০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কোহলির ধারালো ইনিংসে বেঙ্গালুরুদের দাপুটে জয়

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ২৩তম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অত্যাধুনিক খেলায় লখনৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বড় জয় তুলে নেয়। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স ও বিরাট কোহলির সংযত ব্যাটিং দলের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়; এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে, অন্যদিকে লখনৌ এখন সাত নম্বরে নেমে গেছে এবং রিশভ পন্তের চোট তাদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ম্যাচে টস হারিয়ে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়—অধিনায়ক রিশভ পন্ত ইনিংসের শুরুতেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তিনি ফিরে আসেন, তবে শারীরিক সমস্যা তাদের পূর্ণ শক্তিতে খেলতে দেয়নি। এর পরেও মিডল অর্ডারে মিচেল মার্শ (৪০) ও আয়ুশ বাদোনি (৩৮) কিছুটা লড়াই দেখান এবং শেষ দিকে মুকুল চৌধরীর কার্যকরী ৩৯ রানের ইনিংসের কল্যাণে লখনৌ নির্ধারিত ওভারে ১৪৬ রানে থামে।

বোলিংতে বেঙ্গালুরুদের মধ্যে উজ্জ্বল ছিলেন রাসিখ সালাম, তিনি একাই লখনৌর চারটি উইকেট নেন এবং প্রতিপক্ষের রান সংগ্রহ থামিয়ে দেন। পাশাপাশি অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমার তিনটি উইকেট নিয়ে লখনৌকে কম রানে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন। বোলিং ইউনিটের এই নিয়ন্ত্রণই পরে রান টার্গেট তাড়া করতে বেঙ্গালুরুর কাজকে সহজ করে।

চেজে নামার পর বেঙ্গালুরু দ্রুতই একটি উইকেট হারালেও দিশাহীন হয়নি। দলের প্রধান স্তম্ভ বিরাট কোহলি ধীরে কিন্তু দৃঢ়ভাবে ইনিংস গড়েন, শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ৪৯ রানে বিদায় নেন—এক রানের জন্য ফিফটি হাতছাড়া। কোহলির বিদায়ের পরে রজত পতিদার ও জিতেশ শর্মা দ্রুত গতিতে রান নিয়ে চাপ টেনে নিয়ে যান। শেষের দিকে টিম ডেভিড ও রোমারিও শেফার্ড অপরাজিত থেকে দলকে নিশ্চিত জয় এনে দেন; মাত্র ১৫.১ ওভারে বেঙ্গালুরু ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে পৌঁছে ম্যাচ শেষ করে।

এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু টিমের সামঞ্জস্যপূর্ণ পারফরম্যান্স সমর্থকদের প্রত্যাশা বাড়িয়েছে এবং দল টেবিলের শীর্ষে নিজেদের একক আধিপত্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে লখনৌ শিবিরে পন্তের চোট ও স্থির ফলাফল তাদের জন্য সতর্কবার্তা; পল টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচে তারা যদি প্লে-অফের দৌড়ে থাকতে চায়, দ্রুত সমাধান ও পুনরায় সংহত হওয়া জরুরি। সব মিলিয়ে বেঙ্গালুরুর এই দৃঢ় জয় এবারের আইপিএলকে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কোহলির ধারালো ইনিংসে বেঙ্গালুরুদের দাপুটে জয়

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ২৩তম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অত্যাধুনিক খেলায় লখনৌ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বড় জয় তুলে নেয়। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স ও বিরাট কোহলির সংযত ব্যাটিং দলের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়; এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে, অন্যদিকে লখনৌ এখন সাত নম্বরে নেমে গেছে এবং রিশভ পন্তের চোট তাদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ম্যাচে টস হারিয়ে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়—অধিনায়ক রিশভ পন্ত ইনিংসের শুরুতেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তিনি ফিরে আসেন, তবে শারীরিক সমস্যা তাদের পূর্ণ শক্তিতে খেলতে দেয়নি। এর পরেও মিডল অর্ডারে মিচেল মার্শ (৪০) ও আয়ুশ বাদোনি (৩৮) কিছুটা লড়াই দেখান এবং শেষ দিকে মুকুল চৌধরীর কার্যকরী ৩৯ রানের ইনিংসের কল্যাণে লখনৌ নির্ধারিত ওভারে ১৪৬ রানে থামে।

বোলিংতে বেঙ্গালুরুদের মধ্যে উজ্জ্বল ছিলেন রাসিখ সালাম, তিনি একাই লখনৌর চারটি উইকেট নেন এবং প্রতিপক্ষের রান সংগ্রহ থামিয়ে দেন। পাশাপাশি অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমার তিনটি উইকেট নিয়ে লখনৌকে কম রানে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন। বোলিং ইউনিটের এই নিয়ন্ত্রণই পরে রান টার্গেট তাড়া করতে বেঙ্গালুরুর কাজকে সহজ করে।

চেজে নামার পর বেঙ্গালুরু দ্রুতই একটি উইকেট হারালেও দিশাহীন হয়নি। দলের প্রধান স্তম্ভ বিরাট কোহলি ধীরে কিন্তু দৃঢ়ভাবে ইনিংস গড়েন, শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ৪৯ রানে বিদায় নেন—এক রানের জন্য ফিফটি হাতছাড়া। কোহলির বিদায়ের পরে রজত পতিদার ও জিতেশ শর্মা দ্রুত গতিতে রান নিয়ে চাপ টেনে নিয়ে যান। শেষের দিকে টিম ডেভিড ও রোমারিও শেফার্ড অপরাজিত থেকে দলকে নিশ্চিত জয় এনে দেন; মাত্র ১৫.১ ওভারে বেঙ্গালুরু ৫ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে পৌঁছে ম্যাচ শেষ করে।

এই জয়ের ফলে বেঙ্গালুরু টিমের সামঞ্জস্যপূর্ণ পারফরম্যান্স সমর্থকদের প্রত্যাশা বাড়িয়েছে এবং দল টেবিলের শীর্ষে নিজেদের একক আধিপত্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে লখনৌ শিবিরে পন্তের চোট ও স্থির ফলাফল তাদের জন্য সতর্কবার্তা; পল টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচে তারা যদি প্লে-অফের দৌড়ে থাকতে চায়, দ্রুত সমাধান ও পুনরায় সংহত হওয়া জরুরি। সব মিলিয়ে বেঙ্গালুরুর এই দৃঢ় জয় এবারের আইপিএলকে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে।