১১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লা লিগা জেতা বার্সেলোনার কোষাগারে প্রায় ৮৬৫–১৩০০ কোটি টাকা

ক্যাম্প ন্যু জুড়ে উৎসব, উচ্ছ্বাস আর উদযাপনের রঙ। রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে লা লিগার শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা, যা ক্লাবটির ২৯তম লিগ ট্রফি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ায় সমর্থকদের আনন্দ তুঙ্গে; পুরো শহর উদযাপনে মেতে উঠেছে।

গতরাতে অনুষ্ঠিত এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনা ২-০ গোল ব্যবধানে জিতেই শিরোপা নিশ্চিত করে। ম্যাচের শুরু থেকেই কাতালানদের দাপট চোখে পড়ে — মাত্র ৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করে তারা এগিয়ে যায় এবং ১৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে আঘাত নিশ্চিত করে। এই লিড শেষ পর্যন্ত টেকেনি, ফলে লিগের শীর্ষস্থানে উঠে শিরোপা উদযাপনের মঞ্চ তৈরি করে বার্সা।

ট্রফির সঙ্গে সঙ্গে আসছে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও। মূলত লা লিগার টেলিভিশন স্বত্ব ও বন্টনের নীতির কারণে চ্যাম্পিয়ন ক্লাবকে লিগের উপার্জিত অর্থের বড় অংশ পুরস্কার হিসেবে দেয়া হয়। এর আগে ২০২২-২৩ মৌসুমে শিরোপা জয়ের সময় বার্সেলোনা পেয়েছিল প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো; এবার টেলিভিশন অধিকার ও বাজারমূল্যের বৃদ্ধির কারণে ধারণা করা হচ্ছে বার্সেলোনা অন্তত ৬ কোটি থেকে ৯ কোটি ইউরো (প্রায় ৮৬৫ কোটি থেকে ১৩০০ কোটি টাকার মধ্যে) লাভ করতে পারে।

ক্লাব সূত্র বলছে, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ মূলত ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার ও নবনির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ওঠা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের মতো আলাদা প্রাইজমানিও ক্লাবের তহবিলে যোগ হবে; তবে লা লিগার প্রাইজমানিই এ বছরের সবচেয়ে বড় এককালিপ্ত অর্থনৈতিক প্রাপ্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শিরোপা জয়ের মুহূর্তে দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের আবেগ আলাদা মাত্রার ছিল—ব্যক্তিগত ও দলগত বাধা-চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এই সাফল্য এনে দেওয়া প্রশংসার দাবি রাখে। সমর্থকদের কাছে এই ২৯তম শিরোপা কেবল একটি ট্রফি নয়; অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্লাবটিকে আবার উপর उठানোর একটি শক্তিশালী সংকেত। মাঠের সাফল্য আর পুরস্কারের এই অর্থ দুই-ই কাতালানদের ভবিষ্যৎ পথে বড় ধরনের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

লা লিগা জেতা বার্সেলোনার কোষাগারে প্রায় ৮৬৫–১৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ক্যাম্প ন্যু জুড়ে উৎসব, উচ্ছ্বাস আর উদযাপনের রঙ। রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে লা লিগার শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা, যা ক্লাবটির ২৯তম লিগ ট্রফি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ায় সমর্থকদের আনন্দ তুঙ্গে; পুরো শহর উদযাপনে মেতে উঠেছে।

গতরাতে অনুষ্ঠিত এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনা ২-০ গোল ব্যবধানে জিতেই শিরোপা নিশ্চিত করে। ম্যাচের শুরু থেকেই কাতালানদের দাপট চোখে পড়ে — মাত্র ৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করে তারা এগিয়ে যায় এবং ১৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে আঘাত নিশ্চিত করে। এই লিড শেষ পর্যন্ত টেকেনি, ফলে লিগের শীর্ষস্থানে উঠে শিরোপা উদযাপনের মঞ্চ তৈরি করে বার্সা।

ট্রফির সঙ্গে সঙ্গে আসছে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও। মূলত লা লিগার টেলিভিশন স্বত্ব ও বন্টনের নীতির কারণে চ্যাম্পিয়ন ক্লাবকে লিগের উপার্জিত অর্থের বড় অংশ পুরস্কার হিসেবে দেয়া হয়। এর আগে ২০২২-২৩ মৌসুমে শিরোপা জয়ের সময় বার্সেলোনা পেয়েছিল প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো; এবার টেলিভিশন অধিকার ও বাজারমূল্যের বৃদ্ধির কারণে ধারণা করা হচ্ছে বার্সেলোনা অন্তত ৬ কোটি থেকে ৯ কোটি ইউরো (প্রায় ৮৬৫ কোটি থেকে ১৩০০ কোটি টাকার মধ্যে) লাভ করতে পারে।

ক্লাব সূত্র বলছে, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ মূলত ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার ও নবনির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ওঠা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের মতো আলাদা প্রাইজমানিও ক্লাবের তহবিলে যোগ হবে; তবে লা লিগার প্রাইজমানিই এ বছরের সবচেয়ে বড় এককালিপ্ত অর্থনৈতিক প্রাপ্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শিরোপা জয়ের মুহূর্তে দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের আবেগ আলাদা মাত্রার ছিল—ব্যক্তিগত ও দলগত বাধা-চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এই সাফল্য এনে দেওয়া প্রশংসার দাবি রাখে। সমর্থকদের কাছে এই ২৯তম শিরোপা কেবল একটি ট্রফি নয়; অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্লাবটিকে আবার উপর उठানোর একটি শক্তিশালী সংকেত। মাঠের সাফল্য আর পুরস্কারের এই অর্থ দুই-ই কাতালানদের ভবিষ্যৎ পথে বড় ধরনের অনুপ্রেরণা যোগাবে।