০৩:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করতে চান না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বজায় রাখা, শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নসহ বহুবিধ বিষয় উঠে আসে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করবে না এবং পূর্বের সরকারের অনুকরণে কোনো নীতির পথে হাঁটবে না। তিনি জনান, যদি কোনো সাংবাদিক বিনা বা অনৈতিক কারণে জেলে থাকে, তাদের জামিনে সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংকোচ এবং দৈনন্দিক পরিচালনা খরচ বৃদ্ধিসহ নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা বেতন স্কেল ও ওয়েজবোর্ড সম্পর্কিত দাবি ও অন্যান্য সহায়তার অনুরোধও করেন।

বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে তাদের কথা শুনেছেন এবং সরকার উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন মালিক ও সম্পাদকরা। বৈঠকের পর নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে পৃথকভাবে বসবেন—যা মালিক ও সম্পাদকদের সাথে সরকারের দূরত্ব কমাবে বলে তারা মনে করেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদে আরও উল্লেখ আছে যে অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মালিক ও সম্পাদকদের বৈঠকের গতি পরিবর্তিত হয়েছে; শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৬–১৭ বছরে একবার এবং পূর্ববর্তী ইউনূস সরকারের সময় ১৮ মাসে একবার এমন বৈঠক হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করতে চান না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বজায় রাখা, শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নসহ বহুবিধ বিষয় উঠে আসে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করবে না এবং পূর্বের সরকারের অনুকরণে কোনো নীতির পথে হাঁটবে না। তিনি জনান, যদি কোনো সাংবাদিক বিনা বা অনৈতিক কারণে জেলে থাকে, তাদের জামিনে সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংকোচ এবং দৈনন্দিক পরিচালনা খরচ বৃদ্ধিসহ নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা বেতন স্কেল ও ওয়েজবোর্ড সম্পর্কিত দাবি ও অন্যান্য সহায়তার অনুরোধও করেন।

বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে তাদের কথা শুনেছেন এবং সরকার উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন মালিক ও সম্পাদকরা। বৈঠকের পর নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে পৃথকভাবে বসবেন—যা মালিক ও সম্পাদকদের সাথে সরকারের দূরত্ব কমাবে বলে তারা মনে করেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদে আরও উল্লেখ আছে যে অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মালিক ও সম্পাদকদের বৈঠকের গতি পরিবর্তিত হয়েছে; শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৬–১৭ বছরে একবার এবং পূর্ববর্তী ইউনূস সরকারের সময় ১৮ মাসে একবার এমন বৈঠক হয়েছে।