০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্রুড তেল সংকটে বন্ধ হলো একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেলশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের তীব্র ঘাটতির কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেলশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি প্লিসি (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ক্রুড তেল আমদানি টানা দুই মাস বন্ধ থাকায় রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলের দিকে শোধন কার্যক্রম থেমে যায়। সূত্রের আরও বলা মতে, শেষ ব্যাচের পরিশোধন কাজ শেষ হতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত সময় লেগেছিল। এই তথ্য দুই কর্মকর্তার মাধ্যমে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।

তবে জ্বালানি বিভাগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। বিভাগ বলেছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় এই বন্ধের কারণে তাত্ক্ষণিক কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

ইআরএলের অবস্থান অনুযায়ী, কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন তেল এবং চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক ব্যবহার করা হয়েছিল। এই মজুত ব্যবহার করেই কয়েকদিন প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

শোধনাগারের স্বাভাবিক সক্ষমতা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল, কিন্তু সংকট শুরু হওয়ার পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে গাড়িতে দৈনিক প্রক্রিয়াকরণ প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। ইতোমধ্যে ৪ মার্চের হিসেব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুদ ২ হাজার টনের নিচে নেমে গিয়েছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

এখনো পর্যন্ত সরকার বা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো কবে এবং কীভাবে ক্রুড আমদানি পুনরায় শুরু হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেনি। কর্তৃপক্ষরা বলছেন, মজুদ পর্যবেক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উপর নজর রাখা হচ্ছে, যাতে সাধারণ ভোক্তা এবং শিল্প ক্ষেত্রে তেল সরবরাহে বিরূপ প্রভাব না পড়ে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ক্রুড তেল সংকটে বন্ধ হলো একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেলশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের তীব্র ঘাটতির কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেলশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি প্লিসি (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ক্রুড তেল আমদানি টানা দুই মাস বন্ধ থাকায় রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলের দিকে শোধন কার্যক্রম থেমে যায়। সূত্রের আরও বলা মতে, শেষ ব্যাচের পরিশোধন কাজ শেষ হতে সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত সময় লেগেছিল। এই তথ্য দুই কর্মকর্তার মাধ্যমে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।

তবে জ্বালানি বিভাগ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। বিভাগ বলেছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় এই বন্ধের কারণে তাত্ক্ষণিক কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

ইআরএলের অবস্থান অনুযায়ী, কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন তেল এবং চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক ব্যবহার করা হয়েছিল। এই মজুত ব্যবহার করেই কয়েকদিন প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

শোধনাগারের স্বাভাবিক সক্ষমতা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল, কিন্তু সংকট শুরু হওয়ার পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে গাড়িতে দৈনিক প্রক্রিয়াকরণ প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। ইতোমধ্যে ৪ মার্চের হিসেব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুদ ২ হাজার টনের নিচে নেমে গিয়েছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

এখনো পর্যন্ত সরকার বা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো কবে এবং কীভাবে ক্রুড আমদানি পুনরায় শুরু হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেনি। কর্তৃপক্ষরা বলছেন, মজুদ পর্যবেক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উপর নজর রাখা হচ্ছে, যাতে সাধারণ ভোক্তা এবং শিল্প ক্ষেত্রে তেল সরবরাহে বিরূপ প্রভাব না পড়ে।