০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং ঘোষণা দ্বিতীয় তেল শোধনাগার জরুরি: সেনাপ্রধান জাতীয় সংসদের গ্যালারি সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

টিসিবির তেল-ডাল সংগ্রহে সরকার ব্যয় করবে ১৯৬.৯৪ কোটি টাকা

সরকার টিসিবি কার্ডধারী নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য ভর্তুকি মূল্যে তেল ও ডাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন অনুযায়ী ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম তেল এবং ২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহ করা হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকারের কোষাগার থেকে এই বিপুল খাদ্যপণ্য সংগ্রহে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৬ কোটি ৯৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩২ টাকা।

আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি অনুসারে আমেরিকার পাওয়ার হাউস জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি থেকে পাম তেল ক্রয় করা হবে, যার চূড়ান্ত চুক্তি মূল্য ১৮১ কোটি ২৯ লাখ ৬ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঢাকার গুলশানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইজ সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকায় ২ হাজার টন মসুর ডাল সংগ্রহের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, এদিনের নির্ধারিত আলোচ্যসূচির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়নি। এর মধ্যে বাপেক্সের বাস্তবায়নাধীন তিনটি অনুসন্ধান কূপ (শ্রীকাইল ডিপ-১, মোবারকপুর ডিপ-1 ও ফেঞ্চুগঞ্জ সাউথ-১) খনন প্রকল্পের আওতায় দুই কূপ খননের প্রস্তাব বৈঠকে উঠেনি। একইভাবে সিলেট-১২ নম্বর কূপ খনন (তেল কূপ) এবং স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো এলএনজি সংগ্রহ সংক্রান্ত প্রস্তাবও এদিন আলোচনা করা হয়নি।

এছাড়া নেসকো ও বাপবিবোর বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত একাধিক প্যাকেজ এবং সিরাজগঞ্জ ও ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনর্নির্ধারিত লেভেলাইজড ট্যারিফ নির্ধারণের প্রস্তাবগুলোও এদিন টেবিলে ওঠেনি, মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিসিবির মাধ্যমে এই বড় মজুত সংগ্রহ করলে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থিরতায় সাধারণ মানুষের খরচ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে এবং নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে সহজেই ভর্তুকিপ্রাপ্ত পণ্য পৌঁছে দেওয়া যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং ঘোষণা

টিসিবির তেল-ডাল সংগ্রহে সরকার ব্যয় করবে ১৯৬.৯৪ কোটি টাকা

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সরকার টিসিবি কার্ডধারী নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য ভর্তুকি মূল্যে তেল ও ডাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন অনুযায়ী ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম তেল এবং ২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহ করা হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সরকারের কোষাগার থেকে এই বিপুল খাদ্যপণ্য সংগ্রহে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯৬ কোটি ৯৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩২ টাকা।

আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি অনুসারে আমেরিকার পাওয়ার হাউস জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি থেকে পাম তেল ক্রয় করা হবে, যার চূড়ান্ত চুক্তি মূল্য ১৮১ কোটি ২৯ লাখ ৬ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় ঢাকার গুলশানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইজ সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকায় ২ হাজার টন মসুর ডাল সংগ্রহের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, এদিনের নির্ধারিত আলোচ্যসূচির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়নি। এর মধ্যে বাপেক্সের বাস্তবায়নাধীন তিনটি অনুসন্ধান কূপ (শ্রীকাইল ডিপ-১, মোবারকপুর ডিপ-1 ও ফেঞ্চুগঞ্জ সাউথ-১) খনন প্রকল্পের আওতায় দুই কূপ খননের প্রস্তাব বৈঠকে উঠেনি। একইভাবে সিলেট-১২ নম্বর কূপ খনন (তেল কূপ) এবং স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো এলএনজি সংগ্রহ সংক্রান্ত প্রস্তাবও এদিন আলোচনা করা হয়নি।

এছাড়া নেসকো ও বাপবিবোর বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত একাধিক প্যাকেজ এবং সিরাজগঞ্জ ও ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পুনর্নির্ধারিত লেভেলাইজড ট্যারিফ নির্ধারণের প্রস্তাবগুলোও এদিন টেবিলে ওঠেনি, মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিসিবির মাধ্যমে এই বড় মজুত সংগ্রহ করলে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থিরতায় সাধারণ মানুষের খরচ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে এবং নিম্নআয়ের পরিবারের মধ্যে সহজেই ভর্তুকিপ্রাপ্ত পণ্য পৌঁছে দেওয়া যাবে।