১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাংলাদেশ পুলিশের উচ্চপদস্থ ৮ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘকে প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশ আনসার-ভিডিপির প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি সরকারের ঘোষণা: নির্বাচনের পর দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত হবে চট্টগ্রাম বন্দরে এনসিটি ইজারাকে কেন্দ্র করে অচলাবস্থা, জরুরি সভার আহ্বান চট্টগ্রাম বন্দর: শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্ষোভের মুখে নৌ উপদেষ্টা ভোটের দিন ও ছুটির সময় মেট্রোরেল সচল থাকবে; কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের পে-কমিশনের প্রতিবেদন পেশ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার বিকেল relacionadas, ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা যখন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হতে চেষ্টা করে, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এই বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা যমুনা এবং সংলগ্ন নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা জনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশকে বাধ্য হয়ে জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি চালায়নি।

আহতদের বিষয়ে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন, আহতদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা হয়নি। সরকার আবারও বলেছে যে, হাদি হত্যা মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন করতে তারা পুর্নদায়িত্বশীল। এ বিষয়ে জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার জন্য আইনগত পর্যালোচনার কাজ চলমান এবং আগামী রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের বিষয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা অমূলক।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকার সবাইকে ধৈর্য্য ও সংযমের অনুরোধ জানিয়েছে। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি বাংলাদেশে নিবদ্ধ, এবং বহু বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে দেশে অবস্থান করছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সরকার মনে করে, একটি স্বচ্ছ, উৎসবমুখর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো ধরনের অপ্রকাশ্য উসকানি বা বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের মান রক্ষায় সব নাগরিকের দায়িত্বশীল ও সম্মিলিত সহযোগিতা দিয়ে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আমির হামজার ফেসবুক পেজ বন্ধ করল মেটা কর্তৃপক্ষ

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি

প্রকাশিতঃ ১২:২৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার বিকেল relacionadas, ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা যখন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হতে চেষ্টা করে, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এই বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা যমুনা এবং সংলগ্ন নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা জনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশকে বাধ্য হয়ে জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি চালায়নি।

আহতদের বিষয়ে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন, আহতদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা হয়নি। সরকার আবারও বলেছে যে, হাদি হত্যা মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন করতে তারা পুর্নদায়িত্বশীল। এ বিষয়ে জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার জন্য আইনগত পর্যালোচনার কাজ চলমান এবং আগামী রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের বিষয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা অমূলক।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকার সবাইকে ধৈর্য্য ও সংযমের অনুরোধ জানিয়েছে। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি বাংলাদেশে নিবদ্ধ, এবং বহু বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে দেশে অবস্থান করছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সরকার মনে করে, একটি স্বচ্ছ, উৎসবমুখর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো ধরনের অপ্রকাশ্য উসকানি বা বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের মান রক্ষায় সব নাগরিকের দায়িত্বশীল ও সম্মিলিত সহযোগিতা দিয়ে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।