মালয়েশিয়া ও চীনের সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষে আজ শুক্রবার রাতেই সরাসরি বেইজিং থেকে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী আগমনের প্রেক্ষাপে বিমানবন্দর ও সড়কে স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং জনজমায়েত এড়ানোর উদ্দেশ্যে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে — কোনো শোডাউন, রাজনৈতিক র্যালি বা বড় ধরনের গণসমাবেশ করা যাবে না।
বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, এই নির্দেশনা সব স্তরের নেতাকর্মীদের জানানো হয়েছে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে। দলের কাছে রয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ও জনসুবিধা নিশ্চিত করার অনুরোধ, যাতে বিমানবন্দর ও আশপাশের সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচলে ঘাটতি না ঘটে।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি আজ রাত আনুমানিক আটটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। বিমানবন্দরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সফর কূটনীতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে। বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আগে মালয়েশিয়ায়ও দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি ও একটি এমওইউ সই হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এসব চুক্তি ও সহযোগিতা বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান দেবে।
দলীয় নির্দেশনার উদ্দেশ্য ও সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের অনুরোধ মিলে একটি শান্ত, সুশৃঙ্খল এবং সাবলীল অভ্যর্থনা নিশ্চিত করা — যাতে সাধারণ মানুষ ও বিমানবন্দর কার্যক্রমে কোনও বিঘ্ন না ঘটে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























