০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাইপলাইনে তৃতীয় চালানে ভারতের ৭ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছালো

ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে চতুর্থ মাসে তৃতীয় চালানে আরও ৭০৩০ মেট্রিক টন নয়, সাত হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন টার্মিনালে এই জ্বালানি পৌঁছানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন্স) কাজী রবিউল আলম জানান, গত ২০ এপ্রিল নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাম্পিং শুরু হওয়ার প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর এই চালান গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়। তিনি জানান, পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ শুরু হওয়ার পর থেকে জ্বালানি পরিবহনে সময় ও জটিলতা অনেক কমে এসেছে।

চলতি মাসের পূর্ববর্তী দুই চালান—১১ ও ১৯ এপ্রিল—মিলে মোট ১৩ হাজার টন ডিজেল এসেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার টন। কর্তৃপক্ষ জানায়, এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানে ভারত থেকে ২৫ হাজার টন জ্বালানি আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সারাবছর জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই ভূ-গর্ভস্থ পাইপলাইনটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে। ১৩১.৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগে রেল ওয়াগনে জ্বালানি পরিবহনের দীর্ঘ সময় ও জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে।

সরকার এবং তেল কোম্পানিগুলোর চাহিদা মেটাতে গত ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই আমদানি কার্যক্রমের চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ বছর ভারত থেকে এই সুবিধা চালু থাকবে। বিপিসির তথ্যমতে, পাইপলাইন ব্যবহার করে বছরে ১০ লাখ টন পর্যন্ত তেল আমদানি করা সম্ভব, যা কৃষি ও পরিবহন খাতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানিগুলো পার্বতীপুর ডিপো থেকে এই ডিজেল সংগ্রহ করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, পাইপলাইনের স্থায়ীত্ব ও ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে অঞ্চলজুড়ে জ্বালানি সংকট আরও খতিয়ে দেখা লাগবে না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাইপলাইনে তৃতীয় চালানে ভারতের ৭ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছালো

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে চতুর্থ মাসে তৃতীয় চালানে আরও ৭০৩০ মেট্রিক টন নয়, সাত হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন টার্মিনালে এই জ্বালানি পৌঁছানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন্স) কাজী রবিউল আলম জানান, গত ২০ এপ্রিল নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাম্পিং শুরু হওয়ার প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর এই চালান গন্তব্যস্থলে পৌঁছায়। তিনি জানান, পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ শুরু হওয়ার পর থেকে জ্বালানি পরিবহনে সময় ও জটিলতা অনেক কমে এসেছে।

চলতি মাসের পূর্ববর্তী দুই চালান—১১ ও ১৯ এপ্রিল—মিলে মোট ১৩ হাজার টন ডিজেল এসেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার টন। কর্তৃপক্ষ জানায়, এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানে ভারত থেকে ২৫ হাজার টন জ্বালানি আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সারাবছর জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এই ভূ-গর্ভস্থ পাইপলাইনটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে। ১৩১.৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগে রেল ওয়াগনে জ্বালানি পরিবহনের দীর্ঘ সময় ও জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে।

সরকার এবং তেল কোম্পানিগুলোর চাহিদা মেটাতে গত ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই আমদানি কার্যক্রমের চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ বছর ভারত থেকে এই সুবিধা চালু থাকবে। বিপিসির তথ্যমতে, পাইপলাইন ব্যবহার করে বছরে ১০ লাখ টন পর্যন্ত তেল আমদানি করা সম্ভব, যা কৃষি ও পরিবহন খাতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানিগুলো পার্বতীপুর ডিপো থেকে এই ডিজেল সংগ্রহ করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, পাইপলাইনের স্থায়ীত্ব ও ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে অঞ্চলজুড়ে জ্বালানি সংকট আরও খতিয়ে দেখা লাগবে না।