১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন সামসুল আলম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তৃণমূল নেতা মো. সামসুল আলম বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে ব্যাপকভাবে ব্যস্ত থাকছেন। তিনি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।

সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুল আলম দুবার নির্বাচিত হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের সময় তিনি পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। গত ১৭ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। অবৈধ স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আন্দোলনে তিনি সিলেট থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ছাত্রজনতার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী রাস্তা বন্ধ, বিক্ষোভ ও হরতাল কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

এছাড়া, তার রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার উদ্যোগে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় সড়ক, সেতু, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি মাধবপুর উচ্চবিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ছিলেন এবং পরে ঢাকার তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন; তখন পাক সেনারা তার বাড়িঘর জালিয়ে দেয়। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আধুনিক উপজেলা নির্মাণে সরকারি সফর ও বিদেশ ভ্রমণে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ইন্দোনেশিয়া এক মাসের জন্য সফর, পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরেও সরকারি সফর করেন।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দল ও দেশের উন্নয়নে কাজ করতে আমি সংকল্পবদ্ধ।’ তিনি আরও জানান, ২০১৪ সালে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করলে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন সামসুল আলম

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তৃণমূল নেতা মো. সামসুল আলম বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে ব্যাপকভাবে ব্যস্ত থাকছেন। তিনি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।

সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুল আলম দুবার নির্বাচিত হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের সময় তিনি পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন। গত ১৭ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। অবৈধ স্বৈরাচার হাসিনার বিরুদ্ধে ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আন্দোলনে তিনি সিলেট থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ছাত্রজনতার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী রাস্তা বন্ধ, বিক্ষোভ ও হরতাল কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

এছাড়া, তার রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার উদ্যোগে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় সড়ক, সেতু, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তিনি মাধবপুর উচ্চবিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ছিলেন এবং পরে ঢাকার তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন; তখন পাক সেনারা তার বাড়িঘর জালিয়ে দেয়। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আধুনিক উপজেলা নির্মাণে সরকারি সফর ও বিদেশ ভ্রমণে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ইন্দোনেশিয়া এক মাসের জন্য সফর, পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরেও সরকারি সফর করেন।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, ‘জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি। বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দল ও দেশের উন্নয়নে কাজ করতে আমি সংকল্পবদ্ধ।’ তিনি আরও জানান, ২০১৪ সালে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলে উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করলে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।