০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
রেলসচিব: ঈদযাত্রায় বড় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই রামিসা হত্যাকাণ্ডে সারা জাতি শোকাহত ও ক্ষুব্ধ: তথ্যমন্ত্রী হাম মোকাবিলায় চিকিৎসকদের ঈদে ছুটি বাতিল ঘোষণা—স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজী নজরুলের জন্মজয়ন্তীতে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে ব্যাংক আজও খোলা, স্বাভাবিক লেনদেন চলবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন মহাপরিচালক মুফতি মুহিব্বুল্লাহ হিলবাকী ইসি জানালেন: স্থানীয় সরকার ভোটেও পোস্টার থাকবে না দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা — নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত পল্লবীর রামিসা হত্যায় প্রধান আসামি সোহেল নৃশংস স্বীকারোক্তি

চার দিনের ভারত সফরে মার্কো রুবিও কলকাতায় পৌঁছেছেন

মার্কো রুবিও শনিবার ভোরে চার দিনের ভারত সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন। ইন্দো‑প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত জোট কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করাই তার সফরের প্রধান লক্ষ্য।

আগামী মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের যে কোয়াড সভা অনুষ্ঠিত হবে—তাই মূলত রুবিওর এই সফরের উদ্দেশ্য। সফরের শুরুতেই তিনি মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠিত ‘মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’র সদর দপ্তর মাদার হাউস পরিদর্শন করবেন। এরপর তাঁর আরও কিছু ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক জেলা—আগ্রা ও জয়পুর—পরিদর্শন করার কথা আছে।

কূটনীতিক সূত্র বলছে, রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জৈশঙ্করের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং সম্ভাব্যভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাত হতে পারে। নয়াদিল্লি সফরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ সংবর্ধনাতেও অংশ নিতে যাচ্ছেন।

রুবিও সফরের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেছেন, “ভারত আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ও অংশীদার। তাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা বহু মাপের এবং তাই এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।” কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়ে চলমান কিছু মতবৈষম্য মেটিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও সম্প্রসারণযোগ্য করার প্রত্যাশাই ওয়াশিংটনের এক বড় লক্ষ্য বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা-রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও এই সফরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি ও তৎপরতা নিয়ে কোয়াডের দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।另一方面, চীন বলছে, তাদের সামরিক কার্যক্রম প্রতিরক্ষামূলক এবং কোয়াডকে তারা নিজেদের ওপর চাপ প্রয়োগকারী একটি ব্যবস্হা হিসেবে দেখেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, রুবিওর এই সফর কৌশলগত সমন্বয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহ বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা উচিত।

সূত্রমতে, বৈঠকে ন্যাভাল নিরাপত্তা, সামুদ্রিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং সরবরাহ শৃঙ্খল সুগঠিত রাখার মতো বিষয়গুলো উচ্চ প্রাধান্য পাবে। কূটনীতিক ও অঞ্চলবিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই সফর শেষে নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার নতুন কিছু সম্মতিপত্র বা কার্যক্রমের ঘোষণা আসতে পারে যা কোয়াডভুক্ত দেশের উদ্বেগ ও স্বার্থকে একসঙ্গে সামাল দেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

রেলসচিব: ঈদযাত্রায় বড় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই

চার দিনের ভারত সফরে মার্কো রুবিও কলকাতায় পৌঁছেছেন

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

মার্কো রুবিও শনিবার ভোরে চার দিনের ভারত সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন। ইন্দো‑প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত জোট কোয়াডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করাই তার সফরের প্রধান লক্ষ্য।

আগামী মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের যে কোয়াড সভা অনুষ্ঠিত হবে—তাই মূলত রুবিওর এই সফরের উদ্দেশ্য। সফরের শুরুতেই তিনি মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠিত ‘মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’র সদর দপ্তর মাদার হাউস পরিদর্শন করবেন। এরপর তাঁর আরও কিছু ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক জেলা—আগ্রা ও জয়পুর—পরিদর্শন করার কথা আছে।

কূটনীতিক সূত্র বলছে, রুবিও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জৈশঙ্করের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং সম্ভাব্যভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাত হতে পারে। নয়াদিল্লি সফরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশেষ সংবর্ধনাতেও অংশ নিতে যাচ্ছেন।

রুবিও সফরের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেছেন, “ভারত আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ও অংশীদার। তাদের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা বহু মাপের এবং তাই এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।” কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়ে চলমান কিছু মতবৈষম্য মেটিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্থিতিশীল ও সম্প্রসারণযোগ্য করার প্রত্যাশাই ওয়াশিংটনের এক বড় লক্ষ্য বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা-রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও এই সফরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি ও তৎপরতা নিয়ে কোয়াডের দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।另一方面, চীন বলছে, তাদের সামরিক কার্যক্রম প্রতিরক্ষামূলক এবং কোয়াডকে তারা নিজেদের ওপর চাপ প্রয়োগকারী একটি ব্যবস্হা হিসেবে দেখেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, রুবিওর এই সফর কৌশলগত সমন্বয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহ বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা উচিত।

সূত্রমতে, বৈঠকে ন্যাভাল নিরাপত্তা, সামুদ্রিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং সরবরাহ শৃঙ্খল সুগঠিত রাখার মতো বিষয়গুলো উচ্চ প্রাধান্য পাবে। কূটনীতিক ও অঞ্চলবিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই সফর শেষে নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার নতুন কিছু সম্মতিপত্র বা কার্যক্রমের ঘোষণা আসতে পারে যা কোয়াডভুক্ত দেশের উদ্বেগ ও স্বার্থকে একসঙ্গে সামাল দেবে।