মোল্ডএটিএসএকে কেন্দ্র করে উত্থাপিত রাজনৈতিক অশান্তির মধ্যে মলদোভার প্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্দ্রু মুনতিয়ানু তার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। শুক্রবার, ৩ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করার খবর জানিয়েছেন। অনাদোলুর খবরে বলা হয়েছে, তাঁর পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা কার্যত পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
ফেসবুকে পোস্ট করে মুনতিয়ানু জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত নীতি ও মূল্যবোধের পরিপন্থী কোনো কাজ করে আর দেশের পরিচালনায় যুক্ত থাকতে চান না। তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব আমি সব সময় গভীর দায়িত্ববোধ নিয়ে গ্রহণ করেছিলাম এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যখন বুঝতে পারলাম আমার নীতি ও বিশ্বাস অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়, তখন পদত্যাগ করাই শ্রেয় বলে সিদ্ধান্ত নিলাম।’
মলদোভার সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর ইস্তফা দিলেই সরকারযোগ্য কাঠামো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়, ফলে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রশাসনিক শূন্যতা দেখা দিতে পারে।
মোলোডএটিএসএ-র জনবল নিয়োগ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ওঠা নানা অভিযোগ সম্প্রতি দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি মায়া সান্দু রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোতে ব্যাপক সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন।
এতেদিক থেকে পার্লামেন্ট গত বৃহস্পতিবার একটি বিশেষ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে, যা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া, পরিচালনা পর্ষদের গঠন এবং কি কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন—এসব বিষয় খতিয়ে দেখবে।
প্রসঙ্গত, সাবেক সোভিয়েত অঞ্চলের দেশ মলদোভা বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে সদস্যপদ লাভের অপেক্ষায় রয়েছে; সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা সেই লক্ষ্যকে জটিল করে তুলতে পারে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























