০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে আইএলও’র ১১৪তম সম্মেলনে সহ-সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন জনতুষ্টি নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী হামের তাণ্ডবের মাঝে ডেঙ্গু নিয়েও সতর্কতা বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী শারীরিক অসুস্থতা জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ

প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন

প্রধানমন্ত্রীর ঈদকেন্দ্রিক দশটি গণমুখী উদ্যোগ জবাবদিহি নিশ্চিত করেছে এবং জনগণের প্রতীক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে—এই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি ও সুস্পষ্ট নির্দেশনায় এই ঈদে রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়বদ্ধতা, প্রশাসনিক সমন্বয় ও নীতিগত পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।

সোমবার (০১ জুন) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি এবারের ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া দশটি গণমুখী উদ্যোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন—

১) ছুটি ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা: সরকারি ছুটিকে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদকালীন ছুটি বাড়ানো হলে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বেশি সময় কাটাতে পেরেছেন। আন্তঃজেলা যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে মহাসড়কে যানচাপ অনেকটাই কমতে দেখা গেছে; তবে বেপরোয়া গতি ও অসচেতনতার কারণে কিছু মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনাও ঘটেছে, যা গভীর শোকের বিষয়।

২) তৈরি পোশাকসহ শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ: শ্রমবান্ধব নীতির সঙ্গে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস ঈদের আগে নিশ্চিত করতে ব্যাংক, কারখানা মালিক ও সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনকে যুক্ত করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ সম্ভব হয়েছে এবং শিল্পাঞ্চলে বিশৃঙ্খলার সুযোগ নির্মূল হয়েছে।

৩) দেশি পশুর বাজার ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ: অবৈধ গবাদিপশুর প্রবেশ রোধে কঠোর নির্দেশনা ও হাটে সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখে দেশজুড়ে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত যোগান নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে প্রথমবারের মতো কোরবানিতে পশুর স্বয়ংসম্পূর্ণতার লক্ষণ দেখা গেছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় আরও উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সরকার।

৪) দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও নাগরিক সেবা: ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনসহ বড় পৌরসভাগুলোতে শক্ত কর্মপরিকল্পনা ও অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে। বেশিরভাগ এলাকায় কোরবানির ৮–১২ ঘণ্টার মধ্যে সাফাই সম্পন্ন হওয়ায় এটি স্থানীয় নাগরিক সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিদর্শনে নীতিমালা না মেনে কাজ না করলে অবশ্য সাময়িক পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে, যা দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করেছে।

৫) গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও বিশেষ সুবিধা: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ রাখতে কঠোর নজরদারি করা হয়েছে। রেল ও মেট্রোরেলে নারী যাত্রীদের জন্য পৃথক সংরক্ষিত কোচ চালু করা হয়েছে এবং প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাড়ায় বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লঞ্চে ডিসকাউント, হুইলচেয়ার-ট্রলি সুবিধা ও কুলি-হকারমুক্ত ঘাটের মতো উদ্যোগও গ্রহন করা হয়।

৬) চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বিরোধী অভিযান: পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি রোধে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরোপ করা হয়। পশুর হাটে বেআইনি চাঁদা আদায় বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ, ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা ও দাম বাড়ানো প্রতিহত হয়েছে।

৭) লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ: ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকে প্রাধান্য দিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে লোডশেডিং সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী সীমাবদ্ধতা থাকলেও গ্রাহক পর্যায়ে স্বস্তি আনার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর তৎপরতা জারি আছে।

৮) সামাজিক সংবেদনশীলতা ও জননিরাপত্তা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সংবেদনশীল ঘটনার ওপর কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিতে শান্তি স্থাপন ও বিশৃঙ্খলা রোধে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া যে বিতর্কিত বিষয়ে ঝুঁকি ছিল সেগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে যাতে উৎসব নির্বিঘ্নে পালিত হয়।

৯) চামড়া শিল্পে দাম নির্ধারণ ও তদারকি: কাঁচা চামড়ার ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করে ট্যানারি মালিকদের মধ্যে সিন্ডিকেট ভাঙতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়িয়ে চামড়া বেচাকেনা ও নষ্ট হওয়ার হার কমানোর লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে।

১০) নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার স্থিতিশীলতা: চাল, ডাল, তেল, মসলা ও কোরবানির পণ্যের বাজার তদারকি করতে বিশেষ টাস্কফোর্স নিয়োজিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির চাপ সত্বেও খুচরা বাজারে অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারি নজরদারি কার্যকর রাখা হয়েছে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, ষোল বছরের প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় একেবারে তিন মাসে দূর করা সম্ভব নয়; তবু এবার জনগণ দেখেছেন যে রাষ্ট্র তাদের প্রতি সংবেদনশীল এবং প্রশাসন জনসেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, ক্ষমতার প্রদর্শনের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় কাজকর্মে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই গণমুখী ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির লক্ষ্য হওয়া উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি (সঞ্চালক), প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু, মো. সুজাউদ্দৌলা ও শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে

