০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নারীর ক্ষমতায়ন ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান — ডা. জুবাইদা রহমান

দেশের সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামোর উন্নয়নে নারীদের অপরিহার্য ভূমিকা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনগণের সেবায় নারীরাই মূল চালিকাশক্তি হতে পারেন। সোমবার রাজধানীর পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) আয়োজিত বিশেষ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

পুনাক-এর সদস্যদের জনসেবামূলক কাজের প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা বলেন, “আপনারা আপনার কর্মে আগামী প্রজন্মকে সমাজে অবদান রাখার পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য আপনারা যে সমাজসেবামূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, সেগুলো একসঙ্গে মিলিয়ে একটি সুন্দর ও সুস্থ মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি গড়ে উঠবে। আমরা সবাই যদি নিজের ক্ষেত্রে সমাজ গঠনে অবদান রাখি, তাহলে তা বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ।” তিনি পুনাক-এর উদ্যোগগুলোকে সুস্থ সমাজ নির্মাণের অন্যতম ভুমিকা হিসেবে অভিহিত করেন।

কন্যা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে সুযোগ করে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি। তিনি বলেন, “নারীরা পরিবার ও সমাজে কেন্দ্রীভূত থেকে স্বাস্থ্য ও গ্রামের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে। কন্যা শিশুদের সুরক্ষা ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়েকে তার প্রতিভা অনুযায়ী ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এমন ব্যবস্থা করা যাতে বাধা না সৃষ্টি করে, বরং তাদের অগ্রযাত্রা সহজ হয়।”

নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য একাধিক প্রস্তাবও তুলে ধরেন তিনি। ক্ষুদ্র কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা দিলে নারী উদ্যোক্তারা সফলভাবে ব্যবসা গড়ে তুলতে পারবেন। এর ফলে বাড়ির আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়বে, সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং দারিদ্র্য বিমোচনেও সহায়তা মিলবে।”

অনুষ্ঠানের শেষে পুনাক-এর সকল সদস্যকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান তিনি এবং একসঙ্গে কাজ করে সমাজের বাস্তব পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নারীর ক্ষমতায়ন ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান — ডা. জুবাইদা রহমান

প্রকাশিতঃ ০২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

দেশের সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামোর উন্নয়নে নারীদের অপরিহার্য ভূমিকা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনগণের সেবায় নারীরাই মূল চালিকাশক্তি হতে পারেন। সোমবার রাজধানীর পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) আয়োজিত বিশেষ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

পুনাক-এর সদস্যদের জনসেবামূলক কাজের প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা বলেন, “আপনারা আপনার কর্মে আগামী প্রজন্মকে সমাজে অবদান রাখার পথ দেখিয়ে দিচ্ছেন। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য আপনারা যে সমাজসেবামূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, সেগুলো একসঙ্গে মিলিয়ে একটি সুন্দর ও সুস্থ মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি গড়ে উঠবে। আমরা সবাই যদি নিজের ক্ষেত্রে সমাজ গঠনে অবদান রাখি, তাহলে তা বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ।” তিনি পুনাক-এর উদ্যোগগুলোকে সুস্থ সমাজ নির্মাণের অন্যতম ভুমিকা হিসেবে অভিহিত করেন।

কন্যা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে সুযোগ করে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি। তিনি বলেন, “নারীরা পরিবার ও সমাজে কেন্দ্রীভূত থেকে স্বাস্থ্য ও গ্রামের উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে। কন্যা শিশুদের সুরক্ষা ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়েকে তার প্রতিভা অনুযায়ী ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এমন ব্যবস্থা করা যাতে বাধা না সৃষ্টি করে, বরং তাদের অগ্রযাত্রা সহজ হয়।”

নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য একাধিক প্রস্তাবও তুলে ধরেন তিনি। ক্ষুদ্র কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা দিলে নারী উদ্যোক্তারা সফলভাবে ব্যবসা গড়ে তুলতে পারবেন। এর ফলে বাড়ির আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়বে, সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করা সহজ হবে এবং দারিদ্র্য বিমোচনেও সহায়তা মিলবে।”

অনুষ্ঠানের শেষে পুনাক-এর সকল সদস্যকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান তিনি এবং একসঙ্গে কাজ করে সমাজের বাস্তব পরিবর্তন আনার আহ্বান জানান।