০৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীফ হুইপ নূরুল ইসলামের গভীর শোক প্রকাশ — ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতায় বন্যার্তদের পাশে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন আর নেই ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ সরকারি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চাকরিজীবীদের জন্য রেশন সুবিধা চালু হতে যাচ্ছে ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলা: পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ ও নিন্দা

চীফ হুইপ নূরুল ইসলামের গভীর শোক প্রকাশ — ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম, এমপি সাবেক স্পীকার ও বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এক শোকবার্তায় চীফ হুইপ বলেন যে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন প্রজ্ঞাবান সংসদীয় ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান আইনজ্ঞ এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জাতীয় সংসদের স্পীকার হিসেবে তিনি দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সংসদীয় গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি রইল।

চীফ হুইপ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন और মহান আল্লাহর নিকট তাঁকে জান্নাতের জগৎ দানের প্রার্থনা করেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানান।

জানানো হয়, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তিনি সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন মর্যাদাবান আইনজীবী হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পীকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন সময়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছেন।

চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মরহুমের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বলেন, তাঁর সততা, প্রজ্ঞা ও সংসদীয় ধারার প্রতি অঙ্গীকার দেশের রাজনৈতিক জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে এবং সেই অবদান স্মরণীয় থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চীফ হুইপ নূরুল ইসলামের গভীর শোক প্রকাশ — ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে

চীফ হুইপ নূরুল ইসলামের গভীর শোক প্রকাশ — ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম, এমপি সাবেক স্পীকার ও বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এক শোকবার্তায় চীফ হুইপ বলেন যে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন প্রজ্ঞাবান সংসদীয় ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান আইনজ্ঞ এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। জাতীয় সংসদের স্পীকার হিসেবে তিনি দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সংসদীয় গণতন্ত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি রইল।

চীফ হুইপ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন और মহান আল্লাহর নিকট তাঁকে জান্নাতের জগৎ দানের প্রার্থনা করেন। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি জানান।

জানানো হয়, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তিনি সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের একজন মর্যাদাবান আইনজীবী হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পীকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন সময়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছেন।

চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মরহুমের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে বলেন, তাঁর সততা, প্রজ্ঞা ও সংসদীয় ধারার প্রতি অঙ্গীকার দেশের রাজনৈতিক জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে এবং সেই অবদান স্মরণীয় থাকবে।