১০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানি বিতরণে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপের পাইলট চালু ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সাক্ষাৎ আনোয়ার ইব্রাহিম তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের বৈঠক তথ্যমন্ত্রী: ভূ-রাজনীতি, জ্বালানি ও পরিবেশের জটিল যোগসূত্র তরুণদের অনুধাবন করতে হবে দুদকে আবেদন: আসিফ নজরুল ও মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান দাবি কলমে ছদ্মবেশী ‘পেনগান’—রাসেলকে হত্যাচেষ্টায় আইনশৃঙ্খলার উদ্বেগ হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী সংসদে পাস সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) ২০২৬ — আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই রাখল বিল

এলপিজি অপারেটরদের সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করার অনুরোধ

এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (LOAB) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক দেশীয় পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করেছেন, যারা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের একটি পত্রে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাহক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বোতলজাতকারী এলপিজি কোম্পানিগুলো সরকারের নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার সরবরাহ করলেও পরে সরবরাহ চেইনে অনিয়ম হচ্ছে।

আমিরুল হক বলেন, ইতোমধ্যেই জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের এই অনিয়ম প্রতিরোধে অভিযান চালিয়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময় জনদুর্ভোগ কমানো LOAB-এর নৈতিক দায়িত্ব।

অতএব এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার আবেদন করছেন তিনি। এছাড়া অনিয়ম বা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির যে কোনো ঘটনা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছিল; প্রতি কেজিতে বেড়ে হয়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ১,৭২৮ টাকা। বিএআরসি জানায়, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা; এই ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

LOAB প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সরকারি মূল্য বাস্তবায়নে সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা জরুরি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সাক্ষাৎ

এলপিজি অপারেটরদের সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করার অনুরোধ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (LOAB) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক দেশীয় পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করার অনুরোধ জানিয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করেছেন, যারা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানিয়েছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের একটি পত্রে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাহক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বোতলজাতকারী এলপিজি কোম্পানিগুলো সরকারের নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার সরবরাহ করলেও পরে সরবরাহ চেইনে অনিয়ম হচ্ছে।

আমিরুল হক বলেন, ইতোমধ্যেই জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের এই অনিয়ম প্রতিরোধে অভিযান চালিয়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময় জনদুর্ভোগ কমানো LOAB-এর নৈতিক দায়িত্ব।

অতএব এলপিজি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার আবেদন করছেন তিনি। এছাড়া অনিয়ম বা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির যে কোনো ঘটনা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছিল; প্রতি কেজিতে বেড়ে হয়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ১,৭২৮ টাকা। বিএআরসি জানায়, এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা; এই ভিত্তিতেই বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

LOAB প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সরকারি মূল্য বাস্তবায়নে সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা জরুরি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।