০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ওয়েলস

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম ওয়েলসের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও উদ্ভাবনের সুযোগ অন্বেষণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাদের কাছে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশের উত্থানকামী বাজারের সুযোগগুলো তুলে ধরেছেন।

সম্প্রতি ওয়েলস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স (ডব্লিউবিসিসি) আয়োজিত ব্যবসায়িক এক্সপো ও সেমিনারে অংশগ্রহণকালে হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম ওয়েলসের জন্য বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনাময়তা স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এসময় তিনি বাংলাদেশে নতুন নতুন গবেষণা, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও শিল্পখাতে বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলো উল্লেখ করেন।

বুধবার ঢাকায় এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ওয়েলসের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন ওয়েস্ট গ্লামরগানের লর্ড লেফটেন্যান্ট লুইস ফ্লিট, অর্থমন্ত্রী মার্ক ড্রেকফোর্ড এবং ওয়েলসের সেক্রেটারি অব স্টেট জো স্টিভেনস।

অধিক আলোচিত হয় বাংলাদেশের গতিশীল অর্থনৈতিক রূপান্তর। আবিদা ইসলাম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জীববিজ্ঞান, ফিনটেক, সেমিকন্ডাক্টর, শিক্ষা, পর্যটন ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়গুলো, যেখানে বিনিয়োগের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান।

একটি প্যানেল আলোচনায় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি ওয়েলসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে আসন্ন বাণিজ্য মিশনে অংশগ্রহণ করে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে তিনি ফিনটেক ওয়েলস এবং চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ওয়েলস-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ভবিষ্যতে সরকারি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনায় বসেন তাঁরা।

ডব্লিউবিসিসি’র এই এক্সপো ও সেমিনার বাংলাদেশ-উয়েলস অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে, যা দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়ানো এবং যৌথ সমৃদ্ধির পথ আলোকিত করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ওয়েলস

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম ওয়েলসের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও উদ্ভাবনের সুযোগ অন্বেষণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাদের কাছে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশের উত্থানকামী বাজারের সুযোগগুলো তুলে ধরেছেন।

সম্প্রতি ওয়েলস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স (ডব্লিউবিসিসি) আয়োজিত ব্যবসায়িক এক্সপো ও সেমিনারে অংশগ্রহণকালে হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম ওয়েলসের জন্য বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনাময়তা স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এসময় তিনি বাংলাদেশে নতুন নতুন গবেষণা, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও শিল্পখাতে বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলো উল্লেখ করেন।

বুধবার ঢাকায় এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ওয়েলসের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন ওয়েস্ট গ্লামরগানের লর্ড লেফটেন্যান্ট লুইস ফ্লিট, অর্থমন্ত্রী মার্ক ড্রেকফোর্ড এবং ওয়েলসের সেক্রেটারি অব স্টেট জো স্টিভেনস।

অধিক আলোচিত হয় বাংলাদেশের গতিশীল অর্থনৈতিক রূপান্তর। আবিদা ইসলাম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করেন নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জীববিজ্ঞান, ফিনটেক, সেমিকন্ডাক্টর, শিক্ষা, পর্যটন ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়গুলো, যেখানে বিনিয়োগের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান।

একটি প্যানেল আলোচনায় এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি ওয়েলসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে আসন্ন বাণিজ্য মিশনে অংশগ্রহণ করে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে তিনি ফিনটেক ওয়েলস এবং চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ওয়েলস-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ভবিষ্যতে সরকারি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনায় বসেন তাঁরা।

ডব্লিউবিসিসি’র এই এক্সপো ও সেমিনার বাংলাদেশ-উয়েলস অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে, যা দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়ানো এবং যৌথ সমৃদ্ধির পথ আলোকিত করেছে।