০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

তৃতীয় দফায় রিমান্ডে বাংলাদেশের প্রকৃতিবাদী মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম

সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীর তৃতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইসতিয়াকের আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে এ মামলায় তাকে দুই দফায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

নথি অনুযায়ী, এনায়েত করিমকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ তার সাক্ষাৎকারের জন্য এই রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানির সময় আসামিপক্ষে আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম রিমান্ড বাতিল ও জামিনের জন্য আবেদন করেন, তবে রাষ্ট্রপক্ষ তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত যাবতীয় যুক্তি বিবেচনা করে তার জামিন নামঞ্জুর করে রিমাণ্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, এনায়েত করিম ১৯৮৮ সালে আমেরিকায় যান এবং ২০০৪ সালে তিনি আমেরিকান পাসপোর্ট পান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের বৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাটার লক্ষ্যে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠে। ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সারে দশটার দিকে মিন্টো রোডের এলাকায় সন্দেহজনকভাবে গাড়ি চালিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এনায়েত করিম। সন্দেহজনক দেখে পুলিশ তাকে আটক করে। তাকে জানতে চান কেন তিনি এভাবে ঘোরাফেরা করছেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছ থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়। এরপর রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের হয়।

এই মামলায় দুই দফায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, পরে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন সহযোগী ও রাজনৈতিক নেতাদের রিমান্ডে নিয়েও তদন্ত চালানো হয়। এনায়েত করিমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিভিন্ন সময় তাদের রিমান্ডে নেয়া হয়, যেমন—এসএম গোলাম মোস্তফা আজাদ, জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদ এবং যুব সংহতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব রিফাতুল ইসলাম পাভেল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ভালুকায় পরিবেশদূষণে টেক্সটাইল কারখানার ড্রেন লাইন বন্ধ

তৃতীয় দফায় রিমান্ডে বাংলাদেশের প্রকৃতিবাদী মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম

প্রকাশিতঃ ০৭:৫২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীর তৃতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইসতিয়াকের আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে এ মামলায় তাকে দুই দফায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

নথি অনুযায়ী, এনায়েত করিমকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ তার সাক্ষাৎকারের জন্য এই রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানির সময় আসামিপক্ষে আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম রিমান্ড বাতিল ও জামিনের জন্য আবেদন করেন, তবে রাষ্ট্রপক্ষ তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত যাবতীয় যুক্তি বিবেচনা করে তার জামিন নামঞ্জুর করে রিমাণ্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, এনায়েত করিম ১৯৮৮ সালে আমেরিকায় যান এবং ২০০৪ সালে তিনি আমেরিকান পাসপোর্ট পান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের বৈধ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাটার লক্ষ্যে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠে। ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সারে দশটার দিকে মিন্টো রোডের এলাকায় সন্দেহজনকভাবে গাড়ি চালিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এনায়েত করিম। সন্দেহজনক দেখে পুলিশ তাকে আটক করে। তাকে জানতে চান কেন তিনি এভাবে ঘোরাফেরা করছেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছ থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়। এরপর রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের হয়।

এই মামলায় দুই দফায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, পরে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন সহযোগী ও রাজনৈতিক নেতাদের রিমান্ডে নিয়েও তদন্ত চালানো হয়। এনায়েত করিমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিভিন্ন সময় তাদের রিমান্ডে নেয়া হয়, যেমন—এসএম গোলাম মোস্তফা আজাদ, জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদ এবং যুব সংহতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব রিফাতুল ইসলাম পাভেল।