০৫:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

ভারতের সহকারী হাইকমিশনার সিএসই পরিদর্শন, সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রাঙ্গণে গত রোববার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন এক সৌজন্য সফর করেন এবং বাংলাদেশের শেয়ারবাজার উন্নয়নে ভারতের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতা ভাগাভাগির আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

সভায় সিএসই’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদারসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী ও নাজনীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় সিএসই’র পরিচালনা দল বাজারকে বহুমুখী করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ‘ডেরিভেটিভস মার্কেট’ ও ‘মাল্টি অ্যাসেট ক্লাস এক্সচেঞ্জ’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং এই কাজের জন্য ভারতের সফল অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর অনুরোধ জানান। তারা ভারতীয় বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বাজারে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, ‘ভারতের পুঁজিবাজারে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আমরা তা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে যেতে উৎসাহী। যৌথ কারিগরি সেশন ও জ্ঞান-হস্তান্তর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশেষত কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে ভারতের দক্ষতা কাজে লাগালে বাংলাদেশের আর্থিক বাজারের গভীরতা ও প্রতিযোগিতা বাড়বে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া (এমসিএএক্স) এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (এসইবিআই)-র সফল মডেল সিএসই’র জন্য ব্যবহারযোগ্য এক ব্লুপ্রিন্ট হতে পারে।’ ডা. রাজীব বলেন, ভারত বাংলাদেশকে কেবল প্রতিবেশী মনে করে না, বরং একটি বাস্তব উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে দেখে এবং দুইপক্ষের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও নিবিড় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সিএসই’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের মূল্যবান মতামতের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুই দেশের আর্থিক খাতের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই আলোচনা ও সম্বন্ধ আরও শক্তিশালী হলে পুঁজিবাজারের বহুমুখীকরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও 참석িরা মনে করেন।

ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

ভারতের সহকারী হাইকমিশনার সিএসই পরিদর্শন, সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রাঙ্গণে গত রোববার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন এক সৌজন্য সফর করেন এবং বাংলাদেশের শেয়ারবাজার উন্নয়নে ভারতের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি দক্ষতা ভাগাভাগির আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

সভায় সিএসই’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদারসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী ও নাজনীন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় সিএসই’র পরিচালনা দল বাজারকে বহুমুখী করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ‘ডেরিভেটিভস মার্কেট’ ও ‘মাল্টি অ্যাসেট ক্লাস এক্সচেঞ্জ’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং এই কাজের জন্য ভারতের সফল অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর অনুরোধ জানান। তারা ভারতীয় বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারদের বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বাজারে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, ‘ভারতের পুঁজিবাজারে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং আমরা তা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে যেতে উৎসাহী। যৌথ কারিগরি সেশন ও জ্ঞান-হস্তান্তর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশেষত কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে ভারতের দক্ষতা কাজে লাগালে বাংলাদেশের আর্থিক বাজারের গভীরতা ও প্রতিযোগিতা বাড়বে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া (এমসিএএক্স) এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (এসইবিআই)-র সফল মডেল সিএসই’র জন্য ব্যবহারযোগ্য এক ব্লুপ্রিন্ট হতে পারে।’ ডা. রাজীব বলেন, ভারত বাংলাদেশকে কেবল প্রতিবেশী মনে করে না, বরং একটি বাস্তব উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে দেখে এবং দুইপক্ষের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও নিবিড় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সিএসই’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের মূল্যবান মতামতের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দুই দেশের আর্থিক খাতের মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই আলোচনা ও সম্বন্ধ আরও শক্তিশালী হলে পুঁজিবাজারের বহুমুখীকরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও 참석িরা মনে করেন।

ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।