১২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ভেজাল প্রসাধনী ছড়াচ্ছে বাজারে, ত্বক ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি নাম ও পদ নিশ্চিত করা প্রয়োজন — ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ সম্পর্কে নির্দেশ দিন ধুঁকে চলা কারখানা বাঁচাতে সরকার দেবে প্রণোদনা গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪১৫ গর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ নিষিদ্ধ: হাইকোর্টের পূর্ণ রায় প্রকাশ নারীর ক্ষমতায়ন ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান — ডা. জুবাইদা রহমান গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট নারীর ক্ষমতায়ন এবং কন্যা শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের রিজভী: দিল্লিকে সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে হামে মারা যাওয়া ৩৫২ শিশুর পরিবারকে পরিবারপ্রতি ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

লা লিগা জেতা বার্সেলোনার কোষাগারে প্রায় ৮৬৫–১৩০০ কোটি টাকা

ক্যাম্প ন্যু জুড়ে উৎসব, উচ্ছ্বাস আর উদযাপনের রঙ। রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে লা লিগার শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা, যা ক্লাবটির ২৯তম লিগ ট্রফি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ায় সমর্থকদের আনন্দ তুঙ্গে; পুরো শহর উদযাপনে মেতে উঠেছে।

গতরাতে অনুষ্ঠিত এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনা ২-০ গোল ব্যবধানে জিতেই শিরোপা নিশ্চিত করে। ম্যাচের শুরু থেকেই কাতালানদের দাপট চোখে পড়ে — মাত্র ৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করে তারা এগিয়ে যায় এবং ১৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে আঘাত নিশ্চিত করে। এই লিড শেষ পর্যন্ত টেকেনি, ফলে লিগের শীর্ষস্থানে উঠে শিরোপা উদযাপনের মঞ্চ তৈরি করে বার্সা।

ট্রফির সঙ্গে সঙ্গে আসছে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও। মূলত লা লিগার টেলিভিশন স্বত্ব ও বন্টনের নীতির কারণে চ্যাম্পিয়ন ক্লাবকে লিগের উপার্জিত অর্থের বড় অংশ পুরস্কার হিসেবে দেয়া হয়। এর আগে ২০২২-২৩ মৌসুমে শিরোপা জয়ের সময় বার্সেলোনা পেয়েছিল প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো; এবার টেলিভিশন অধিকার ও বাজারমূল্যের বৃদ্ধির কারণে ধারণা করা হচ্ছে বার্সেলোনা অন্তত ৬ কোটি থেকে ৯ কোটি ইউরো (প্রায় ৮৬৫ কোটি থেকে ১৩০০ কোটি টাকার মধ্যে) লাভ করতে পারে।

ক্লাব সূত্র বলছে, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ মূলত ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার ও নবনির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ওঠা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের মতো আলাদা প্রাইজমানিও ক্লাবের তহবিলে যোগ হবে; তবে লা লিগার প্রাইজমানিই এ বছরের সবচেয়ে বড় এককালিপ্ত অর্থনৈতিক প্রাপ্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শিরোপা জয়ের মুহূর্তে দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের আবেগ আলাদা মাত্রার ছিল—ব্যক্তিগত ও দলগত বাধা-চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এই সাফল্য এনে দেওয়া প্রশংসার দাবি রাখে। সমর্থকদের কাছে এই ২৯তম শিরোপা কেবল একটি ট্রফি নয়; অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্লাবটিকে আবার উপর उठানোর একটি শক্তিশালী সংকেত। মাঠের সাফল্য আর পুরস্কারের এই অর্থ দুই-ই কাতালানদের ভবিষ্যৎ পথে বড় ধরনের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নাম ও পদ নিশ্চিত করা প্রয়োজন — ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ সম্পর্কে নির্দেশ দিন

লা লিগা জেতা বার্সেলোনার কোষাগারে প্রায় ৮৬৫–১৩০০ কোটি টাকা

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

ক্যাম্প ন্যু জুড়ে উৎসব, উচ্ছ্বাস আর উদযাপনের রঙ। রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে লা লিগার শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে বার্সেলোনা, যা ক্লাবটির ২৯তম লিগ ট্রফি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ায় সমর্থকদের আনন্দ তুঙ্গে; পুরো শহর উদযাপনে মেতে উঠেছে।

গতরাতে অনুষ্ঠিত এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনা ২-০ গোল ব্যবধানে জিতেই শিরোপা নিশ্চিত করে। ম্যাচের শুরু থেকেই কাতালানদের দাপট চোখে পড়ে — মাত্র ৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করে তারা এগিয়ে যায় এবং ১৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে আঘাত নিশ্চিত করে। এই লিড শেষ পর্যন্ত টেকেনি, ফলে লিগের শীর্ষস্থানে উঠে শিরোপা উদযাপনের মঞ্চ তৈরি করে বার্সা।

ট্রফির সঙ্গে সঙ্গে আসছে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারও। মূলত লা লিগার টেলিভিশন স্বত্ব ও বন্টনের নীতির কারণে চ্যাম্পিয়ন ক্লাবকে লিগের উপার্জিত অর্থের বড় অংশ পুরস্কার হিসেবে দেয়া হয়। এর আগে ২০২২-২৩ মৌসুমে শিরোপা জয়ের সময় বার্সেলোনা পেয়েছিল প্রায় ৬ কোটি ১০ লাখ ইউরো; এবার টেলিভিশন অধিকার ও বাজারমূল্যের বৃদ্ধির কারণে ধারণা করা হচ্ছে বার্সেলোনা অন্তত ৬ কোটি থেকে ৯ কোটি ইউরো (প্রায় ৮৬৫ কোটি থেকে ১৩০০ কোটি টাকার মধ্যে) লাভ করতে পারে।

ক্লাব সূত্র বলছে, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ মূলত ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার ও নবনির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া চলতি মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ওঠা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের মতো আলাদা প্রাইজমানিও ক্লাবের তহবিলে যোগ হবে; তবে লা লিগার প্রাইজমানিই এ বছরের সবচেয়ে বড় এককালিপ্ত অর্থনৈতিক প্রাপ্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শিরোপা জয়ের মুহূর্তে দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের আবেগ আলাদা মাত্রার ছিল—ব্যক্তিগত ও দলগত বাধা-চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এই সাফল্য এনে দেওয়া প্রশংসার দাবি রাখে। সমর্থকদের কাছে এই ২৯তম শিরোপা কেবল একটি ট্রফি নয়; অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্লাবটিকে আবার উপর उठানোর একটি শক্তিশালী সংকেত। মাঠের সাফল্য আর পুরস্কারের এই অর্থ দুই-ই কাতালানদের ভবিষ্যৎ পথে বড় ধরনের অনুপ্রেরণা যোগাবে।