০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এক মাসে: পেন্টাগন জানিয়েছে ১৩ নিহত, ৩৬৫ আহত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত এক মাসে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন শুক্রবার তাদের সর্বশেষ ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে; সেখানে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সৈন্য নিহত এবং মোট ৩৬৫ জন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাও এই তথ্যের স্বপক্ষে প্রতিবেদন করেছে।

পেন্টাগনের দেওয়া বিস্তারিত সংখ্যাগোষ্ঠী অনুযায়ী আহত ৩৬৫ জনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ সেনা বাহিনীর। তালিকায় রয়েছে মার্কিন স্থলবাহিনীর ২৪৭ জন, নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমান বাহিনীর ৩৬ জন এবং মেরিন কোরের ১৯ জন সদস্য। আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও ব্যাপক সামরিক উপস্থিতির পরও এত উচ্চমাত্রার হতাহতের খবর পেন্টাগনের কৌশল ও পরিচালনায় নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ হলো—গতকালই ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তারা দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তবে পেন্টাগন এখনও এ ঘটনায় পাইলট বা ক্রু সদস্যদের নিহত বা আহত হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি। বিমান বিধ্বংসে যারা লিপ্ত ছিলেন তাদের উদ্ধারপ্রক্রিয়া বা তাদের বর্তমান অবস্থাও রিপোর্টে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি, ফলে বাস্তব ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে সামরিক বিশ্লেষকরা মূল্যায়ন করছেন।

সংঘাতটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এখন দ্বিতীয় মাসে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। ইরানের মূল ভূখণ্ডে আঘাত ও তাতে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মেলবন্ধন—বিশেষত ড্রোন হামলা—যুক্তরাষ্ট্রি বাহিনীর ওপর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি তৈরি করছে।

ওয়াশিংটনেও বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছেন, তখন মাঠপর্যায় থেকে আসা এই হতাহতের খবর প্রশাসনের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আগামী দিনগুলোতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পেন্টাগন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে আসা এ তথ্যের আরও যাচাই-বাছাই চলমান; পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে, তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষাই আছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এক মাসে: পেন্টাগন জানিয়েছে ১৩ নিহত, ৩৬৫ আহত

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত এক মাসে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন শুক্রবার তাদের সর্বশেষ ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে; সেখানে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সৈন্য নিহত এবং মোট ৩৬৫ জন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাও এই তথ্যের স্বপক্ষে প্রতিবেদন করেছে।

পেন্টাগনের দেওয়া বিস্তারিত সংখ্যাগোষ্ঠী অনুযায়ী আহত ৩৬৫ জনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ সেনা বাহিনীর। তালিকায় রয়েছে মার্কিন স্থলবাহিনীর ২৪৭ জন, নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমান বাহিনীর ৩৬ জন এবং মেরিন কোরের ১৯ জন সদস্য। আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও ব্যাপক সামরিক উপস্থিতির পরও এত উচ্চমাত্রার হতাহতের খবর পেন্টাগনের কৌশল ও পরিচালনায় নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ হলো—গতকালই ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তারা দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তবে পেন্টাগন এখনও এ ঘটনায় পাইলট বা ক্রু সদস্যদের নিহত বা আহত হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি। বিমান বিধ্বংসে যারা লিপ্ত ছিলেন তাদের উদ্ধারপ্রক্রিয়া বা তাদের বর্তমান অবস্থাও রিপোর্টে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি, ফলে বাস্তব ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে সামরিক বিশ্লেষকরা মূল্যায়ন করছেন।

সংঘাতটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এখন দ্বিতীয় মাসে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। ইরানের মূল ভূখণ্ডে আঘাত ও তাতে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মেলবন্ধন—বিশেষত ড্রোন হামলা—যুক্তরাষ্ট্রি বাহিনীর ওপর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি তৈরি করছে।

ওয়াশিংটনেও বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছেন, তখন মাঠপর্যায় থেকে আসা এই হতাহতের খবর প্রশাসনের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আগামী দিনগুলোতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পেন্টাগন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে আসা এ তথ্যের আরও যাচাই-বাছাই চলমান; পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে, তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষাই আছে।