১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

হাসনাত আবদুল্লাহর সাক্ষাৎ ও বক্তব্য: ১৭ বছর কোথায় ছিল সেই প্রশ্ন

নির্বাচনী প্রচারণার আয়োজনে কুমিল্লার দেবিদ্বার এলাকার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগে অংশ নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠন নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি জনগণের কাছে স্পষ্ট করে বলেন, রাস্তার মধ্যে কর্মী নামানোর মাধ্যমে পালানোর পরিকল্পনা কখনো নেই। বরং তাঁদের লক্ষ্য হলো ১৭ বছর ধরে কোথায় ছিলেন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা। মঙ্গলবার দিনব্যাপী এই গণসংযোগে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, গত ১৭ বছর এই এলাকাগুলোতে কী ঘটেছে। সেটা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করার চেয়ে বরং মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমার সম্পর্কে নানা ধরনের কথা শোনা যায়, যেমন আমি ৫০০ ভোট পাব, ৯ মাসের একটি ছোট পার্টির নেতা। কিন্তু আসল কথা হলো, আমি সাধারন মানুষ, খেটে খাওয়া মনোভাব নিয়ে আপনাদের পাশে আছি। আমার কোনও বিশাল সম্পদ বা বিদেশে পড়াশোনা করা না থাকলেও আমি আপনাদেরও মতই একজন স্বাভাবিক মানুষ। নেতাদের উপর দিয়ে আসা ট্রেনের মতো না, আমি নিজের যোগ্যতা দিয়ে উপরে উঠেছি।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, তারা সবাই রাস্তাঘাটে দেখা গেছে। বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও দৃশ্যমান। কিন্তু এখন অনেকের নিছকেই বলে বেড়ায়, তারা নাকি আওয়ামী লীগের। এটা বোঝার জন্য ভাবুন, তারা কারা? আসলেই কি তাদের জন্য কোনও স্বচ্ছতা আছে?

দিনব্যাপী এই গণসংযোগের অংশ হিসেবে হাসনাত আবদুল্লাহ শহীদ কাদির হোসেন সোহাগের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং তার কবর জিয়ারত করে সম্মান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি দেবিদ্বার উপজেলার ভানী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। শাপলা কলি প্রতীকে ভোট চান এবং সাধারণ মানুষের মাঝে থাকছেন মানুষের ভোটের জন্য আর্জি জানিয়ে, তাদের সমর্থন কামনা করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

হাসনাত আবদুল্লাহর সাক্ষাৎ ও বক্তব্য: ১৭ বছর কোথায় ছিল সেই প্রশ্ন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচনী প্রচারণার আয়োজনে কুমিল্লার দেবিদ্বার এলাকার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগে অংশ নেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠন নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি জনগণের কাছে স্পষ্ট করে বলেন, রাস্তার মধ্যে কর্মী নামানোর মাধ্যমে পালানোর পরিকল্পনা কখনো নেই। বরং তাঁদের লক্ষ্য হলো ১৭ বছর ধরে কোথায় ছিলেন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা। মঙ্গলবার দিনব্যাপী এই গণসংযোগে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, গত ১৭ বছর এই এলাকাগুলোতে কী ঘটেছে। সেটা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করার চেয়ে বরং মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমার সম্পর্কে নানা ধরনের কথা শোনা যায়, যেমন আমি ৫০০ ভোট পাব, ৯ মাসের একটি ছোট পার্টির নেতা। কিন্তু আসল কথা হলো, আমি সাধারন মানুষ, খেটে খাওয়া মনোভাব নিয়ে আপনাদের পাশে আছি। আমার কোনও বিশাল সম্পদ বা বিদেশে পড়াশোনা করা না থাকলেও আমি আপনাদেরও মতই একজন স্বাভাবিক মানুষ। নেতাদের উপর দিয়ে আসা ট্রেনের মতো না, আমি নিজের যোগ্যতা দিয়ে উপরে উঠেছি।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, তারা সবাই রাস্তাঘাটে দেখা গেছে। বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও দৃশ্যমান। কিন্তু এখন অনেকের নিছকেই বলে বেড়ায়, তারা নাকি আওয়ামী লীগের। এটা বোঝার জন্য ভাবুন, তারা কারা? আসলেই কি তাদের জন্য কোনও স্বচ্ছতা আছে?

দিনব্যাপী এই গণসংযোগের অংশ হিসেবে হাসনাত আবদুল্লাহ শহীদ কাদির হোসেন সোহাগের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং তার কবর জিয়ারত করে সম্মান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি দেবিদ্বার উপজেলার ভানী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। শাপলা কলি প্রতীকে ভোট চান এবং সাধারণ মানুষের মাঝে থাকছেন মানুষের ভোটের জন্য আর্জি জানিয়ে, তাদের সমর্থন কামনা করেন।