০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

৭১ বিরোধী শক্তি ভাব দেখাচ্ছে, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে आयोजित এক আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোর এই পরিবর্তিত রূপ দেখিয়ে মনে হয়, তারা এখন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।

ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জা ফখরুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন দুটি মূল শক্তির মধ্যেকার লড়াই, যেখানে একদিক বাংলাদেশের পক্ষে এবং অন্যদিক পশ্চাৎপদ বা স্বাধীনের ওপর আস্থা হারানো শক্তি। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের সাধারণ মানুষ কি সত্যিই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তির হাতে ন্যস্ত হবে?

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার কাজ হয়, তবে এর মানে এই নয় যে নতুন কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে আবার পিছনে টেনে নিয়ে যাবে।

মির্জা ফখরুল মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের অন্যতম নেতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে পরিগণিত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, ২৫ ডিসেম্বরের তত্ত্বাবধানে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করার জন্য, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, যেন দেশের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার ও সম্ভবনার সূচনা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

৭১ বিরোধী শক্তি ভাব দেখাচ্ছে, তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে आयोजित এক আলোচনা সভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই শক্তিগুলোর এই পরিবর্তিত রূপ দেখিয়ে মনে হয়, তারা এখন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলে দেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও স্বাধিকারকে অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনও কারণ নেই।

ঢাকা শহরের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জা ফখরুল উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন দুটি মূল শক্তির মধ্যেকার লড়াই, যেখানে একদিক বাংলাদেশের পক্ষে এবং অন্যদিক পশ্চাৎপদ বা স্বাধীনের ওপর আস্থা হারানো শক্তি। তিনি প্রশ্ন করেন, দেশের সাধারণ মানুষ কি সত্যিই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করবে, নাকি সেই পশ্চাৎপদ শক্তির হাতে ন্যস্ত হবে?

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ছাত্রদের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যদি ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করার কাজ হয়, তবে এর মানে এই নয় যে নতুন কোনও ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশকে আবার পিছনে টেনে নিয়ে যাবে।

মির্জা ফখরুল মরহুম চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি দেশের অন্যতম নেতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বরের প্রত্যাবর্তনকে ‘আশার আলো’ হিসেবে পরিগণিত করেন। তিনি সকল নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, ২৫ ডিসেম্বরের তত্ত্বাবধানে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করার জন্য, যা আগে কখনো দেখা যায়নি, যেন দেশের জন্য এক নতুন অঙ্গীকার ও সম্ভবনার সূচনা হয়।