১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৩ লাখ টাকা জরিমানা রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে কাল হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন তারেক রহমান বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

খাদ্যপণ্যের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি বেড়েছে

রবিবার (১৯ জুন) বিবিএসের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী দেশে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশে। এপ্রিলে যা ছিল ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। তুলনামূলক গ্রামে খাদ্যপণ্যের দাম বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শহরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ থাকলে গ্রামীণ এলাকায় এই হার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশে উঠেছে। চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, শাকসবজি থেকে শুরু করে মাছ-মুরগিসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় খাবারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশে নিত্যপণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও বিবিএসের হিসাবে সাম্প্রতিককালে মে মাসেই ৭ শতাংশ ছাড়াল মূল্যস্ফীতির হার। বিবিএসের হিসাবে দেশে এর আগে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির বছর ছিল ২০১০-১১ অর্থবছর। ঐ বছর গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এর পর ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশের ঘর থেকে ক্রমেই নামতে থাকে মূল্যস্ফীতির হার। এবার একক মাস হিসাবে মে মাসে ৭ শতাংশ অতিক্রম করল। গত কয়েক মাসের মতো গ্রামে শহরের চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি হয়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। শহরে হয়েছে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। আসছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে সব দেশে।

 

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

খাদ্যপণ্যের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি বেড়েছে

প্রকাশিতঃ ০১:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুন ২০২২

রবিবার (১৯ জুন) বিবিএসের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী দেশে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশে। এপ্রিলে যা ছিল ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। তুলনামূলক গ্রামে খাদ্যপণ্যের দাম বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শহরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ থাকলে গ্রামীণ এলাকায় এই হার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশে উঠেছে। চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, শাকসবজি থেকে শুরু করে মাছ-মুরগিসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় খাবারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশে নিত্যপণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়লেও বিবিএসের হিসাবে সাম্প্রতিককালে মে মাসেই ৭ শতাংশ ছাড়াল মূল্যস্ফীতির হার। বিবিএসের হিসাবে দেশে এর আগে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির বছর ছিল ২০১০-১১ অর্থবছর। ঐ বছর গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এর পর ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশের ঘর থেকে ক্রমেই নামতে থাকে মূল্যস্ফীতির হার। এবার একক মাস হিসাবে মে মাসে ৭ শতাংশ অতিক্রম করল। গত কয়েক মাসের মতো গ্রামে শহরের চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি হয়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। শহরে হয়েছে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। আসছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে সব দেশে।