরি করতে পারেননি। বেঙ্গালুরু মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ও ২৬ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয়।

অবশেষে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন জ্যাকব ডাফি — অভিষেকে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেওয়ার মাধ্যমে তিনি দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন বলে বিচারকরা নির্ধারণ করেন। ছন্দে ফিরে থাকা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা এ জয় দিয়েই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে এবং চিন্নাস্বামীর ভক্তদের সামনে শক্তিশালী ইঙ্গিত পাঠিয়ে দিল — এই মরসুমেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বী দলের জন্য ঠিকই সমস্যা গড়ে তুলবে।