১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির প্রত্যাশা চিফ প্রসিকিউটরের তিন দলের সঙ্গে আজ বিশেষ বৈঠক করছেন ড. ইউনূস নবজাতক নবীনমা হাসপাতালের বেডে একা পড়ে থাকায় চাঞ্চল্য নওগাঁয় বায়ুদূষণে শীর্ষ পাঁচ শহরের চারটি মধ্যপ্রাচ্যের, ঢাকার বাতাস এখনও ‘মাঝারি’ ভৈরবে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি সম্ভাবনা বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলনের যৌথ বিবৃতি ও গুরুত্ব জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর নুরের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিন্দা

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি এখনও; ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আলোচনার পর সেটি সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তাঁর ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সভার পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে তার জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়াও, গোপন আটক কেন্দ্র ব্যবহার বড় ধরনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এছাড়াও, এই অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুম না হয়, তাই নিয়ে সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশ প্রণয়নের সময় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনা করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এটি শুধুমাত্র নীতিগত অনুমোদন; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা চালু থাকবে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার যথাযথ সুরক্ষা ও প্রতিকার পেতে সক্ষম হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে এসেছেন রেকর্ড টাকা দু’বারের বেশি দান

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর আইন চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি এখনও; ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত আলোচনার পর সেটি সম্পূর্ণরূপে অনুমোদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তাঁর ৪০তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সভার পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই খসড়া অধ্যাদেশে গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে তার জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়াও, গোপন আটক কেন্দ্র ব্যবহার বড় ধরনের শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এছাড়াও, এই অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেস সচিব আরও বলেছেন, ‘বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন গুম না হয়, তাই নিয়ে সরকার কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই খসড়া অধ্যাদেশ প্রণয়নের সময় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত বিবেচনা করা হয়েছে। এটি দেশের মানবাধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’

তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘এটি শুধুমাত্র নীতিগত অনুমোদন; চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও পর্যালোচনা চালু থাকবে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার যথাযথ সুরক্ষা ও প্রতিকার পেতে সক্ষম হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।