০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার বিকেল relacionadas, ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা যখন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হতে চেষ্টা করে, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এই বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা যমুনা এবং সংলগ্ন নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা জনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশকে বাধ্য হয়ে জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি চালায়নি।

আহতদের বিষয়ে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন, আহতদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা হয়নি। সরকার আবারও বলেছে যে, হাদি হত্যা মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন করতে তারা পুর্নদায়িত্বশীল। এ বিষয়ে জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার জন্য আইনগত পর্যালোচনার কাজ চলমান এবং আগামী রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের বিষয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা অমূলক।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকার সবাইকে ধৈর্য্য ও সংযমের অনুরোধ জানিয়েছে। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি বাংলাদেশে নিবদ্ধ, এবং বহু বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে দেশে অবস্থান করছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সরকার মনে করে, একটি স্বচ্ছ, উৎসবমুখর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো ধরনের অপ্রকাশ্য উসকানি বা বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের মান রক্ষায় সব নাগরিকের দায়িত্বশীল ও সম্মিলিত সহযোগিতা দিয়ে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালায়নি

প্রকাশিতঃ ১২:২৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার বিকেল relacionadas, ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা যখন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হতে চেষ্টা করে, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এই বিবৃতিতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা যমুনা এবং সংলগ্ন নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা জনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশকে বাধ্য হয়ে জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি চালায়নি।

আহতদের বিষয়ে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন, আহতদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা হয়নি। সরকার আবারও বলেছে যে, হাদি হত্যা মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন করতে তারা পুর্নদায়িত্বশীল। এ বিষয়ে জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার জন্য আইনগত পর্যালোচনার কাজ চলমান এবং আগামী রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের বিষয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা অমূলক।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকার সবাইকে ধৈর্য্য ও সংযমের অনুরোধ জানিয়েছে। বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টি বাংলাদেশে নিবদ্ধ, এবং বহু বিদেশি সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে দেশে অবস্থান করছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সরকার মনে করে, একটি স্বচ্ছ, উৎসবমুখর, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো ধরনের অপ্রকাশ্য উসকানি বা বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের মান রক্ষায় সব নাগরিকের দায়িত্বশীল ও সম্মিলিত সহযোগিতা দিয়ে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।