১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢাকা-সহ দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএমপি: শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে মে দিবস: নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে তারেক রহমান ষড়যন্ত্রকারীদের মোক্ষম জবাব দেওয়ার আহ্বান হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৫ হাজারেরও বেশি নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গান, স্লোগান ও মিছিলে মে দিবস পালিত—শ্রমজীবীরা ন্যায্য অধিকার দাবি করলেন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী জালিয়াতি ও সিন্ডিকেটে আটকে পড়েছে সৌরবিদ্যুৎ খাত শফিকুল আলমের ভাই আবু নছরকে বিজ্ঞান জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে বদলি

মামুনুল ইসলাম অবসরের ঘোষণা, ১ মে বিদায়ি ম্যাচের আহ্বান

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম সব ধরনের পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দীর্ঘ কেরিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন এবং খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ মুহূর্তে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

৩৭ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার তার বিদায়ি ম্যাচের দিন হিসেবে ১ মে (শুক্রবার) নির্ধারণ করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফোর্টিস এফসির হয়ে খেলছেন তিনি এবং বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির বিপক্ষে সেটিই হবে তার ক্যারিয়ারের শেষ আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলা দেখাতে সকল ভক্ত ও সমর্থকদের তিনি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতীয় দলে মামুনুলের অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো—দেশের হয়ে তিনি মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এবং ৩টি গোল করেছেন। জাতীয় দলে দীর্ঘ সময় অধিনায়কত্ব পালন করে তিনি দলের মধ্যমাঠে ছিলেন প্রধান চালিকাশক্তি ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে তিনি দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত তৈরি করেছেন।

যদিও তাঁর ইচ্ছা ছিল জাতীয় দলের জার্সিই পরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিদায় জানানো, দলীয় ও ব্যক্তিগত কিছু বাস্তবতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাই ঘরোয়া লিগের এই ম্যাচকে তিনি আনুষ্ঠানিক বিদায়ি মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ঘরোয়া ক্লাব ফুটবলেও মামুনুলের কেরিয়ার সমৃদ্ধ ছিল—ঢাকা আবাহনী, মোহামেডান স্পোর্টিং, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও শেখ জামাল খেলাঘরে তার দাপট ছিল স্বাভাবিক। বিশেষ করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আটলেটিকো ডি কলকাতায় খেলা তাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও সমাদৃত করেছে।

বিদায়লগ্নে মামুনুল জানিয়েছেন, পুরো ফুটবল যাত্রায় সমর্থকদের ভালোবাসা ও দোয়া ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। ১ মে মাঠে ভক্তদের উপস্থিতিকে তিনি নিজের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন। মাঠ থেকে সরে গেলেও বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে তিনি একজন নির্ভীক অধিনায়ক ও দক্ষ মিডফিল্ডার হিসেবে দীর্ঘদিন স্মরণীয় থাকবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা-সহ দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মামুনুল ইসলাম অবসরের ঘোষণা, ১ মে বিদায়ি ম্যাচের আহ্বান

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম সব ধরনের পেশাদার ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দীর্ঘ কেরিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন এবং খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ মুহূর্তে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

৩৭ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার তার বিদায়ি ম্যাচের দিন হিসেবে ১ মে (শুক্রবার) নির্ধারণ করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ফোর্টিস এফসির হয়ে খেলছেন তিনি এবং বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির বিপক্ষে সেটিই হবে তার ক্যারিয়ারের শেষ আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলা দেখাতে সকল ভক্ত ও সমর্থকদের তিনি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতীয় দলে মামুনুলের অবদান ছিল চোখে পড়ার মতো—দেশের হয়ে তিনি মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এবং ৩টি গোল করেছেন। জাতীয় দলে দীর্ঘ সময় অধিনায়কত্ব পালন করে তিনি দলের মধ্যমাঠে ছিলেন প্রধান চালিকাশক্তি ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে তিনি দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত তৈরি করেছেন।

যদিও তাঁর ইচ্ছা ছিল জাতীয় দলের জার্সিই পরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিদায় জানানো, দলীয় ও ব্যক্তিগত কিছু বাস্তবতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাই ঘরোয়া লিগের এই ম্যাচকে তিনি আনুষ্ঠানিক বিদায়ি মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ঘরোয়া ক্লাব ফুটবলেও মামুনুলের কেরিয়ার সমৃদ্ধ ছিল—ঢাকা আবাহনী, মোহামেডান স্পোর্টিং, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও শেখ জামাল খেলাঘরে তার দাপট ছিল স্বাভাবিক। বিশেষ করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের আটলেটিকো ডি কলকাতায় খেলা তাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও সমাদৃত করেছে।

বিদায়লগ্নে মামুনুল জানিয়েছেন, পুরো ফুটবল যাত্রায় সমর্থকদের ভালোবাসা ও দোয়া ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। ১ মে মাঠে ভক্তদের উপস্থিতিকে তিনি নিজের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনা করছেন। মাঠ থেকে সরে গেলেও বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে তিনি একজন নির্ভীক অধিনায়ক ও দক্ষ মিডফিল্ডার হিসেবে দীর্ঘদিন স্মরণীয় থাকবেন।