১০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করতে চান না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বজায় রাখা, শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নসহ বহুবিধ বিষয় উঠে আসে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করবে না এবং পূর্বের সরকারের অনুকরণে কোনো নীতির পথে হাঁটবে না। তিনি জনান, যদি কোনো সাংবাদিক বিনা বা অনৈতিক কারণে জেলে থাকে, তাদের জামিনে সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংকোচ এবং দৈনন্দিক পরিচালনা খরচ বৃদ্ধিসহ নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা বেতন স্কেল ও ওয়েজবোর্ড সম্পর্কিত দাবি ও অন্যান্য সহায়তার অনুরোধও করেন।

বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে তাদের কথা শুনেছেন এবং সরকার উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন মালিক ও সম্পাদকরা। বৈঠকের পর নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে পৃথকভাবে বসবেন—যা মালিক ও সম্পাদকদের সাথে সরকারের দূরত্ব কমাবে বলে তারা মনে করেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদে আরও উল্লেখ আছে যে অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মালিক ও সম্পাদকদের বৈঠকের গতি পরিবর্তিত হয়েছে; শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৬–১৭ বছরে একবার এবং পূর্ববর্তী ইউনূস সরকারের সময় ১৮ মাসে একবার এমন বৈঠক হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৭:২৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করতে চান না জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বজায় রাখা, শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়নসহ বহুবিধ বিষয় উঠে আসে।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করবে না এবং পূর্বের সরকারের অনুকরণে কোনো নীতির পথে হাঁটবে না। তিনি জনান, যদি কোনো সাংবাদিক বিনা বা অনৈতিক কারণে জেলে থাকে, তাদের জামিনে সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া সংবাদপত্রের বকেয়া বিল দ্রুত নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নোয়াব সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিক চাপ, বিজ্ঞাপন সংকোচ এবং দৈনন্দিক পরিচালনা খরচ বৃদ্ধিসহ নানা চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তারা বেতন স্কেল ও ওয়েজবোর্ড সম্পর্কিত দাবি ও অন্যান্য সহায়তার অনুরোধও করেন।

বৈঠকের পর নোয়াব সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে তাদের কথা শুনেছেন এবং সরকার উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে বলে মত প্রকাশ করেন মালিক ও সম্পাদকরা। বৈঠকের পর নোয়াব সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে প্রতি তিন মাসে একবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে পৃথকভাবে বসবেন—যা মালিক ও সম্পাদকদের সাথে সরকারের দূরত্ব কমাবে বলে তারা মনে করেন।

প্রসঙ্গত, সংবাদে আরও উল্লেখ আছে যে অতীতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মালিক ও সম্পাদকদের বৈঠকের গতি পরিবর্তিত হয়েছে; শেখ হাসিনা সরকারের সময় ১৬–১৭ বছরে একবার এবং পূর্ববর্তী ইউনূস সরকারের সময় ১৮ মাসে একবার এমন বৈঠক হয়েছে।