০৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলা: পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ ও নিন্দা মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত: মাহদী আমিন আসুন সবুজ ও নিরাপদ বসতি গড়ে তুলি: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধিতে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান নিযুক্ত এডিবি: চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৫% আসুন সবাই মিলে গড়ি সবুজ বসতি: প্রধানমন্ত্রী

সাবমার্জিবল সড়ক পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক

সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে বইে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে প্লাবনের আশঙ্কায় রয়েছে। উপজেলার অনেক স্থান ইতোমধ্যেই জলমগ্ন এবং সাধারণ মানুষ দিনযাপন কঠিন অবস্থায় পড়েছে। জেলা প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া সাবমার্জিবল সড়ক পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। তিনি পরিস্থিতির্তির নিরিখে প্রতিক্রিয়া যাচাই করেছেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘‘এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বিপদের রিপোর্ট নেই। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি সাবমার্জিবল সড়কের ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে করচার হাওরে পড়ছে। বৃষ্টি কিছুটা থেমে যাওয়ায় রাস্তায় থাকা পানি অনেকটাই কমে এসেছে।’’

জেলায় গত কয়েকদিন ধরে তাহিরপুর বড়ছড়া, টেকেরঘাট, যাদুকাটা নদীর প্রবাহসহ চলতি ও খাসিয়ামারা নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের যোগে নিম্নাঞ্চলের কিছু গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, ফলে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন ও জীবিকা ব্যাহত হয়েছে।

তৎপরতায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জরুরি সভা করেছে এবং প্রতিটি উপজেলায় কন্ট্রলরুম চালু করে আগাম প্রস্তুতি জোরদার করেছে। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তরকে সতর্ক থাকার ও জরুরি সহায়তা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, বিশ্বম্ভরপুরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ভবিষ্যতে ওই রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কালভার্ট নির্মাণ এবং রাস্তার দুই পাশে সীমানা চিহ্নিতকরণের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পুনরায় এমন পরিস্থিতি এলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়।

প্রশাসন জনসাধারণকে অনুরোধ করেছে, হঠাৎ কোন জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে স্থানীয় কন্ট্রলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে এবং প্রয়োজনে আলোচিত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার ব্যবস্থায় সহযোগিতা করার জন্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পরিবহন ও রাজস্বে নতুন মাইলফলক

সাবমার্জিবল সড়ক পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে বইে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে প্লাবনের আশঙ্কায় রয়েছে। উপজেলার অনেক স্থান ইতোমধ্যেই জলমগ্ন এবং সাধারণ মানুষ দিনযাপন কঠিন অবস্থায় পড়েছে। জেলা প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া সাবমার্জিবল সড়ক পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান। তিনি পরিস্থিতির্তির নিরিখে প্রতিক্রিয়া যাচাই করেছেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘‘এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বিপদের রিপোর্ট নেই। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি সাবমার্জিবল সড়কের ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে করচার হাওরে পড়ছে। বৃষ্টি কিছুটা থেমে যাওয়ায় রাস্তায় থাকা পানি অনেকটাই কমে এসেছে।’’

জেলায় গত কয়েকদিন ধরে তাহিরপুর বড়ছড়া, টেকেরঘাট, যাদুকাটা নদীর প্রবাহসহ চলতি ও খাসিয়ামারা নদী দিয়ে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের যোগে নিম্নাঞ্চলের কিছু গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, ফলে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন ও জীবিকা ব্যাহত হয়েছে।

তৎপরতায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জরুরি সভা করেছে এবং প্রতিটি উপজেলায় কন্ট্রলরুম চালু করে আগাম প্রস্তুতি জোরদার করেছে। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তরকে সতর্ক থাকার ও জরুরি সহায়তা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, বিশ্বম্ভরপুরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ভবিষ্যতে ওই রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কালভার্ট নির্মাণ এবং রাস্তার দুই পাশে সীমানা চিহ্নিতকরণের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পুনরায় এমন পরিস্থিতি এলে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়।

প্রশাসন জনসাধারণকে অনুরোধ করেছে, হঠাৎ কোন জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে স্থানীয় কন্ট্রলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে এবং প্রয়োজনে আলোচিত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার ব্যবস্থায় সহযোগিতা করার জন্য।