০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অর্ধেক কমালো আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী জলে ভাসছে শহর, ডুবে যাচ্ছে প্রতিশ্রুতি পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা — প্রধানমন্ত্রী বারবারে জলে ভাসে শহর, তলিয়ে যায় প্রতিশ্রুতি বর্জ্য থেকেই বিদ্যুৎ ও ইকো পণ্য: ঢাকায় দুই বড় প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী: জলাবদ্ধতায় জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয় চীফ হুইপ নূরুল ইসলামের গভীর শোক প্রকাশ — ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতায় বন্যার্তদের পাশে

সূচক বাড়লো, তবু ডিএসইতে লেনদেন খানিকটা কমেছে

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচকসহ বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ব্যাংক ও বিমা খাতের সক্রিয়তা প্রধানত এই উত্থানের পেছনে কাজ করেছে। একই ধারায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বেশ সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়েছে। তবে ডিএসইতে লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় কিছুটা কমেছে, যেখানে সিএসইতে লেনদেন ঠিকই বেড়েছে।

ডিএসইতে দিনের শেষ পর্যন্ত ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বাড়ে, বিপরীতে ১৬৫টির দর কমে এবং ৪৮টির দর অপরিবর্তিত থাকে। খাতভিত্তিকভাবে দেখা গেছে, ব্যাংক খাতে ১৬টির দাম বাড়লেও ৪টির দাম কমেছে; বিমা খাতে ৩৫টির দাম বাড়ার বিপরীতে ২২টির দাম কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। বাছাইভিত্তিক ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে দেখা যায়, ডিএসইতে এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৫০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল মালেক স্পিনিং—এর শেয়ারের লেনদেন মূল্য হয়েছিল ৫৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক (৩০ কোটি ২৪ লাখ টাকা) এবং তৃতীয় স্থানে ছিল ইস্টার্ন হাউজিং (২৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা)। শীর্ষ দশে উঠে আসে লাভেলো আইসক্রিম, সার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং ও লাফার্জহোলসিমসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লভ্যাংশ প্রদানের সক্ষমতা অনুযায়ী মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ‘জেড’ গ্রুপ বা লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৪টির দাম বেড়েছে এবং ৩৩টির দাম কমেছে। অন্যদিকে ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানির মধ্যে ৮৩টির শেয়ারের দর বেড়েছে, যদিও ১০১টির দর নামেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কাস্পিআই ১১৮ পয়েন্ট বেড়েছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২২টির দাম বেড়েছে এবং ৯১টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১০ কোটি ১১ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সংক্ষেপে, বাজার সূচকে ইতিবাচক সাড়া থাকলেও ডিএসইর মোট লেনদেন কিছুটা হ্রাস পায়; তবু ব্যাংক ও বিমা খাতের ভূমিকা আশাব্যঞ্জক ছবি উপস্থাপন করেছে এবং সিএসইতে লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সরকার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অর্ধেক কমালো

সূচক বাড়লো, তবু ডিএসইতে লেনদেন খানিকটা কমেছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচকসহ বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ব্যাংক ও বিমা খাতের সক্রিয়তা প্রধানত এই উত্থানের পেছনে কাজ করেছে। একই ধারায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বেশ সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়েছে। তবে ডিএসইতে লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় কিছুটা কমেছে, যেখানে সিএসইতে লেনদেন ঠিকই বেড়েছে।

ডিএসইতে দিনের শেষ পর্যন্ত ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বাড়ে, বিপরীতে ১৬৫টির দর কমে এবং ৪৮টির দর অপরিবর্তিত থাকে। খাতভিত্তিকভাবে দেখা গেছে, ব্যাংক খাতে ১৬টির দাম বাড়লেও ৪টির দাম কমেছে; বিমা খাতে ৩৫টির দাম বাড়ার বিপরীতে ২২টির দাম কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। বাছাইভিত্তিক ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে দেখা যায়, ডিএসইতে এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৫০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল মালেক স্পিনিং—এর শেয়ারের লেনদেন মূল্য হয়েছিল ৫৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক (৩০ কোটি ২৪ লাখ টাকা) এবং তৃতীয় স্থানে ছিল ইস্টার্ন হাউজিং (২৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা)। শীর্ষ দশে উঠে আসে লাভেলো আইসক্রিম, সার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং ও লাফার্জহোলসিমসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লভ্যাংশ প্রদানের সক্ষমতা অনুযায়ী মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ‘জেড’ গ্রুপ বা লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৪টির দাম বেড়েছে এবং ৩৩টির দাম কমেছে। অন্যদিকে ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানির মধ্যে ৮৩টির শেয়ারের দর বেড়েছে, যদিও ১০১টির দর নামেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কাস্পিআই ১১৮ পয়েন্ট বেড়েছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২২টির দাম বেড়েছে এবং ৯১টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ১০ কোটি ১১ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সংক্ষেপে, বাজার সূচকে ইতিবাচক সাড়া থাকলেও ডিএসইর মোট লেনদেন কিছুটা হ্রাস পায়; তবু ব্যাংক ও বিমা খাতের ভূমিকা আশাব্যঞ্জক ছবি উপস্থাপন করেছে এবং সিএসইতে লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েছে।