প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ঈদকেন্দ্রিক দশটি গণমুখী উদ্যোগ জবাবদিহি নিশ্চিত করেছে এবং জনগণের প্রতীক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে—এই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি ও সুস্পষ্ট নির্দেশনায় এই ঈদে রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়বদ্ধতা, প্রশাসনিক সমন্বয় ও নীতিগত পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।

সোমবার (০১ জুন) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি এবারের ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া দশটি গণমুখী উদ্যোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন—

১) ছুটি ও ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা: সরকারি ছুটিকে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদকালীন ছুটি বাড়ানো হলে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বেশি সময় কাটাতে পেরেছেন। আন্তঃজেলা যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে মহাসড়কে যানচাপ অনেকটাই কমতে দেখা গেছে; তবে বেপরোয়া গতি ও অসচেতনতার কারণে কিছু মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনাও ঘটেছে, যা গভীর শোকের বিষয়।

২) তৈরি পোশাকসহ শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ: শ্রমবান্ধব নীতির সঙ্গে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস ঈদের আগে নিশ্চিত করতে ব্যাংক, কারখানা মালিক ও সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনকে যুক্ত করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ সম্ভব হয়েছে এবং শিল্পাঞ্চলে বিশৃঙ্খলার সুযোগ নির্মূল হয়েছে।

৩) দেশি পশুর বাজার ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ: অবৈধ গবাদিপশুর প্রবেশ রোধে কঠোর নির্দেশনা ও হাটে সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখে দেশজুড়ে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত যোগান নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে প্রথমবারের মতো কোরবানিতে পশুর স্বয়ংসম্পূর্ণতার লক্ষণ দেখা গেছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় আরও উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সরকার।

৪) দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও নাগরিক সেবা: ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনসহ বড় পৌরসভাগুলোতে শক্ত কর্মপরিকল্পনা ও অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে। বেশিরভাগ এলাকায় কোরবানির ৮–১২ ঘণ্টার মধ্যে সাফাই সম্পন্ন হওয়ায় এটি স্থানীয় নাগরিক সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিদর্শনে নীতিমালা না মেনে কাজ না করলে অবশ্য সাময়িক পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে, যা দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করেছে।

৫) গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও বিশেষ সুবিধা: অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ রাখতে কঠোর নজরদারি করা হয়েছে। রেল ও মেট্রোরেলে নারী যাত্রীদের জন্য পৃথক সংরক্ষিত কোচ চালু করা হয়েছে এবং প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাড়ায় বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লঞ্চে ডিসকাউント, হুইলচেয়ার-ট্রলি সুবিধা ও কুলি-হকারমুক্ত ঘাটের মতো উদ্যোগও গ্রহন করা হয়।

৬) চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বিরোধী অভিযান: পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি রোধে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরোপ করা হয়। পশুর হাটে বেআইনি চাঁদা আদায় বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ, ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা ও দাম বাড়ানো প্রতিহত হয়েছে।

৭) লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ: ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকে প্রাধান্য দিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে লোডশেডিং সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী সীমাবদ্ধতা থাকলেও গ্রাহক পর্যায়ে স্বস্তি আনার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর তৎপরতা জারি আছে।

৮) সামাজিক সংবেদনশীলতা ও জননিরাপত্তা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সংবেদনশীল ঘটনার ওপর কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিতে শান্তি স্থাপন ও বিশৃঙ্খলা রোধে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়া যে বিতর্কিত বিষয়ে ঝুঁকি ছিল সেগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে যাতে উৎসব নির্বিঘ্নে পালিত হয়।

৯) চামড়া শিল্পে দাম নির্ধারণ ও তদারকি: কাঁচা চামড়ার ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করে ট্যানারি মালিকদের মধ্যে সিন্ডিকেট ভাঙতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়িয়ে চামড়া বেচাকেনা ও নষ্ট হওয়ার হার কমানোর লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে।

১০) নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার স্থিতিশীলতা: চাল, ডাল, তেল, মসলা ও কোরবানির পণ্যের বাজার তদারকি করতে বিশেষ টাস্কফোর্স নিয়োজিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির চাপ সত্বেও খুচরা বাজারে অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারি নজরদারি কার্যকর রাখা হয়েছে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, ষোল বছরের প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় একেবারে তিন মাসে দূর করা সম্ভব নয়; তবু এবার জনগণ দেখেছেন যে রাষ্ট্র তাদের প্রতি সংবেদনশীল এবং প্রশাসন জনসেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, ক্ষমতার প্রদর্শনের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় কাজকর্মে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই গণমুখী ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির লক্ষ্য হওয়া উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি (সঞ্চালক), প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু, মো. সুজাউদ্দৌলা ও শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।