১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুমের দুটি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ৩ ও ৭ ডিসেম্বর

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ৩ ও ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই মামলায় গ্রেফতারকৃত ১৩ সেনা কর্মকর্তা আদালতে হাজির হওয়ার পরে, প্রসিকিউশনের আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই তারিখগুলো ধার্য করেন। পাশাপাশি, এই মামলার পলাতক আসামি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দুই মামলায় অন্যান্য পলাতক আসামির জন্যও অধিকারভুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। আজ সকালে, ঢাকা সেনানিবাসে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে বিস্তীর্ণ নিরাপত্তা বলয় ও শতাধিক আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এই দুই মামলার অভিযোগে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, এবং ডিএফআই’র সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। পরে, ২২ অক্টোবর এই আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এই ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্য— বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ, এবং বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী— দায়িত্বে আছেন। গুমের এ দুটি মামলায় কারাগারে পাঠানো ১৩ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন— র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), র‌্যাবের সাবেক ডিরেক্টর মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, মো. সারওয়ার বিন কাশেম, এবং ডিএফআই এর সাবেক ডিরেক্টর মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন। অন্যদিকে, জুলাই-অগাস্ট মাসে রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যা করে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা— লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মেজর মো. রাফাত বিন আলম—ও আগামীকাল ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার জন্য তারিখ ধার্য হয়েছে। সেনাবাহিনী এই গ্রেফতারি পরোয়ানার পর গত ১১ অক্টোবর ১৫ জন সক্রিয় ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেয়। অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, ৩০ জনের মধ্যে ২৫ জন সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা, যার মধ্যে নয়জন অবসরপ্রাপ্ত ও অন্যরা সক্রিয়। এর মধ্যে, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, ঢাকায় একটি ভবনকে সাময়িক কারাগার হিসেবে ঘোষণা করে ১২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে এই মামলার আসামিরা রাখা হবে। সূত্র: বাসস

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

গুমের দুটি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ৩ ও ৭ ডিসেম্বর

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ৩ ও ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই মামলায় গ্রেফতারকৃত ১৩ সেনা কর্মকর্তা আদালতে হাজির হওয়ার পরে, প্রসিকিউশনের আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই তারিখগুলো ধার্য করেন। পাশাপাশি, এই মামলার পলাতক আসামি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দুই মামলায় অন্যান্য পলাতক আসামির জন্যও অধিকারভুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। আজ সকালে, ঢাকা সেনানিবাসে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে বিস্তীর্ণ নিরাপত্তা বলয় ও শতাধিক আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এই দুই মামলার অভিযোগে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, এবং ডিএফআই’র সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। পরে, ২২ অক্টোবর এই আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এই ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্য— বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ, এবং বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী— দায়িত্বে আছেন। গুমের এ দুটি মামলায় কারাগারে পাঠানো ১৩ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন— র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), র‌্যাবের সাবেক ডিরেক্টর মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, মো. সারওয়ার বিন কাশেম, এবং ডিএফআই এর সাবেক ডিরেক্টর মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন। অন্যদিকে, জুলাই-অগাস্ট মাসে রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যা করে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা— লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মেজর মো. রাফাত বিন আলম—ও আগামীকাল ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার জন্য তারিখ ধার্য হয়েছে। সেনাবাহিনী এই গ্রেফতারি পরোয়ানার পর গত ১১ অক্টোবর ১৫ জন সক্রিয় ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেয়। অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান জানান, ৩০ জনের মধ্যে ২৫ জন সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা, যার মধ্যে নয়জন অবসরপ্রাপ্ত ও অন্যরা সক্রিয়। এর মধ্যে, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, ঢাকায় একটি ভবনকে সাময়িক কারাগার হিসেবে ঘোষণা করে ১২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে এই মামলার আসামিরা রাখা হবে। সূত্র: বাসস