১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

আমরা ভারত ও রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি বলে ট্রাম্পের মন্তব্য

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ভারত এবং রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছে। তিনি এই মন্তব্যটি পোস্টে ব্যঙ্গাত্মকভাবে করেছেন এবং পাশাপাশি তিনটি দেশেরই মুখরোচক ভবিষ্যতের কামনা করেছেন।

বৈঠক ও আলোচনা চলাকালীন, যখন বেইজিং একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ওয়াশিংটনের শীর্ষ নেতা এমন মন্তব্য করলেন। সম্প্রতি নৌদিল্লি ও মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সপ্তাহের শুরুর দিকে তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আতিথ্য দেন।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে, আমরা ভারত এবং রাশিয়াকে সবচেয়ে গভীর অন্ধকারতম চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি। আমি এই তিন দেশের জন্য একটি দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত কামনা করি।’

এই মন্তব্যগুলি সম্প্রতি নয়াদিল্লি, মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে গভীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সবচেয়ে স্পষ্ট ও প্রকাশ্য স্বীকৃতি। তিন নেতৃত্বই বেইজিংয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে—যেমন জ্বালানি ও নিরাপত্তা—সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

অপরদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্ববাণিজ্য নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের মতবিরোধ চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন ভারতকে চীনের প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক উভয় প্রশাসনই নয়াদিল্লির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে বিভিন্ন বিনিয়োগ করেছে।

যদিও ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ভারতের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, তবে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে সম্পর্ক কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ট্রাম্পের শুল্কনীতি, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানি বাণিজ্য ও অন্যান্য বিষয়ে যেসব সমালোচনা হয়েছে, তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমরা ভারত ও রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি বলে ট্রাম্পের মন্তব্য

প্রকাশিতঃ ১০:৫৩:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ভারত এবং রাশিয়াকে চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছে। তিনি এই মন্তব্যটি পোস্টে ব্যঙ্গাত্মকভাবে করেছেন এবং পাশাপাশি তিনটি দেশেরই মুখরোচক ভবিষ্যতের কামনা করেছেন।

বৈঠক ও আলোচনা চলাকালীন, যখন বেইজিং একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ওয়াশিংটনের শীর্ষ নেতা এমন মন্তব্য করলেন। সম্প্রতি নৌদিল্লি ও মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চলমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সপ্তাহের শুরুর দিকে তিয়ানজিনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আতিথ্য দেন।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে, আমরা ভারত এবং রাশিয়াকে সবচেয়ে গভীর অন্ধকারতম চীনের কাছে হারিয়ে ফেলেছি। আমি এই তিন দেশের জন্য একটি দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত কামনা করি।’

এই মন্তব্যগুলি সম্প্রতি নয়াদিল্লি, মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে গভীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সবচেয়ে স্পষ্ট ও প্রকাশ্য স্বীকৃতি। তিন নেতৃত্বই বেইজিংয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে—যেমন জ্বালানি ও নিরাপত্তা—সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

অপরদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্ববাণিজ্য নীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের মতবিরোধ চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন ভারতকে চীনের প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক উভয় প্রশাসনই নয়াদিল্লির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে বিভিন্ন বিনিয়োগ করেছে।

যদিও ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ভারতের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, তবে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে সম্পর্ক কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ট্রাম্পের শুল্কনীতি, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানি বাণিজ্য ও অন্যান্য বিষয়ে যেসব সমালোচনা হয়েছে, তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।