০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাংকার বাংলাদেশে আসছে

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের ট্যাংকার বাংলাদেশ অভিমুখে এগোচ্ছে। চলতি সূত্রে জানা গেছে, জাহাজটি আগামী ৪ বা ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছতে পারে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, ইয়ানবু বন্দর থেকে রওনা হওয়া ওই ট্যাংকার লোহিত সাগর উপকূল ঘেঁষে আসছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে চলেছে। সে কারণেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার আশা করা যাচ্ছে।

এই চালানটি দেশের জ্বালানি সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিকে ঘিরে থাকা অনিশ্চয়তা কিছুটা কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

অপরদিকে ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজ ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে এখনও হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে। ইরানের বিশেষ অনুমতি না পাওয়ায় সেটি বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে বলা হয়েছে, দেশে বছরের দেওয়া জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭২ লাখ টন এবং এর মধ্যে ৯২ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দেশে ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে পরিবহন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি—৬৩ শতাংশের বেশি। কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল খরচ হয়েছে।

জ্বালানির ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি; এর পর আছে ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল, পেট্রল ও অকটেন। বর্তমান চালানগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশীয় জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরতে পারে, তবে নিরাপদ সাগরপথ ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় বজায় থাকা জরুরি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাংকার বাংলাদেশে আসছে

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের ট্যাংকার বাংলাদেশ অভিমুখে এগোচ্ছে। চলতি সূত্রে জানা গেছে, জাহাজটি আগামী ৪ বা ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছতে পারে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানিয়েছেন, ইয়ানবু বন্দর থেকে রওনা হওয়া ওই ট্যাংকার লোহিত সাগর উপকূল ঘেঁষে আসছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে চলেছে। সে কারণেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার আশা করা যাচ্ছে।

এই চালানটি দেশের জ্বালানি সরবরাহকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিকে ঘিরে থাকা অনিশ্চয়তা কিছুটা কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

অপরদিকে ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজ ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে এখনও হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে। ইরানের বিশেষ অনুমতি না পাওয়ায় সেটি বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে বলা হয়েছে, দেশে বছরের দেওয়া জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭২ লাখ টন এবং এর মধ্যে ৯২ শতাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দেশে ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টনের বেশি জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে পরিবহন খাতে ব্যবহার করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি—৬৩ শতাংশের বেশি। কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ, গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল খরচ হয়েছে।

জ্বালানির ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ডিজেলের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি; এর পর আছে ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল, পেট্রল ও অকটেন। বর্তমান চালানগুলো সময়মতো পৌঁছালে দেশীয় জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরতে পারে, তবে নিরাপদ সাগরপথ ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় বজায় থাকা জরুরি।