১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রমের আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ নভেম্বর। এই দিন আপিল বিভাগ রায়ের উপর পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদনের ওপর শুনানি করবে। আপিল বিভাগের এই নির্দেশনা উপলক্ষে আজ লিভ মঞ্জুর (আপিলের অনুমতি) দেওয়া হয়, যা প্রধান বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামসহ ছয় বিচারপতির বিচারপতি বেঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

শুনানিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও নিহাদ কবির। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিমের মাধ্যমে। বিচারসভায় ইন্টারভেনর হিসেবে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বলা হয়ে থাকে যে, ১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ১১ সেপ্টেম্বর ওই বছর এটি জারি হয় এবং পরে বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়।

তবে, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি ও তার বৈধতা নিয়ে ডিবেট চলতে থাকায় ২০০৬ সালে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন, সেখানে এই ওয়ারেন্টের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ঐ রিটে একে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে, এবং ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় দেন। এতে হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলোর কিছুটা সংশোধনসহ তিন দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। এগুলো হলো:
১. সাংবিধানিক পদধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে কারণ সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন।
২. জাতীয় জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য হিসেবে জেলা জজ ও সমমর্যাদার কর্মকর্তারা সরকারের সচিবদের সঙ্গে ১৬ নম্বর ক্রমিকে থাকবেন।
৩. জেলা জজদের পরে থাকবেন অতিরিক্ত সচিবরা ১৭ নম্বর ক্রমিকে।

পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন রিভিউ আবেদন করে, যা পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সমর্থন দেন। আপিল বিভাগের শুনানি ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াগুলো এখনো চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রমের আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ নভেম্বর। এই দিন আপিল বিভাগ রায়ের উপর পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) আবেদনের ওপর শুনানি করবে। আপিল বিভাগের এই নির্দেশনা উপলক্ষে আজ লিভ মঞ্জুর (আপিলের অনুমতি) দেওয়া হয়, যা প্রধান বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামসহ ছয় বিচারপতির বিচারপতি বেঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

শুনানিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও নিহাদ কবির। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিমের মাধ্যমে। বিচারসভায় ইন্টারভেনর হিসেবে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বলা হয়ে থাকে যে, ১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ১১ সেপ্টেম্বর ওই বছর এটি জারি হয় এবং পরে বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়।

তবে, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি ও তার বৈধতা নিয়ে ডিবেট চলতে থাকায় ২০০৬ সালে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন, সেখানে এই ওয়ারেন্টের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ঐ রিটে একে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে, এবং ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় দেন। এতে হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলোর কিছুটা সংশোধনসহ তিন দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। এগুলো হলো:
১. সাংবিধানিক পদধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে কারণ সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন।
২. জাতীয় জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য হিসেবে জেলা জজ ও সমমর্যাদার কর্মকর্তারা সরকারের সচিবদের সঙ্গে ১৬ নম্বর ক্রমিকে থাকবেন।
৩. জেলা জজদের পরে থাকবেন অতিরিক্ত সচিবরা ১৭ নম্বর ক্রমিকে।

পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন রিভিউ আবেদন করে, যা পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সমর্থন দেন। আপিল বিভাগের শুনানি ও সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াগুলো এখনো চলমান রয়েছে।