০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

৭১ বিরোধী শক্তি ভাব দেখাচ্ছে, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে आयोजित এক আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোর এই পরিবর্তিত রূপ দেখিয়ে মনে হয়, তারা এখন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।

ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জা ফখরুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন দুটি মূল শক্তির মধ্যেকার লড়াই, যেখানে একদিক বাংলাদেশের পক্ষে এবং অন্যদিক পশ্চাৎপদ বা স্বাধীনের ওপর আস্থা হারানো শক্তি। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের সাধারণ মানুষ কি সত্যিই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তির হাতে ন্যস্ত হবে?

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার কাজ হয়, তবে এর মানে এই নয় যে নতুন কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে আবার পিছনে টেনে নিয়ে যাবে।

মির্জা ফখরুল মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের অন্যতম নেতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে পরিগণিত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, ২৫ ডিসেম্বরের তত্ত্বাবধানে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করার জন্য, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, যেন দেশের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার ও সম্ভবনার সূচনা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

৭১ বিরোধী শক্তি ভাব দেখাচ্ছে, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে आयोजित এক আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোর এই পরিবর্তিত রূপ দেখিয়ে মনে হয়, তারা এখন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।

ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জা ফখরুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন দুটি মূল শক্তির মধ্যেকার লড়াই, যেখানে একদিক বাংলাদেশের পক্ষে এবং অন্যদিক পশ্চাৎপদ বা স্বাধীনের ওপর আস্থা হারানো শক্তি। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের সাধারণ মানুষ কি সত্যিই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তির হাতে ন্যস্ত হবে?

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার কাজ হয়, তবে এর মানে এই নয় যে নতুন কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে আবার পিছনে টেনে নিয়ে যাবে।

মির্জা ফখরুল মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের অন্যতম নেতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে পরিগণিত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, ২৫ ডিসেম্বরের তত্ত্বাবধানে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করার জন্য, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, যেন দেশের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার ও সম্ভবনার সূচনা হয়।