১২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শুধু রাজনীতি নয়, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ’ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন দিল ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি শিল্পমন্ত্রী: বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল দ্রুত পুনঃচালুর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচারে কোনো আপস থাকবে না — চিফ প্রসিকিউটর চার অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া—নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত কোটি কর্মসংস্থান গড়তে বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ তথ্যমন্ত্রী স্বপন: তথ্যপ্রযুক্তির যুগে রাষ্ট্র আর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না টিকাদান সত্ত্বেও হামজনিত শিশুমৃত্যু থামছে না

পল মেসকাল–জেসি বাকলি ফের একসঙ্গে বড়পর্দায়

গত বছরের ‘হ্যামনেট’ দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন পল মেসকাল ও জেসি বাকলি। উইলিয়াম শেকসপিয়ারের পুত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এবং সেই শোকের আভাস থেকে রচিত ঐ চলচ্চিত্রে তাদের অভিনয় ও রসায়ন দর্শককে মুগ্ধ করেছিল। ক্লোয়ে ঝাও পরিচালিত সেই সিনেমা ৯৮তম অস্কারে আটটি বিভাগে মনোনীত হয়েছিল এবং জেসি বাকলি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন। সেই সাফল্যের ঢেউ এখনও কাটেনি, তবু তারা আবার বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে।

নতুন ছবির শিরোনাম ‘হোল্ড অন টু ইয়োর অ্যাঞ্জেলেস’। শেকসপিয়ারীয় ওই ট্র্যাজেডির করুণ আবহ থেকে বেরিয়ে এবার মেসকাল ও বাকলি সুর ও ম্যাজিক্যাল রিয়ালিজমের এক রহস্যময় জগতে পা বাড়াচ্ছেন। পরিচালনা করছেন বেন জেইটলিন — যিনি ‘বিস্টস অব দ্য সাউদার্ন ওয়াইল্ড’ নির্মাণের জন্য অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এই ছবির জন্য প্রায় ১৭ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছিলেন জেইটলিন, এবং এখন সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

দক্ষিণ লুইসিয়ানার ক্ষয়িষ্ণু, বিভ্রান্ত জলভূমিকে কাহিনীর পটভূমি করা হয়েছে। মেসকাল দেখা যাবে এক ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধীর চরিত্রে, আর জেসি বাকলি অভিনয় করবেন পথভ্রষ্ট আত্মাদের রক্ষকের ভূমিকায়। গল্পে উঠে আসে—যখন তাদের চারপাশের পরিচিত জলাভূমি পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে, সেই সংকটের মাঝেই এই দুই বিচিত্র চরিত্রের মধ্যে অদ্ভুত ও গভীর এক প্রেম জাগে। পরিচালক নিজেই এটিকে ‘সবচেয়ে অসম্ভব প্রেমের গল্প’ বলে অভিহিত করেছেন।

শুটিং আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ওই নির্দিষ্ট দক্ষিণ লুইসিয়ানা অঞ্চলে শুরু হবে। ভূগোল ও পরিবেশগত কারণে ওই এলাকাটির মানুষ ও প্রকৃতি বর্তমানে বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছে। জেইটলিন বলেছেন, ছবির মাধ্যমে তিনি হারিয়ে যেতে থাকা লোকজ সংস্কৃতি এবং মাটির মানুষের সংগ্রামকে যত্নসহকারে তুলে ধরতে চান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানবিক বিপর্যয়ই এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য হবে বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিভাজনগুলোকে প্রতীকীভাবে আলোচ্য করবে—এমনটাই ধারণা নির্মাতার এবং বিশ্লেষকদের। জেইটলিন আশা করেন, বর্তমান যুগে একে অপরের জন্য দয়া ও সহমর্মিতা ফিরে আনতেই পারবেন তিনি। পল মেসকাল ও জেসি বাকলির অভিনয় দক্ষতা যখন জেইটলিনের শিল্পীস্বরূপ নির্মাণশৈলীর সঙ্গে মিশবে, তখন সিনেমাটি দর্শকদের কাছে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

‘আমার পুলিশ, আমার দেশ’ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পল মেসকাল–জেসি বাকলি ফের একসঙ্গে বড়পর্দায়

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

গত বছরের ‘হ্যামনেট’ দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন পল মেসকাল ও জেসি বাকলি। উইলিয়াম শেকসপিয়ারের পুত্রের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এবং সেই শোকের আভাস থেকে রচিত ঐ চলচ্চিত্রে তাদের অভিনয় ও রসায়ন দর্শককে মুগ্ধ করেছিল। ক্লোয়ে ঝাও পরিচালিত সেই সিনেমা ৯৮তম অস্কারে আটটি বিভাগে মনোনীত হয়েছিল এবং জেসি বাকলি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছিলেন। সেই সাফল্যের ঢেউ এখনও কাটেনি, তবু তারা আবার বড়পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে।

নতুন ছবির শিরোনাম ‘হোল্ড অন টু ইয়োর অ্যাঞ্জেলেস’। শেকসপিয়ারীয় ওই ট্র্যাজেডির করুণ আবহ থেকে বেরিয়ে এবার মেসকাল ও বাকলি সুর ও ম্যাজিক্যাল রিয়ালিজমের এক রহস্যময় জগতে পা বাড়াচ্ছেন। পরিচালনা করছেন বেন জেইটলিন — যিনি ‘বিস্টস অব দ্য সাউদার্ন ওয়াইল্ড’ নির্মাণের জন্য অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এই ছবির জন্য প্রায় ১৭ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছিলেন জেইটলিন, এবং এখন সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

দক্ষিণ লুইসিয়ানার ক্ষয়িষ্ণু, বিভ্রান্ত জলভূমিকে কাহিনীর পটভূমি করা হয়েছে। মেসকাল দেখা যাবে এক ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধীর চরিত্রে, আর জেসি বাকলি অভিনয় করবেন পথভ্রষ্ট আত্মাদের রক্ষকের ভূমিকায়। গল্পে উঠে আসে—যখন তাদের চারপাশের পরিচিত জলাভূমি পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে, সেই সংকটের মাঝেই এই দুই বিচিত্র চরিত্রের মধ্যে অদ্ভুত ও গভীর এক প্রেম জাগে। পরিচালক নিজেই এটিকে ‘সবচেয়ে অসম্ভব প্রেমের গল্প’ বলে অভিহিত করেছেন।

শুটিং আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ওই নির্দিষ্ট দক্ষিণ লুইসিয়ানা অঞ্চলে শুরু হবে। ভূগোল ও পরিবেশগত কারণে ওই এলাকাটির মানুষ ও প্রকৃতি বর্তমানে বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছে। জেইটলিন বলেছেন, ছবির মাধ্যমে তিনি হারিয়ে যেতে থাকা লোকজ সংস্কৃতি এবং মাটির মানুষের সংগ্রামকে যত্নসহকারে তুলে ধরতে চান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানবিক বিপর্যয়ই এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য হবে বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিভাজনগুলোকে প্রতীকীভাবে আলোচ্য করবে—এমনটাই ধারণা নির্মাতার এবং বিশ্লেষকদের। জেইটলিন আশা করেন, বর্তমান যুগে একে অপরের জন্য দয়া ও সহমর্মিতা ফিরে আনতেই পারবেন তিনি। পল মেসকাল ও জেসি বাকলির অভিনয় দক্ষতা যখন জেইটলিনের শিল্পীস্বরূপ নির্মাণশৈলীর সঙ্গে মিশবে, তখন সিনেমাটি দর্শকদের কাছে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।