০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শনিবার সকালে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সকাল সোয়া ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে পৌঁছান এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান সূচনা করেন, যা ছাত্র-শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

প্রধানমন্ত্রী কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেলের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

তারেক রহমান স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং হাসপাতালের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নের সংকল্প ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কলেজ ও আশপাশে ভিড় লক্ষ্যণীয় ছিল। সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছা জানায়। জনসমাগমের কারণে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের গতি কমে গেলে তিনি উপস্থিত জনতাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

আয়োজকরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে কলেজ ও হাসপাতাল সংলগ্ন ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ায় ওই এলাকা থেকে দীর্ঘদিনের যানজট কমে যায়। সাধারণ পথচারী ও রোগীর স্বজনরা এই পরিবর্তনকে স্বস্তিদায়ক বলছেন।

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই সফরকে একটি ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতি ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সমস্যা দ্রুত সমাধানে সহায়ক হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা স্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রহণ করা উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর এই পদচারণা অত্যন্ত আবেগঘন একটি মুহূর্ত।

১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান গত আট দশক ধরে দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা করেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা, গবেষণা ও পরিষেবা উন্নয়নে নতুন অনুপ্রেরণা ও মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শনিবার সকালে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সকাল সোয়া ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে পৌঁছান এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান সূচনা করেন, যা ছাত্র-শিক্ষক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

প্রধানমন্ত্রী কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেলের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

তারেক রহমান স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং হাসপাতালের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নের সংকল্প ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কলেজ ও আশপাশে ভিড় লক্ষ্যণীয় ছিল। সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছা জানায়। জনসমাগমের কারণে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের গতি কমে গেলে তিনি উপস্থিত জনতাকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

আয়োজকরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগে কলেজ ও হাসপাতাল সংলগ্ন ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ায় ওই এলাকা থেকে দীর্ঘদিনের যানজট কমে যায়। সাধারণ পথচারী ও রোগীর স্বজনরা এই পরিবর্তনকে স্বস্তিদায়ক বলছেন।

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই সফরকে একটি ঐতিহাসিক মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতি ঢাকা মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সমস্যা দ্রুত সমাধানে সহায়ক হবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা স্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রহণ করা উন্নয়ন প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর এই পদচারণা অত্যন্ত আবেগঘন একটি মুহূর্ত।

১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান গত আট দশক ধরে দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা করেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা, গবেষণা ও পরিষেবা উন্নয়নে নতুন অনুপ্রেরণা ও মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।