০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

সংবিধান সংশোধনে গণভোটের মাধ্যমে বৈধতা নেওয়ার পরামর্শ

জুলাই জাতীয় সনদ সংশোধনের পরিকল্পনা এবং সংবিধান সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সংবিধান আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, ভবিষ্যতের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় একটি গণভোটের মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলো জনগণের অনুমোদন নেওয়া যেতে পারে। এই প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন বিকল্পও বিবেচনা করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার, ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় দফার বৈঠকে এই আলোচনাগুলো গুরুত্বপূর্নভাবে উঠে আসে। এর আগে, রোববার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একপ্রকার সংলাপের মাধ্যমে কমিশন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। এই বৈঠকে তারা বলেছেন, ২২ ধারা অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই সনদ ২০২৫ অনুযায়ী মূল সংবিধান সংশোধনের জন্য সংবিধান আদেশ জারি করতে পারে, যা তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি গণভোটের আয়োজনও সম্ভব, যা সাধারণ নির্বাচন একই সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদি এই গণভোটে জনগণের সমর্থন পড়ে, তবে সংশোধনগুলো এই তারিখ থেকেই বৈধ হিসেবে গণ্য হবে। পরে আলোচকরা পাঁচটি সম্ভাব্য পদ্ধতি সুপারিশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ এবং উচ্চ আদালতের মতামত।

একইসঙ্গে, তারা আরও উল্লেখ করেছেন, এই সব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এক মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করে দেওয়া সম্ভব। বিশেষ করে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, কমিশনের মেয়াদ বর্তমানে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি যোগ করেছেন, ‘আমরা খুব দ্রুত একটা ঐকমত্যের দিকে এগোতে চাই এবং এই বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করতে চাই।’

আলী রীয়াজ আরও জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তারা মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের ব্যাপারে একমত হলেও, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় মতভेद রয়েছে কিছু দলের মধ্যে, যেমন এনসিপি, জামায়াত, ও বিএনপির। তবে, আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

সংবিধান সংশোধনে গণভোটের মাধ্যমে বৈধতা নেওয়ার পরামর্শ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই জাতীয় সনদ সংশোধনের পরিকল্পনা এবং সংবিধান সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো উন্নত করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সংবিধান আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, ভবিষ্যতের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় একটি গণভোটের মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলো জনগণের অনুমোদন নেওয়া যেতে পারে। এই প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন বিকল্পও বিবেচনা করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার, ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় দফার বৈঠকে এই আলোচনাগুলো গুরুত্বপূর্নভাবে উঠে আসে। এর আগে, রোববার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একপ্রকার সংলাপের মাধ্যমে কমিশন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। এই বৈঠকে তারা বলেছেন, ২২ ধারা অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই সনদ ২০২৫ অনুযায়ী মূল সংবিধান সংশোধনের জন্য সংবিধান আদেশ জারি করতে পারে, যা তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি গণভোটের আয়োজনও সম্ভব, যা সাধারণ নির্বাচন একই সময়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদি এই গণভোটে জনগণের সমর্থন পড়ে, তবে সংশোধনগুলো এই তারিখ থেকেই বৈধ হিসেবে গণ্য হবে। পরে আলোচকরা পাঁচটি সম্ভাব্য পদ্ধতি সুপারিশ করেন, যার মধ্যে রয়েছে অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশ, গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ এবং উচ্চ আদালতের মতামত।

একইসঙ্গে, তারা আরও উল্লেখ করেছেন, এই সব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এক মাসের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করে দেওয়া সম্ভব। বিশেষ করে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেছেন, কমিশনের মেয়াদ বর্তমানে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি যোগ করেছেন, ‘আমরা খুব দ্রুত একটা ঐকমত্যের দিকে এগোতে চাই এবং এই বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করতে চাই।’

আলী রীয়াজ আরও জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তারা মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের ব্যাপারে একমত হলেও, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় মতভेद রয়েছে কিছু দলের মধ্যে, যেমন এনসিপি, জামায়াত, ও বিএনপির। তবে, আলোচনা চলছে এবং দ্রুতই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।