০১:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েলিদের গাজা যুদ্ধের অবসানের জন্য বিক্ষোভ

গত রোববার গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে, সঙ্গে জিম্মিদের ছবি হাতে, হলুদ পতাকা নিয়ে, ঢোল বাজিয়ে এবং বন্দি ইসরায়েলিদের ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে স্লোগান দিতে দিতে। এই আন্দোলন তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় সংঘটিত হয়। এএফপি জানিয়েছে, ওই সময়ে উপস্থিত ছিলেন ৫০ বছর বয়সের একজন আরবি শিক্ষক ওফির পেনসো, যিনি বলেন, “আমরা এখানে ইসরায়েলি সরকারকে স্পষ্ট করে বলতে এসেছি যে, প্রায় ৭০০ দিন ধরে হামাসের সুড়ঙ্গে বন্দী থাকা জিম্মিদের উদ্ধারে এই মুহূর্তটি হয়তো শেষ সম্ভব।” ২০২৩ সালে হামাসের হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই বছরের বেশি সময় যুদ্ধ চললেও বিভিন্ন সময়ে নিয়মিত বিক্ষোভ-মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে গত রোবকারের প্রতিবাদ সবচেয়ে ব্যাপক ও আশ্চর্যজনক বলে মনে করা হচ্ছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে গাজা সিটি ও আশেপাশের ক্যাম্পগুলো দখল করে নতুন করে আক্রমণ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া সরকার, এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে। গাজা উপত্যকার সবচেয়ে জনবহুল এলাকা জয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘোষণা আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে, সাহায্য সংস্থা ও জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এই অঞ্চলে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের প্রকাশিত সাম্প্রতিক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জিম্মিদের শরীর খুবই দুর্বল ও ফ্যাকাশে, যা তাদের স্বাস্থ্যের অবনতি এবং আরও গুরুতর পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া ২৫১ জনের মধ্যে এখনও গাজা উপত্যকায় আছেন ৪৯ জন, এর মধ্যে ২৭ জনের নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। শহরের রাস্তার বুকে জনতার ঢল নেমেছে, যেখানে তারা আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু তেল আবিবে অবস্থিত কাঁচের টাওয়ার ও হোস্টেজ স্কোয়ারে জড়ো হয়েছে। শহরেরই একজন মানুষ, যার নাম আইনের জাঙ্গাউকারের ছেলে মাতান, গাজায় বন্দী অবস্থায় আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, “ইসরায়েলি সরকার কখনোও একটি শান্তিপূর্ণ চুক্তির জন্য বাস্তব উদ্যোগ নেয়নি বা যুদ্ধের অবসানের জন্য প্রস্তাব দেয়নি।”

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

ইসরায়েলিদের গাজা যুদ্ধের অবসানের জন্য বিক্ষোভ

প্রকাশিতঃ ০৮:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

গত রোববার গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসে, সঙ্গে জিম্মিদের ছবি হাতে, হলুদ পতাকা নিয়ে, ঢোল বাজিয়ে এবং বন্দি ইসরায়েলিদের ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে স্লোগান দিতে দিতে। এই আন্দোলন তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় সংঘটিত হয়। এএফপি জানিয়েছে, ওই সময়ে উপস্থিত ছিলেন ৫০ বছর বয়সের একজন আরবি শিক্ষক ওফির পেনসো, যিনি বলেন, “আমরা এখানে ইসরায়েলি সরকারকে স্পষ্ট করে বলতে এসেছি যে, প্রায় ৭০০ দিন ধরে হামাসের সুড়ঙ্গে বন্দী থাকা জিম্মিদের উদ্ধারে এই মুহূর্তটি হয়তো শেষ সম্ভব।” ২০২৩ সালে হামাসের হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত দুই বছরের বেশি সময় যুদ্ধ চললেও বিভিন্ন সময়ে নিয়মিত বিক্ষোভ-মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবে গত রোবকারের প্রতিবাদ সবচেয়ে ব্যাপক ও আশ্চর্যজনক বলে মনে করা হচ্ছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে গাজা সিটি ও আশেপাশের ক্যাম্পগুলো দখল করে নতুন করে আক্রমণ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া সরকার, এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে। গাজা উপত্যকার সবচেয়ে জনবহুল এলাকা জয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘোষণা আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে, সাহায্য সংস্থা ও জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এই অঞ্চলে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের প্রকাশিত সাম্প্রতিক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জিম্মিদের শরীর খুবই দুর্বল ও ফ্যাকাশে, যা তাদের স্বাস্থ্যের অবনতি এবং আরও গুরুতর পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া ২৫১ জনের মধ্যে এখনও গাজা উপত্যকায় আছেন ৪৯ জন, এর মধ্যে ২৭ জনের নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। শহরের রাস্তার বুকে জনতার ঢল নেমেছে, যেখানে তারা আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু তেল আবিবে অবস্থিত কাঁচের টাওয়ার ও হোস্টেজ স্কোয়ারে জড়ো হয়েছে। শহরেরই একজন মানুষ, যার নাম আইনের জাঙ্গাউকারের ছেলে মাতান, গাজায় বন্দী অবস্থায় আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, “ইসরায়েলি সরকার কখনোও একটি শান্তিপূর্ণ চুক্তির জন্য বাস্তব উদ্যোগ নেয়নি বা যুদ্ধের অবসানের জন্য প্রস্তাব দেয়নি।”