০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করতে চান না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বজায় রাখা, শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নসহ বহুবিধ বিষয় উঠে আসে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করবে না এবং পূর্বের সরকারের অনুকরণে কোনো নীতির পথে হাঁটবে না। তিনি জনান, যদি কোনো সাংবাদিক বিনা বা অনৈতিক কারণে জেলে থাকে, তাদের জামিনে সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংকোচ এবং দৈনন্দিক পরিচালনা খরচ বৃদ্ধিসহ নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা বেতন স্কেল ও ওয়েজবোর্ড সম্পর্কিত দাবি ও অন্যান্য সহায়তার অনুরোধও করেন।

বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে তাদের কথা শুনেছেন এবং সরকার উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন মালিক ও সম্পাদকরা। বৈঠকের পর নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে পৃথকভাবে বসবেন—যা মালিক ও সম্পাদকদের সাথে সরকারের দূরত্ব কমাবে বলে তারা মনে করেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদে আরও উল্লেখ আছে যে অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মালিক ও সম্পাদকদের বৈঠকের গতি পরিবর্তিত হয়েছে; শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৬–১৭ বছরে একবার এবং পূর্ববর্তী ইউনূস সরকারের সময় ১৮ মাসে একবার এমন বৈঠক হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করতে চান না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বজায় রাখা, শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নসহ বহুবিধ বিষয় উঠে আসে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করবে না এবং পূর্বের সরকারের অনুকরণে কোনো নীতির পথে হাঁটবে না। তিনি জনান, যদি কোনো সাংবাদিক বিনা বা অনৈতিক কারণে জেলে থাকে, তাদের জামিনে সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংকোচ এবং দৈনন্দিক পরিচালনা খরচ বৃদ্ধিসহ নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা বেতন স্কেল ও ওয়েজবোর্ড সম্পর্কিত দাবি ও অন্যান্য সহায়তার অনুরোধও করেন।

বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে তাদের কথা শুনেছেন এবং সরকার উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন মালিক ও সম্পাদকরা। বৈঠকের পর নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে পৃথকভাবে বসবেন—যা মালিক ও সম্পাদকদের সাথে সরকারের দূরত্ব কমাবে বলে তারা মনে করেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদে আরও উল্লেখ আছে যে অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মালিক ও সম্পাদকদের বৈঠকের গতি পরিবর্তিত হয়েছে; শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৬–১৭ বছরে একবার এবং পূর্ববর্তী ইউনূস সরকারের সময় ১৮ মাসে একবার এমন বৈঠক হয়েছে।