১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

এনইআইআর বাতিল নয়, পুনর্গঠনের দাবি মোবাইল ব্যবসায়ীদের

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল বাজারে নতুন একটি সিন্ডিকেট গঠনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের মোট ব্যবসায়ীর মাত্র ৩০ শতাংশ হলেও, বৃহত্তর অংশের স্বার্থে পিছনে ফেলে দেয়া হয়েছে ৬০-৭০ শতাংশ ব্যবসায়ী। তারা অভিযোগ করেন, একটি চক্র দেশের বাজারের বৃহত্তম অংশের ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালী করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এই সিন্ডিকেট তৈরি করতে চাইছে।

ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট করেছেন, তারা এনইআইআর পুরোপুরি বাতিল করতে চান না। বরং, সিস্টেমটি পুনর্গঠন এবং বাস্তবায়নের জন্য এক বছর সময় নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনা করার প্রস্তাব করেছেন। তারা চান, এর আগে একটি গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করে সকলstakeholders এর মতামত নিয়ে সমাধান খুঁজে বের করা হোক।

গত বুধবার ঢাকায় রিপোর্টার্স ইউনিয়নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম মো্শা, কেন্দ্রীয় নেতা ও চট্টগ্রাম বিজনেস ফোরামের সভাপতি আরিফুর রহমান, শাহ আলম বোখারীসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতারা।

সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে এই বিনিয়োগ বিরোধী আন্দোলনকে ভণ্ডুল করতে বাংলাদেশের মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক পিয়াসকে রাতের অন্ধকারে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা বলছেন, এ ঘটনা একটি চক্রান্তের অংশ এবং এতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার জন্য সবার সচেতনতা জরুরি।

এক ব্যবসায়ী নেতা জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় সিন্ডিকেটের এই দুর্বৃত্ত গোত্রই আমাদের সাধারণ সম্পাদককে লক্ষ্যে নিয়ে এসেছে। তারা আরও জানান, মোবাইল ব্যবসায়ীরা একেবারেই চান না এনইআইআর পুরোপুরি বাতিল হোক। বরং, সিস্টেমটি নতুন করে গঠন এবং কার্যকর করার জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করাই সমাধান।

অপর পক্ষের একটি মত হলো, ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী বৈধ মোবাইল সেটের বিক্রির সুযোগ সীমিত হলে বাজারে ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ মাধ্যমে প্রভাবশালী করের ব্যবস্থাও বাড়বে, যার ফলে মোবাইলের দাম বহুলাংশে বাড়বে। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক, দর্জি এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই পরিস্থিতি মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্রে মার্কেটে কম দামে উচ্চমানের মোবাইল কিনে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন উপকৃত হয়েছে। শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠী এই সস্তা ফোনের সুবিধা ভোগ করে আসছে। তবে, এআইনির্ভর ভবিষ্যতের যুগে যখন মোবাইল ফোনের দাম বাড়বে তখন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এছাড়াও, বলা হয়, দেশের মোবাইল বাজারের ২০ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ১৮ জনের লাইসেন্সধারী নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই সংখ্যা বাস্তবতার থেকে অনেক কম বলে অভিযোগ ওঠে, যা বাজারের স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতাকে হুমকি দিচ্ছে। নেতারা দাবি করেন, বাজারের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে লাইসেন্সের সংখ্যা কমপক্ষে পাঁচ হাজারে উন্নীত করা জরুরি।

সবশেষে, ব্যবসায়ীরা হুঁশিয়ার করেছেন, সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে এনইআইআর বাস্তবায়ন যদি 그대로 থাকে তা হলে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীদের ক্ষতিই হবে। তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের ক্ষোভ বাড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তারা আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও Đôngি হলে, জনগণকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলনে নামার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

এনইআইআর বাতিল নয়, পুনর্গঠনের দাবি মোবাইল ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল বাজারে নতুন একটি সিন্ডিকেট গঠনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের মোট ব্যবসায়ীর মাত্র ৩০ শতাংশ হলেও, বৃহত্তর অংশের স্বার্থে পিছনে ফেলে দেয়া হয়েছে ৬০-৭০ শতাংশ ব্যবসায়ী। তারা অভিযোগ করেন, একটি চক্র দেশের বাজারের বৃহত্তম অংশের ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালী করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এই সিন্ডিকেট তৈরি করতে চাইছে।

ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট করেছেন, তারা এনইআইআর পুরোপুরি বাতিল করতে চান না। বরং, সিস্টেমটি পুনর্গঠন এবং বাস্তবায়নের জন্য এক বছর সময় নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনা করার প্রস্তাব করেছেন। তারা চান, এর আগে একটি গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করে সকলstakeholders এর মতামত নিয়ে সমাধান খুঁজে বের করা হোক।

গত বুধবার ঢাকায় রিপোর্টার্স ইউনিয়নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম মো্শা, কেন্দ্রীয় নেতা ও চট্টগ্রাম বিজনেস ফোরামের সভাপতি আরিফুর রহমান, শাহ আলম বোখারীসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতারা।

সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে এই বিনিয়োগ বিরোধী আন্দোলনকে ভণ্ডুল করতে বাংলাদেশের মোবাইল বিজনেস কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক পিয়াসকে রাতের অন্ধকারে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা বলছেন, এ ঘটনা একটি চক্রান্তের অংশ এবং এতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার জন্য সবার সচেতনতা জরুরি।

এক ব্যবসায়ী নেতা জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় সিন্ডিকেটের এই দুর্বৃত্ত গোত্রই আমাদের সাধারণ সম্পাদককে লক্ষ্যে নিয়ে এসেছে। তারা আরও জানান, মোবাইল ব্যবসায়ীরা একেবারেই চান না এনইআইআর পুরোপুরি বাতিল হোক। বরং, সিস্টেমটি নতুন করে গঠন এবং কার্যকর করার জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করাই সমাধান।

অপর পক্ষের একটি মত হলো, ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী বৈধ মোবাইল সেটের বিক্রির সুযোগ সীমিত হলে বাজারে ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ মাধ্যমে প্রভাবশালী করের ব্যবস্থাও বাড়বে, যার ফলে মোবাইলের দাম বহুলাংশে বাড়বে। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক, দর্জি এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই পরিস্থিতি মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্রে মার্কেটে কম দামে উচ্চমানের মোবাইল কিনে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন উপকৃত হয়েছে। শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠী এই সস্তা ফোনের সুবিধা ভোগ করে আসছে। তবে, এআইনির্ভর ভবিষ্যতের যুগে যখন মোবাইল ফোনের দাম বাড়বে তখন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এছাড়াও, বলা হয়, দেশের মোবাইল বাজারের ২০ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ১৮ জনের লাইসেন্সধারী নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই সংখ্যা বাস্তবতার থেকে অনেক কম বলে অভিযোগ ওঠে, যা বাজারের স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতাকে হুমকি দিচ্ছে। নেতারা দাবি করেন, বাজারের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে লাইসেন্সের সংখ্যা কমপক্ষে পাঁচ হাজারে উন্নীত করা জরুরি।

সবশেষে, ব্যবসায়ীরা হুঁশিয়ার করেছেন, সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে এনইআইআর বাস্তবায়ন যদি 그대로 থাকে তা হলে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীদের ক্ষতিই হবে। তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের ক্ষোভ বাড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তারা আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও Đôngি হলে, জনগণকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলনে নামার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।